সম্পত্তিগত জের ধরে কলেজ পড়–য়া মেয়েদের উপর নির্যাতন

ঘটনার বিবরণ : অজিউল্যা কালু (৪৫), পিতা-মৃত কুদ্রত আলী পৈত্রিক ও খরিদা সূত্রে চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানাধীন সাবেক ২৮৭নং চরবড়ালী মৌজার ২০১নং খতিয়ানে হাল জরিপী ৪৪১নং খতিয়ানে ৩৪৫৫ দাগে ০৭ শতক ভূমির অন্দরে মালিক দখলকার থাকেন। ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী মকবুল হোসেন, পিতা-মৃত আবিদ আলী, সাং-দক্ষিন চরবড়ালী, থানা-ফরিদগঞ্জ, জেলা-চাঁদপুর গত ২০১৯ইং সালে চাঁদপুর জেলা জজ আদালতে অজিউল্যা কালুর বিরুদ্ধে মামলা করেন। যাহার মামলা নং-৫৮৬/২০১৯ইং। উক্ত মামলাটি বিজ্ঞ আদালত খারিজ করেন। চতুর মুকবুল হোসেন ইহাতে ক্ষান্ত না হইয়া ৫৯১/২০১৯ইং নং মোকদ্দমা পূনরায় করেন। উক্ত মামলাটি চলমান আছে। এখানেও ক্ষান্ত না হইয়া অজিউল্যা কালুর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করেন। যাহার মামলা নং-৩৭৪/২০১৯ইং। উক্ত সকল মামলায় অজিউল্যা কালুর সকল পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ইহাতে অজিউল্যা কালুর কলেজ পড়–য়া মেয়ে পিংকি বেগমও রেহাই পাননি। মামলা করে ক্ষান্ত হন নাই মুকবুল হোসেন। সময়ে অসময়ে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসীদেরকে নিয়ে অজি উল্যা কালুর দখলকৃত জায়গা বেদখল করার জন্য চেষ্টা করে। গত ০৬/১০/২০১৯ইং তারিখে পূনরায় অজিউল্যা কালুর পরিবারবর্গের উপর হামলা চালাইতে গেলে এলাকার লোকজনের বাধার সম্মুখীনে ফিরে আসে। আসার সময় হুমকি দিয়ে বলে আসে যে, অজিউল্যা কালুর মেয়ে পিংকি বেগমকে যেকোন ভাবে হোক এক্সিডেন্ট করে, এসিড মেরে হত্যা করবে। এই ব্যাপারে অজিউল্যা কালুর স্ত্রীর নূরজাহান বেগম পুলিশ সুপার, চাঁদপুর বরাবরে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করার জন্য যান। পুলিশ সুপার মহোদয় নূরজাহান বেগমকে ফরিদগঞ্জ থানার ও/সি বরাবরে অভিযোগ করার জন্য বলেন। এদিকে অজিউল্যা কালুর অসহায় পরিবারের সদস্যগণ সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য সমাজের সকলের জন্য ও আইন সংস্থার প্রতি নিবেদন জানান।


























