ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo বরগুনায় জেলা ফল মেলার উদ্বোধন Logo বাগদাদের গ্রিন জোনে ইরাকি বাহিনীর অভিযান Logo আইসিই’র প্রধান পদে ওকলাহোমার সাবেক স্টেট ট্রুপারকে মনোনয়ন ট্রাম্পের Logo চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী Logo স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo ইসরাইল-লেবাননের চুক্তির বিরুদ্ধে বৈরুতের রাস্তায় হিজবুল্লাহ সমর্থকদের বিক্ষোভ Logo বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাথে পলিথিনের বিকল্প হিসেবে কার্বন বাংলার চুক্তি স্বাক্ষর

প্রতিনিধির নাম :

????????????????????????????????????

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনকে পলিথিনমুক্ত ও আবর্জনা মুক্ত শহর হিসেবে গড়ে তুলতে কার্বন বাংলা এমিশন অফসেট লিমিটেড এর সাথে সমঝোতা চুক্তির স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন মিলনায়তনে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ও কার্বন বাংলা এমিশন অফসেট লিমিটেড এর মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক সাক্ষর করা হয়। সমঝোতার ফলে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনকে আবর্জনামুক্ত শহর হিসেবে রূপান্তর করা হবে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে স্বাক্ষর করবেন এস এম সোহরাব হোসেন , এক্সকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও জোনাল এক্সকিউটিভ অফিসার এবং কার্বন বাংলা এমিশন অফসেট লিমিটেড এর পক্ষে স্বাক্ষর করবেন লেঃ সাইফুল আলম পাইকার (এক্স) বিএন । এ সময় কাউন্সিলর মোঃ ফারুক আহম্মেদ, হাজী মনিরসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কার্বন বাংলা এমিশন অফসেট লিমিটেড এর সিও লেঃ সাইফুল আলম পাইকার বলেন, একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পরিবেশ দূষণ রোধ করা। বিশ্বব্যাংকের সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের পরিবেশ দূষণের ফলে বার্ষিক ক্ষতি ৫২ হাজার কোটি টাকা। পরিবেশ দূষণের কারণে আমাদের দেশে মৃত্যুর হার ২৮%। পরিবেশ দূষণের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে প্লাষ্টিক ও পলিথিন। ২০০২ সালের পরিবেশ আইন এর গেজেট দ্বারা নিষিদ্ধ হলেও আজ পর্যন্ত এর সঠিক প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়নি।
পরিবেশ দূষণরোধ ও আধুনিক পরিবেশ বান্ধব মডেল ব্যবহার করে কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে বায়ো ইকোনমি ইনফ্রাস্ট্রাক্চার গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় গাজীপুর সিটিকে পরিবেশ বান্ধব শিল্প নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট সুদূরপ্রসারী কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পলিথিন নিষিদ্ধ এবং পলিথিনের বিকল্প হিসেবে সহজেই পচনশীল বায়ো ব্যাগ ব্যবহারের উদ্যোগে বায়ো ব্যাগ উৎপাদন কারখানা স্থাপনে কাবর্ন বাংলা ইমিশিন অফসেট লিমিটেড ও নরওয়ের বায়োব্যাগ ইন্টারন্যাশনা কোম্পানি বাংলাদেশে পচনশীল পলিথিন কারখানা স্থাপনে প্রযুক্তি হস্তান্তর করে সহযোগিতা করবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা জানি পলিথিন ও প্লাাস্টিক বর্জ্য আমাদের পরিবেশ ও নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এবং