১০০ জনকে দিয়ে ধর্ষণের হুমকি

একশ জনকে দিয়ে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে মামলা প্রত্যাহার করার হুমকি দিয়েছেনে এক ইউপি সদস্য। এ হুমকির পর দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অসহায় মনি আক্তার।
নারায়ণগঞ্জ বন্দরে ইউপি সদস্য ও তার পরিবার কতৃক মধ্যযুগীয় নির্যাতনের ঘটনায় মামলা করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গৃহবধূ মনি আক্তার। এই ঘটনায় মামলা হলেও গ্রেফতার হয়নি অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ।
থানাসত্রে জানা গেছে, শহরের পাইকপাড়া এলাকার ভাড়াটিয়া সালাউদ্দিন রহমান জীবনের স্ত্রী মনি আক্তার গত বুধবার দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে ইউপি সদস্য খলিল মেস্বারের বাড়িতে আহার করে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় তাকে মোবাইল চোর আখ্যা দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে দুই শিশু সন্তানকে লাঠি- সোটা দিয়ে পেটায়। এছাড়া লোহার খুন্তি গরম করে শিশু সুমীর (৬) হাত-পায় এবং মারুফ (৮) এর হাতে ছ্যাকা দিয়ে গুরুতর জখম করেন।
অবস্থা বেগতিক দেখে ৪ ঘন্টা আটকে রাখার পর তাদেরকে ছেড়ে দিলে রাতেই নির্যাতিতা মনি আক্তার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। নির্যাতনের স্বীকার মনি আক্তার অভিযুক্ত মেম্বার ও তার সহযোগীদের বিচার দাবিতে ৩ দিন যাবত প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। কিন্তু কোন প্রতিকার না পাওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠলে প্রশাসনের উর্ধবতন মহলের হস্তক্ষেপে মামলা নেয়া হয়।
এ ঘটনায় ইউপি সদস্য খলিল মেম্বারসহ তার তিন সহযোগীর বিরুদ্বে মামলা গ্রহণ করে স্থানীয় থান পুলিশ। মামলা করার পর থেকে অভিযুক্ত মেম্বার ও থানা পুলিশের হুমকীতে শিশু সন্তানদের নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে মনি আক্তার।
অভিযুক্ত খলিল মেম্বার ১শ জনকে দিয়ে ধর্ষণ করানোর হুমকি দিয়েছে উল্লেখ করে মনি আক্তার বলেন, শনিবার সকালে বন্দর বাজারের সামনে দারোগা শাখাওয়াত মেম্বারের বিরুদ্বে করা মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিয়ে বলে তার সাথে মামলা করে পারবা না। বিপদে পড়ার ভয় দেখিয়ে দারোগা আরো বলেন, খলিল মেম্বার অনেক ক্ষমতাবান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তদন্তকারী অফিসার ইন্সপেক্টর কুতুবে আলম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। জানতে চাইলে অভিযুক্ত খলিল মেম্বার নির্যাতনের স্বীকার মা ও শিশুদেরকে মোবাইল চুরির কারণে জনসাধারণ মারধর করেছে। ওসি তদন্ত হারুনুর রশিদ বলেন, নির্যাতিতা মনি আক্তারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়েছে।
























