ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা Logo চিলিতে ভারী বৃষ্টিতে ১০ জনের মৃত্যু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা Logo সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা Logo ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের Logo আগামী এক বছরে ২০ লাখ মামলা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে: আইনমন্ত্রী Logo মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের উত্তেজনায় এক মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তেলের দাম Logo আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন Logo হাতিমারা-ছনবাড়ী সড়ক প্রশস্তকরণে ১৩৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ

‘রাম রহিমের সঙ্গে এক রুমে নগ্ন অবস্থায় হানিপ্রীত’ (ভিডিও)

প্রতিনিধির নাম :

ঢাকা: ভারতের হরিয়ানার স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু গুরমিত সিং রাম রহিম ধর্ষণের দায়ে ২০ বছরের সাজা ভোগ করছেন। ‘বাবা’র সাজা হওয়ার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন তার ‘দত্তক কন্যা’ হানিপ্রীত ইনসান।

এবার ‘বাবা’র সেই পালিত কন্যা হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত মুখ খুললেন। বিশ্বাস এক সংবাদ সম্মেলনে বললেন, তিনি নিজ চোখে রাম রহিম আর হানিপ্রীতকে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত অবস্থায় দেখেছেন।

শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদসম্মেলনে বিশ্বাস জানালেন, তাকে আজকে সংবাদ সম্মেলনে সবাই দেখতে পাচ্ছেন, এমন হতে পারে এরপর তাকে আর দেখা যাবে কিনা সে নিজেও জানেন না। তিনি জানান, রাম রহিম অনেক ক্ষমতাবান একজন লোক। তা সে যতই জেলে থাকুক।

সংবাদ সম্মেলনে হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত জানালেন, ‘বাবা’ রাম রহিম আর তার পালিত কন্যার সম্পর্ক আসলে অবৈধ। তাদের মধ্যে কোনো বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ছিল না। তারা এক বিছানায় শুত। বাবা আর হানিপ্রীতের শারীরিক সম্পর্ক ছিল।

বিশ্বাস এসময় আরও জানান, বাবাকে এবং হানিপ্রীতকে সে নগ্ন অবস্থায় এক রুমে দেখেছে।

বিশ্বাস সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি ডেরায় থাকলেও, হানিপ্রীত থাকতেন বাবা রাম রহিমের ঘরে। হানিপ্রীত যখন বাবার কামরায় যেতেন সঙ্গে সঙ্গে তাকে সেই কামরা থেকে বের করে দেয়া হতো। এ সময় তাকে বাবা হুমকি দেয় যদি সে হানিপ্রীত আর বাবার সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুলে তাহলে তাকে প্রাণ হারাতে হবে।

২০১১ সালে বাবা আর হানিপ্রীতের অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করে বিশ্বাস। ডেরা থেকে নিজ বাড়িতে চলে যান তিনি। এরপর থেকেই বাবার লোকেরা সবসময় তাকে নজরে রাখতেন।

সংবাদমাধ্যমকে বিশ্বাস আরও জানান, বাবার ডেরার দুই ভক্তকে পাঠানো হয় তাকে মারার জন্য। কিন্তু ওই দুই ভক্ত বিশ্বাসকে খুবই পছন্দ করত আর তাই তাকে না মেরে সাবধান করে দিয়ে চলে যান তারা। এবং এও বলে যান আজকে তাদের পাঠানো হয়েছে অন্য সময় অন্য কাউকে পাঠানো হতে পারে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০১৭
১৯ বার পঠিত হয়েছে

‘রাম রহিমের সঙ্গে এক রুমে নগ্ন অবস্থায় হানিপ্রীত’ (ভিডিও)

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০১৭

ঢাকা: ভারতের হরিয়ানার স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু গুরমিত সিং রাম রহিম ধর্ষণের দায়ে ২০ বছরের সাজা ভোগ করছেন। ‘বাবা’র সাজা হওয়ার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন তার ‘দত্তক কন্যা’ হানিপ্রীত ইনসান।

এবার ‘বাবা’র সেই পালিত কন্যা হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত মুখ খুললেন। বিশ্বাস এক সংবাদ সম্মেলনে বললেন, তিনি নিজ চোখে রাম রহিম আর হানিপ্রীতকে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত অবস্থায় দেখেছেন।

শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদসম্মেলনে বিশ্বাস জানালেন, তাকে আজকে সংবাদ সম্মেলনে সবাই দেখতে পাচ্ছেন, এমন হতে পারে এরপর তাকে আর দেখা যাবে কিনা সে নিজেও জানেন না। তিনি জানান, রাম রহিম অনেক ক্ষমতাবান একজন লোক। তা সে যতই জেলে থাকুক।

সংবাদ সম্মেলনে হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত জানালেন, ‘বাবা’ রাম রহিম আর তার পালিত কন্যার সম্পর্ক আসলে অবৈধ। তাদের মধ্যে কোনো বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ছিল না। তারা এক বিছানায় শুত। বাবা আর হানিপ্রীতের শারীরিক সম্পর্ক ছিল।

বিশ্বাস এসময় আরও জানান, বাবাকে এবং হানিপ্রীতকে সে নগ্ন অবস্থায় এক রুমে দেখেছে।

বিশ্বাস সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি ডেরায় থাকলেও, হানিপ্রীত থাকতেন বাবা রাম রহিমের ঘরে। হানিপ্রীত যখন বাবার কামরায় যেতেন সঙ্গে সঙ্গে তাকে সেই কামরা থেকে বের করে দেয়া হতো। এ সময় তাকে বাবা হুমকি দেয় যদি সে হানিপ্রীত আর বাবার সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুলে তাহলে তাকে প্রাণ হারাতে হবে।

২০১১ সালে বাবা আর হানিপ্রীতের অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করে বিশ্বাস। ডেরা থেকে নিজ বাড়িতে চলে যান তিনি। এরপর থেকেই বাবার লোকেরা সবসময় তাকে নজরে রাখতেন।

সংবাদমাধ্যমকে বিশ্বাস আরও জানান, বাবার ডেরার দুই ভক্তকে পাঠানো হয় তাকে মারার জন্য। কিন্তু ওই দুই ভক্ত বিশ্বাসকে খুবই পছন্দ করত আর তাই তাকে না মেরে সাবধান করে দিয়ে চলে যান তারা। এবং এও বলে যান আজকে তাদের পাঠানো হয়েছে অন্য সময় অন্য কাউকে পাঠানো হতে পারে।