আমাদের জনজীবনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। ভবিষ্যতের বসবাস উপযোগী নগর হিসেবে গড়ে তুলতে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গুরুত্ব¡ উপলব্ধি করে এবং পরিবেশ সচেতনায় ও বায়ো ইকোনমি প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে কাজ করে যাওয়া কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট বায়ো সারকুলার অপ্রোচ পদ্ধিতি চালুর মাধ্যমে গাজীপুর সিটিকে আবর্জনামুক্ত শহর ও পরিবেশ বান্ধব নগর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। যার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে থাকবে জনগণকে পলিথিনের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে পলিথিন নিষিদ্ধ আইন গাজীপুর সিটিতে কার্যকর করা ও পলিথিন ম্যাপিং এর মাধ্যমে ক্ষতিকর পলিথিন এর পরিমান নির্ণয় করা। জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে পচনশীল বায়ো পলিথিন ব্যবহার জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা এবং পাচনশীল বায়ো পলিথিন উৎপাদনে শিল্পকারখানা স্থাপনে সরকারী ও বেসরকারী ভাবে চালু করতে কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট লিমিটেড সার্বিক সহযোগিতা করে যাবে।
সাইফুল আলম পলিথিনের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে পলিথিন ব্যবহারে স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও স্বাস্থ্যের হুমকি মোকাবেলায় অতিদ্রত সমাধান হিসেবে বায়ো ইনফাস্ট্রাকচার স্থাপনের মডেল তুলে ধরেন। বায়ো ইনফাস্ট্রাকচার মডেল স্থাপনের মাধ্যমে পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি উৎপাদন, শিল্পকারখানায় বায়ো জ্বালানির ব্যবহার এবং জৈব বর্জ্য কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা প্রদান করা। পরিবেশ দূষণের ফলে আমাদের খাদ্য চক্র দূষিত হয়ে পরছে। স্বাস্থ্য সেবার খরচ দিন দিন বেড়েই চলছে। সারা দেশের প্রতিদিন মানুষ স্বাস্থ্য সেবার পিছনে ছুটছে। তাই সার্বিক অর্থনৈতিক ক্ষতি ও পরিবেশের ক্ষতি এবং আমাদের স্বাস্থ্য ক্ষতি বিবেচনায় নিয়ে অতিদ্রত বাংলাদেশের মধ্যে গাজীপুর সিটিকে বায়ো ইকোনমির মডেল হিসেবে তুলে ধরা যা আমাদের বৈষিক পরিচিতি ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রনে ভূমিকা রাখবে। গাজীপুর সিটির ওয়স্টে ওয়াটার ব্যবহার করে ড্রেনের পানিতে অ্যালগলি চাষের মাধ্যমে পানিদূষণ রোধ করবে। বায়ো গ্যাস ভিত্তিক জ্বালানি ব্যবহারেরর মাধ্যমে শিল্পকারখানাগুলিকে পরিবেশ বান্ধব করা এবং বায়োপ্লান্ট থেকে প্রাপ্ত আবর্জনা জৈব সার হিসেবে কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহার আমাদের উৎপাদন ব্যবস্থায় রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে মাটি দূষণ রোধ করে পরিবেশ বান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা। গাজীপুর সিটিতে পরিবেশ বান্ধব এবং বায়োইকোনমির সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট লিমিটেড সার্বিক সহযোগিতা ও কারিগরি সহযোগিতা প্রধান করবে। বায়ো ইকোনমি ইনফ্রাস্ট্রাকচার বায়ো সার্কুলার অ্যাপ্রোচ আমাদের আগামী দিনের তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন কর্মসংস্থান , টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০১৯
৯ বার পঠিত হয়েছে

