ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণে সরকার ডেঙ্গু মোকাবিলা করবে : মির্জা ফখরুল Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও’র সাক্ষাৎ Logo বিশ্বে প্রথমবার এইচআইভি পজিটিভ দাতার ফুসফুস সফলভাবে প্রতিস্থাপন Logo পটুয়াখালীতে ভূমিকম্প-অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক সচেতনতামূলক মহড়া অনুষ্ঠিত Logo অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo হরমুজ প্রণালী আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের Logo ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ছাড়লেন ভ্যান্স Logo স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন Logo প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫-১৭টি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে : পররাষ্ট্র সচিব

‘যতদিন বেঁচে আছি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাবো’

প্রতিনিধির নাম :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যতদিন আমি বেঁচে আছি ততদিন জাতির পিতার সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাবো।’

সেট্রাল লন্ডনে শনিবার আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের এক আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত জীবনে লাভের জন্য আমার কিছুই করার নেই; বরং আমার জীবনের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে প্রকৃত অর্থেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাস্তবায়ন করা। যেই আদর্শের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধু দেশ পরিচালনা করেছিলেন।’ যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষ্যে লন্ডনের সেন্ট্রাল হলে এই আলোচনা সভা আয়োজন করে। প্রধানমন্ত্রী গতমাসে লন্ডনে আসেন তাঁর চিকিৎসার জন্য এবং চলতি মাসের প্রথম হপ্তান্তে দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণদান কালে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁর প্রিয় পিতা এবং মা-ভাই সহ তাঁর গোটা পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যার পর বিদেশে নির্বাসিত জীবন-যাপনের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, এই আগস্ট মাসের ১৫ তারিখের কালো রাতে তিনি তার পরিবারের প্রিয়জনকে হারিয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের একপর্যায়ে একাই দেশে ফিরেন। তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেন, আওয়ামী লীগের নীতি-আদর্শ হচ্ছে দেশের উন্নতি ও অগ্রগতির সাধন করা। এ সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিএনপির কঠোর সমালোচনা করে বলেন, ২০০১-২০০৬ সময়কালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন বাংলাদেশ খাদ্য ঘাটতির দেশে পরিণত হয়েছিল। তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিবরণ উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা নিরবচ্ছিন্ন দুর্নীতি, অর্থপাচার ও এতিমদের অর্থ লুটপাটের সঙ্গে তারা জড়িত ছিল এবং নেতাকর্মীরা মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করে। দেশে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর নির্বিচারে হত্যা ও নির্যাতন চালায়।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা এবং তাঁর পরিবারের অন্যান্য শহীদ সদস্যদের পাশাপাশি শহীদ চার জাতীয় নেতার বিদেহী আত্মার চির শান্তি কামনা করেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০১৯
৫ বার পঠিত হয়েছে

‘যতদিন বেঁচে আছি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাবো’

আপডেট এর সময় : ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যতদিন আমি বেঁচে আছি ততদিন জাতির পিতার সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাবো।’

সেট্রাল লন্ডনে শনিবার আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের এক আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত জীবনে লাভের জন্য আমার কিছুই করার নেই; বরং আমার জীবনের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে প্রকৃত অর্থেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাস্তবায়ন করা। যেই আদর্শের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধু দেশ পরিচালনা করেছিলেন।’ যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষ্যে লন্ডনের সেন্ট্রাল হলে এই আলোচনা সভা আয়োজন করে। প্রধানমন্ত্রী গতমাসে লন্ডনে আসেন তাঁর চিকিৎসার জন্য এবং চলতি মাসের প্রথম হপ্তান্তে দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণদান কালে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁর প্রিয় পিতা এবং মা-ভাই সহ তাঁর গোটা পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যার পর বিদেশে নির্বাসিত জীবন-যাপনের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, এই আগস্ট মাসের ১৫ তারিখের কালো রাতে তিনি তার পরিবারের প্রিয়জনকে হারিয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের একপর্যায়ে একাই দেশে ফিরেন। তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেন, আওয়ামী লীগের নীতি-আদর্শ হচ্ছে দেশের উন্নতি ও অগ্রগতির সাধন করা। এ সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিএনপির কঠোর সমালোচনা করে বলেন, ২০০১-২০০৬ সময়কালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন বাংলাদেশ খাদ্য ঘাটতির দেশে পরিণত হয়েছিল। তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিবরণ উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা নিরবচ্ছিন্ন দুর্নীতি, অর্থপাচার ও এতিমদের অর্থ লুটপাটের সঙ্গে তারা জড়িত ছিল এবং নেতাকর্মীরা মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করে। দেশে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর নির্বিচারে হত্যা ও নির্যাতন চালায়।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা এবং তাঁর পরিবারের অন্যান্য শহীদ সদস্যদের পাশাপাশি শহীদ চার জাতীয় নেতার বিদেহী আত্মার চির শান্তি কামনা করেন।