ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগে দ্বিতীয় যমুনা সেতু Logo উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত নেতৃত্বের আহ্বান মির্জা ফখরুলের Logo ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত ও উদ্ধার সক্ষমতা বাড়াতে বললেন তারেক রহমান Logo বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলার মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য অ্যামচ্যামের Logo বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo নাগোয়ায় টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন তারেক রহমান Logo বালুরমাঠে এসআরবির অভিযান, গাঁজাসহ আটক ৪ Logo কাজাখস্তানকে হারিয়ে আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনালি সাফল্য Logo ইনানীতে ৩২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে গ্যাসের আগুন, গ্যাসকূপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বাপেক্স Logo রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান তারেক রহমান

সিন্ডিকেটের কারণে আমদানি বাড়লেও বাজারে ছোলার দাম ঊর্ধমুখী

প্রতিনিধির নাম :

অর্থনীতি ডেস্ক: রমজানের অন্যতম একটি পণ্য ছোলা। ইফতারে ছোলার ব্যবহার সর্বত্র। আর এ সুযোগকে কাজে লাগাতে রমজান ঘিরে ছোলাতে থাবা বসিয়েছে সিন্ডিকেট। ফলে আমদানি বাড়লেও বাজারে ছোলার দাম ঊর্ধমুখী। অথচ গত এক মাসে দেশে সব ডালজাতীয় পণ্যের দাম ধারাবাহিকভাবে কমেছে। কিন্তু ছোলার বাজারে এখনো স্থিতিশীলতায় ফেরেনি। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি হওয়া ছোলা পাইকারিতে ৯৭-১০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছর রোজায় দেশের বাজারে প্রতি কেজি ছোলার দাম ৭৫-৮৫ টাকা ছিলো। ব্যবসায়ীদের মতে, বাজারে ছোলার পর্যাপ্ত আমদানি হচ্ছে।

কিন্তু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো দাম না কমানোয় বাজারে পড়েনি এর প্রভাব। পাশাপাশি দাম বাড়ার উল্লেখযোগ্য একটি কারণ রোজা শুরুর আগেই বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রয়াদেশ আসতে শুরু করা। ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, আমদানিকারকরা বিশ্ববাজার থেকে কম দামে ছোলা সংগ্রহ করছে। কিন্তু আমদানির সঙ্গে মুষ্টিমেয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান যুক্ত থাকায় দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমান বৈশ্বিক বাজারের হিসাবে প্রতি টন ছোলার বুকিং দর ৬৫০-৬৭০ ডলার। বর্তমান ডলার মূল্যের হিসাবে তা দেশে কেজিতে ৮৫-৯০ টাকা হওয়ার কথা। মৌসুমভিত্তিক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ও মুষ্টিমেয় কয়েকটি ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের মজুদ প্রবণতার কারণে রোজার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোগ্যপণ্যটির দামে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে।

অস্ট্রেলিয়া থেকেই সবচেয়ে বেশি ছোলা আমদানি হয়। তাছাড়া বর্তমানে তাঞ্জানিয়ার ছোলা ভারত হয়ে দেশে আসছে। একেএস, আকিজ, সিটি, নাবিলসহ বেশ কয়েকটি শিল্প গ্রুপ ছোলা আমদানি করেছে। সূত্র জানায়, ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান ও বড় পাইকারি ব্যবসায়ীরা আমদানিকারকদের কাছ থেকে ছোলা কিনে বাজার চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করে। দেশে মাসভিত্তিক ছোলার চাহিদা গড়ে ১২-১৫ হাজার টন। তবে রমজান মাসে চাহিদা ৮-১০ গুণ বেড়ে যায়। ওই কারণে প্রায় প্রতি বছরই পণ্যটির বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে বাজারে ব্যবসায়িক মুনাফার প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ডাবলি বা অ্যাংকরের দাম ৫৭-৫৮ টাকায় নেমে এসেছে। সাধারণত ডাবলির সঙ্গে ছোলার দামের প্রায় ২০ টাকা পার্থক্য থাকে। বর্তমানে তা প্রায় ৪০ টাকায় পৌঁছেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ছোলা গত বছরের তুলনায় ১৫-২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
৪৫ বার পঠিত হয়েছে

সিন্ডিকেটের কারণে আমদানি বাড়লেও বাজারে ছোলার দাম ঊর্ধমুখী

আপডেট এর সময় : ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

অর্থনীতি ডেস্ক: রমজানের অন্যতম একটি পণ্য ছোলা। ইফতারে ছোলার ব্যবহার সর্বত্র। আর এ সুযোগকে কাজে লাগাতে রমজান ঘিরে ছোলাতে থাবা বসিয়েছে সিন্ডিকেট। ফলে আমদানি বাড়লেও বাজারে ছোলার দাম ঊর্ধমুখী। অথচ গত এক মাসে দেশে সব ডালজাতীয় পণ্যের দাম ধারাবাহিকভাবে কমেছে। কিন্তু ছোলার বাজারে এখনো স্থিতিশীলতায় ফেরেনি। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি হওয়া ছোলা পাইকারিতে ৯৭-১০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছর রোজায় দেশের বাজারে প্রতি কেজি ছোলার দাম ৭৫-৮৫ টাকা ছিলো। ব্যবসায়ীদের মতে, বাজারে ছোলার পর্যাপ্ত আমদানি হচ্ছে।

কিন্তু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো দাম না কমানোয় বাজারে পড়েনি এর প্রভাব। পাশাপাশি দাম বাড়ার উল্লেখযোগ্য একটি কারণ রোজা শুরুর আগেই বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রয়াদেশ আসতে শুরু করা। ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, আমদানিকারকরা বিশ্ববাজার থেকে কম দামে ছোলা সংগ্রহ করছে। কিন্তু আমদানির সঙ্গে মুষ্টিমেয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান যুক্ত থাকায় দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমান বৈশ্বিক বাজারের হিসাবে প্রতি টন ছোলার বুকিং দর ৬৫০-৬৭০ ডলার। বর্তমান ডলার মূল্যের হিসাবে তা দেশে কেজিতে ৮৫-৯০ টাকা হওয়ার কথা। মৌসুমভিত্তিক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ও মুষ্টিমেয় কয়েকটি ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের মজুদ প্রবণতার কারণে রোজার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোগ্যপণ্যটির দামে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে।

অস্ট্রেলিয়া থেকেই সবচেয়ে বেশি ছোলা আমদানি হয়। তাছাড়া বর্তমানে তাঞ্জানিয়ার ছোলা ভারত হয়ে দেশে আসছে। একেএস, আকিজ, সিটি, নাবিলসহ বেশ কয়েকটি শিল্প গ্রুপ ছোলা আমদানি করেছে। সূত্র জানায়, ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান ও বড় পাইকারি ব্যবসায়ীরা আমদানিকারকদের কাছ থেকে ছোলা কিনে বাজার চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করে। দেশে মাসভিত্তিক ছোলার চাহিদা গড়ে ১২-১৫ হাজার টন। তবে রমজান মাসে চাহিদা ৮-১০ গুণ বেড়ে যায়। ওই কারণে প্রায় প্রতি বছরই পণ্যটির বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে বাজারে ব্যবসায়িক মুনাফার প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ডাবলি বা অ্যাংকরের দাম ৫৭-৫৮ টাকায় নেমে এসেছে। সাধারণত ডাবলির সঙ্গে ছোলার দামের প্রায় ২০ টাকা পার্থক্য থাকে। বর্তমানে তা প্রায় ৪০ টাকায় পৌঁছেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ছোলা গত বছরের তুলনায় ১৫-২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।