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাথে পলিথিনের বিকল্প হিসেবে কার্বন বাংলার চুক্তি স্বাক্ষর

আপডেট এর সময় : ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০১৯

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনকে পলিথিনমুক্ত ও আবর্জনা মুক্ত শহর হিসেবে গড়ে তুলতে কার্বন বাংলা এমিশন অফসেট লিমিটেড এর সাথে সমঝোতা চুক্তির স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন মিলনায়তনে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ও কার্বন বাংলা এমিশন অফসেট লিমিটেড এর মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক সাক্ষর করা হয়। সমঝোতার ফলে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনকে আবর্জনামুক্ত শহর হিসেবে রূপান্তর করা হবে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে স্বাক্ষর করবেন এস এম সোহরাব হোসেন , এক্সকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও জোনাল এক্সকিউটিভ অফিসার এবং কার্বন বাংলা এমিশন অফসেট লিমিটেড এর পক্ষে স্বাক্ষর করবেন লেঃ সাইফুল আলম পাইকার (এক্স) বিএন । এ সময় কাউন্সিলর মোঃ ফারুক আহম্মেদ, হাজী মনিরসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কার্বন বাংলা এমিশন অফসেট লিমিটেড এর সিও লেঃ সাইফুল আলম পাইকার বলেন, একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পরিবেশ দূষণ রোধ করা। বিশ্বব্যাংকের সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের পরিবেশ দূষণের ফলে বার্ষিক ক্ষতি ৫২ হাজার কোটি টাকা। পরিবেশ দূষণের কারণে আমাদের দেশে মৃত্যুর হার ২৮%। পরিবেশ দূষণের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে প্লাষ্টিক ও পলিথিন। ২০০২ সালের পরিবেশ আইন এর গেজেট দ্বারা নিষিদ্ধ হলেও আজ পর্যন্ত এর সঠিক প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়নি।
পরিবেশ দূষণরোধ ও আধুনিক পরিবেশ বান্ধব মডেল ব্যবহার করে কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে বায়ো ইকোনমি ইনফ্রাস্ট্রাক্চার গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় গাজীপুর সিটিকে পরিবেশ বান্ধব শিল্প নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট সুদূরপ্রসারী কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পলিথিন নিষিদ্ধ এবং পলিথিনের বিকল্প হিসেবে সহজেই পচনশীল বায়ো ব্যাগ ব্যবহারের উদ্যোগে বায়ো ব্যাগ উৎপাদন কারখানা স্থাপনে কাবর্ন বাংলা ইমিশিন অফসেট লিমিটেড ও নরওয়ের বায়োব্যাগ ইন্টারন্যাশনা কোম্পানি বাংলাদেশে পচনশীল পলিথিন কারখানা স্থাপনে প্রযুক্তি হস্তান্তর করে সহযোগিতা করবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা জানি পলিথিন ও প্লাাস্টিক বর্জ্য আমাদের পরিবেশ ও নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এবং আমাদের জনজীবনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। ভবিষ্যতের বসবাস উপযোগী নগর হিসেবে গড়ে তুলতে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গুরুত্ব¡ উপলব্ধি করে এবং পরিবেশ সচেতনায় ও বায়ো ইকোনমি প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে কাজ করে যাওয়া কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট বায়ো সারকুলার অপ্রোচ পদ্ধিতি চালুর মাধ্যমে গাজীপুর সিটিকে আবর্জনামুক্ত শহর ও পরিবেশ বান্ধব নগর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। যার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে থাকবে জনগণকে পলিথিনের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে পলিথিন নিষিদ্ধ আইন গাজীপুর সিটিতে কার্যকর করা ও পলিথিন ম্যাপিং এর মাধ্যমে ক্ষতিকর পলিথিন এর পরিমান নির্ণয় করা। জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে পচনশীল বায়ো পলিথিন ব্যবহার জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা এবং পাচনশীল বায়ো পলিথিন উৎপাদনে শিল্পকারখানা স্থাপনে সরকারী ও বেসরকারী ভাবে চালু করতে কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট লিমিটেড সার্বিক সহযোগিতা করে যাবে।
সাইফুল আলম পলিথিনের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে পলিথিন ব্যবহারে স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও স্বাস্থ্যের হুমকি মোকাবেলায় অতিদ্রত সমাধান হিসেবে বায়ো ইনফাস্ট্রাকচার স্থাপনের মডেল তুলে ধরেন। বায়ো ইনফাস্ট্রাকচার মডেল স্থাপনের মাধ্যমে পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি উৎপাদন, শিল্পকারখানায় বায়ো জ্বালানির ব্যবহার এবং জৈব বর্জ্য কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা প্রদান করা। পরিবেশ দূষণের ফলে আমাদের খাদ্য চক্র দূষিত হয়ে পরছে। স্বাস্থ্য সেবার খরচ দিন দিন বেড়েই চলছে। সারা দেশের প্রতিদিন মানুষ স্বাস্থ্য সেবার পিছনে ছুটছে। তাই সার্বিক অর্থনৈতিক ক্ষতি ও পরিবেশের ক্ষতি এবং আমাদের স্বাস্থ্য ক্ষতি বিবেচনায় নিয়ে অতিদ্রত বাংলাদেশের মধ্যে গাজীপুর সিটিকে বায়ো ইকোনমির মডেল হিসেবে তুলে ধরা যা আমাদের বৈষিক পরিচিতি ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রনে ভূমিকা রাখবে। গাজীপুর সিটির ওয়স্টে ওয়াটার ব্যবহার করে ড্রেনের পানিতে অ্যালগলি চাষের মাধ্যমে পানিদূষণ রোধ করবে। বায়ো গ্যাস ভিত্তিক জ্বালানি ব্যবহারেরর মাধ্যমে শিল্পকারখানাগুলিকে পরিবেশ বান্ধব করা এবং বায়োপ্লান্ট থেকে প্রাপ্ত আবর্জনা জৈব সার হিসেবে কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহার আমাদের উৎপাদন ব্যবস্থায় রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে মাটি দূষণ রোধ করে পরিবেশ বান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা। গাজীপুর সিটিতে পরিবেশ বান্ধব এবং বায়োইকোনমির সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট লিমিটেড সার্বিক সহযোগিতা ও কারিগরি সহযোগিতা প্রধান করবে। বায়ো ইকোনমি ইনফ্রাস্ট্রাকচার বায়ো সার্কুলার অ্যাপ্রোচ আমাদের আগামী দিনের তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন কর্মসংস্থান , টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন।