ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: তিতুমীর Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo স্বাস্থসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করবে সরকার Logo পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর Logo সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় আইসিটি বিশেষজ্ঞদের ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা’ তৈরির আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর Logo ১৩ সংখ্যা নিয়ে নানা অন্ধবিশ্বাস Logo চার দশকে সূর্যের অভ্যন্তরে বড় পরিবর্তন, উদ্বেগ বিজ্ঞানীদের Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত Logo হজযাত্রীদের লাগেজ চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন: মিল্লাত Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফানের সাক্ষাৎ

সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ফিরলেন সৌম্য

প্রতিনিধির নাম :
দীর্ঘদিন ফর্ম নেই। টানা ৮ ইনিংসে নেই কোনো হাফসেঞ্চুরি। শেষ ৮ ইনিংসের দুটিতে (৩৩, ২৮) কেবল দুই অঙ্ক ছূঁয়েছেন। তাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে দলেও জায়গা হয়নি। তবে ‘বুড়ো’ বয়সে অভিষিক্ত ফজলে রাব্বির ব্যর্থতায় খুলে সৌম্যর ভাগ্য। অভিষেকের পর টানা দুই ম্যাচে ডাক মেরে বাদ পড়েন রাব্বি। তাই তৃতীয়টিতে সহজেই একাদশে জায়গা পেয়ে যান সৌম্য।
সুযোগ পেয়েই তার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করলেন সৌম্য। হাঁকালেন সেঞ্চুরি। শূন্য রানে লিটন আউট হওয়ার পর ইমরুলের সঙ্গে নেমেছিলেন এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান। দুজন মিলে ২৮৭ রানের জয়ের লক্ষ্যটা বাংলাদেশের জন্য মামুলি ব্যাপারে পরিণত করেন। দ্বিতীয় উইকেটে ২২০ রানের জুটি গড়ে শেষ পর্যন্ত মাসাকাদজার বলে তিরিপানোর হাতে ধরা পড়েন। মাঠ ছাড়ার আগে ৯২ বল থেকে ৯টি চার ও ৬টি ছক্কার মারে করেছেন ১১৭ রান। এটি ওয়ানডেতে তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩০ ওভারের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দুই উইকেটে ২২০ রান।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুক্রবার দুপুরে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ৫ উইকেটে ২৮৬ রান করে সফরকারীরা। ১৪৩ বল থেকে ১০টি চার ও একটি ছক্কার মারে ক্যারিয়ার সেরা ১২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন উইলিয়ামস। ওয়ানডেতে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।
ধবলধোলাই থেকে বাঁচার মিশনে সিরিজের শেষ ম্যাচে মাঠে নেমে মাত্র ৬ রানে দুই ‍উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। দুই ওপেনার কেপাস জুয়াও ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে সাজঘরে ফেরান মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ও আবু হায়দার রনি। এরপর জুটি বাঁধা ব্রেন্ডন টেলর ও শিন উইলিয়ামস। এ দু’জনই ভোগাচ্ছিলেন বাংলাদেশকে। টেলরকে আউট করে ১৩২ রানের জুটি ভাঙেন অপু। আউট হওয়ার আগে ৭২ বল থেকে ৮টি চার ও তিনটি ছক্কার মারে টেলর করেন ৭৫ রান।
এতেও থামছিল না জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ঝড়। সিকান্দার রাজাকে সঙ্গে নিয়ে একই গতিতে এগোতে থাকেন উইলিয়ামস। তবে ৪৩তম ওভারে এসে রাজাকে ফেরান সেই অপু। ৯০ রানের জুটি ভেঙে আউট হওয়ার আগে রাজা করেছেন ৪০ রান। আর ১২৯ রানের দারুণ ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন উইলিয়ামস। পিটার মুর শেষ দিকে ২১ বলে দুই ছক্কায় ২৮ রানের দারুণ ইনিংস খেলে শেষ ওভারে রান আউট হয়ে যান। শেষ দুই ওভারে আবু হায়দার রনি ও সাইফ উদ্দিনের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে তিনশ এর নীচেই বেঁধে রাখতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে সিরিজ নিশ্চিত করেছে টাইগাররা। এই ম্যাচ জিতলেই জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করতে সক্ষম হবে মাশরাফি বাহিনী।
Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮
৪ বার পঠিত হয়েছে

সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ফিরলেন সৌম্য

আপডেট এর সময় : ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮
দীর্ঘদিন ফর্ম নেই। টানা ৮ ইনিংসে নেই কোনো হাফসেঞ্চুরি। শেষ ৮ ইনিংসের দুটিতে (৩৩, ২৮) কেবল দুই অঙ্ক ছূঁয়েছেন। তাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে দলেও জায়গা হয়নি। তবে ‘বুড়ো’ বয়সে অভিষিক্ত ফজলে রাব্বির ব্যর্থতায় খুলে সৌম্যর ভাগ্য। অভিষেকের পর টানা দুই ম্যাচে ডাক মেরে বাদ পড়েন রাব্বি। তাই তৃতীয়টিতে সহজেই একাদশে জায়গা পেয়ে যান সৌম্য।
সুযোগ পেয়েই তার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করলেন সৌম্য। হাঁকালেন সেঞ্চুরি। শূন্য রানে লিটন আউট হওয়ার পর ইমরুলের সঙ্গে নেমেছিলেন এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান। দুজন মিলে ২৮৭ রানের জয়ের লক্ষ্যটা বাংলাদেশের জন্য মামুলি ব্যাপারে পরিণত করেন। দ্বিতীয় উইকেটে ২২০ রানের জুটি গড়ে শেষ পর্যন্ত মাসাকাদজার বলে তিরিপানোর হাতে ধরা পড়েন। মাঠ ছাড়ার আগে ৯২ বল থেকে ৯টি চার ও ৬টি ছক্কার মারে করেছেন ১১৭ রান। এটি ওয়ানডেতে তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩০ ওভারের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দুই উইকেটে ২২০ রান।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুক্রবার দুপুরে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ৫ উইকেটে ২৮৬ রান করে সফরকারীরা। ১৪৩ বল থেকে ১০টি চার ও একটি ছক্কার মারে ক্যারিয়ার সেরা ১২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন উইলিয়ামস। ওয়ানডেতে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।
ধবলধোলাই থেকে বাঁচার মিশনে সিরিজের শেষ ম্যাচে মাঠে নেমে মাত্র ৬ রানে দুই ‍উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। দুই ওপেনার কেপাস জুয়াও ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে সাজঘরে ফেরান মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ও আবু হায়দার রনি। এরপর জুটি বাঁধা ব্রেন্ডন টেলর ও শিন উইলিয়ামস। এ দু’জনই ভোগাচ্ছিলেন বাংলাদেশকে। টেলরকে আউট করে ১৩২ রানের জুটি ভাঙেন অপু। আউট হওয়ার আগে ৭২ বল থেকে ৮টি চার ও তিনটি ছক্কার মারে টেলর করেন ৭৫ রান।
এতেও থামছিল না জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ঝড়। সিকান্দার রাজাকে সঙ্গে নিয়ে একই গতিতে এগোতে থাকেন উইলিয়ামস। তবে ৪৩তম ওভারে এসে রাজাকে ফেরান সেই অপু। ৯০ রানের জুটি ভেঙে আউট হওয়ার আগে রাজা করেছেন ৪০ রান। আর ১২৯ রানের দারুণ ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন উইলিয়ামস। পিটার মুর শেষ দিকে ২১ বলে দুই ছক্কায় ২৮ রানের দারুণ ইনিংস খেলে শেষ ওভারে রান আউট হয়ে যান। শেষ দুই ওভারে আবু হায়দার রনি ও সাইফ উদ্দিনের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে তিনশ এর নীচেই বেঁধে রাখতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে সিরিজ নিশ্চিত করেছে টাইগাররা। এই ম্যাচ জিতলেই জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করতে সক্ষম হবে মাশরাফি বাহিনী।