ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইসরাইল-লেবাননের চুক্তির বিরুদ্ধে বৈরুতের রাস্তায় হিজবুল্লাহ সমর্থকদের বিক্ষোভ Logo বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি অন্তত ৩২, আহত ৭ শতাধিক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠকে নদী ব্যবস্থাপনায় ঐকমত্য Logo পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় অংশীদার হতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা Logo তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে

আবরার হত্যার ঘটনায় অমিতকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করল ছাত্রলীগ

প্রতিনিধির নাম :

নির্মমভাবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যার ঘটনায় আসামি অমিত শাহকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। অমিত ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার আইনবিষয়ক উপসম্পাদক ছিলেন।

আজ সোমবার ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে লেখা হয়েছে, অমিত সাহা ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানান জনকে নির্যাতনের জন্য উস্কানি দিয়েছেন। বিষয়টি অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ছাত্রলীগ।

আবরারকে যে কক্ষে খুন করা হয়, সেই কক্ষের বাসিন্দা অমিত। তিনি পুরকৌশল বিভাগের ছাত্র।

রাজধানীর সবুজবাগের কালিবাড়ি থেকে ১০ অক্টোবর সকাল ১১টায় গ্রেপ্তার করা হয় অমিতকে।

শিবির সন্দেহে ৬ অক্টোবর রাতে আবরারকে হলের কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার কয়েকজন সদস্য। তাঁকে নির্যাতনের পর রাত আড়াইটার দিকে হলের সিঁড়ির পাশে আবরারকে ফেলে রাখে তারা। পরে ডাক্তারকে খবর দিলে তিনি এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে ৩ অক্টোবর একটি ফেসবুক পোস্টের কারণে আবরারকে ২০১১ নম্বর রুমে ডেকে সতর্ক করেছিলেন অমিত। হত্যাকাণ্ডের দিন রাসেল ও ফুয়াদ আবরারকে মারধর করার কথা বলেন। এটাকে তাঁদের ভাষায় ‘ট্রিটমেন্ট দিতে’ বলা হয়।

আবরারের মৃত্যুর পর দায়ের করা মামলায় ২০১১ নম্বর কক্ষের বাসিন্দা অমিতের নাম না থাকা নিয়ে চলছিল দেশজুড়ে বিতর্ক। সবশেষ এতে নতুন করে মাত্রা যোগ করে অমিতের একটি মেসেজ ফাঁস। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ওঠে। এতে দেখা যায়, হত্যাকাণ্ডের আগে আবরারের সহপাঠী এক শিক্ষার্থীকে অমিত মেসেঞ্জারে জিজ্ঞেস করেছেন, আবরার ফাহাদ কি হলে আছে? এ ধরনের একটি স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ১৭তম ব্যাচের ওই শিক্ষার্থী নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে না চাওয়ায় তারই এক সিনিয়র এ বিষয়টি ফেসবুকে প্রকাশ করেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯
৭ বার পঠিত হয়েছে

আবরার হত্যার ঘটনায় অমিতকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করল ছাত্রলীগ

আপডেট এর সময় : ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯

নির্মমভাবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যার ঘটনায় আসামি অমিত শাহকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। অমিত ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার আইনবিষয়ক উপসম্পাদক ছিলেন।

আজ সোমবার ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে লেখা হয়েছে, অমিত সাহা ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানান জনকে নির্যাতনের জন্য উস্কানি দিয়েছেন। বিষয়টি অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ছাত্রলীগ।

আবরারকে যে কক্ষে খুন করা হয়, সেই কক্ষের বাসিন্দা অমিত। তিনি পুরকৌশল বিভাগের ছাত্র।

রাজধানীর সবুজবাগের কালিবাড়ি থেকে ১০ অক্টোবর সকাল ১১টায় গ্রেপ্তার করা হয় অমিতকে।

শিবির সন্দেহে ৬ অক্টোবর রাতে আবরারকে হলের কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার কয়েকজন সদস্য। তাঁকে নির্যাতনের পর রাত আড়াইটার দিকে হলের সিঁড়ির পাশে আবরারকে ফেলে রাখে তারা। পরে ডাক্তারকে খবর দিলে তিনি এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে ৩ অক্টোবর একটি ফেসবুক পোস্টের কারণে আবরারকে ২০১১ নম্বর রুমে ডেকে সতর্ক করেছিলেন অমিত। হত্যাকাণ্ডের দিন রাসেল ও ফুয়াদ আবরারকে মারধর করার কথা বলেন। এটাকে তাঁদের ভাষায় ‘ট্রিটমেন্ট দিতে’ বলা হয়।

আবরারের মৃত্যুর পর দায়ের করা মামলায় ২০১১ নম্বর কক্ষের বাসিন্দা অমিতের নাম না থাকা নিয়ে চলছিল দেশজুড়ে বিতর্ক। সবশেষ এতে নতুন করে মাত্রা যোগ করে অমিতের একটি মেসেজ ফাঁস। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ওঠে। এতে দেখা যায়, হত্যাকাণ্ডের আগে আবরারের সহপাঠী এক শিক্ষার্থীকে অমিত মেসেঞ্জারে জিজ্ঞেস করেছেন, আবরার ফাহাদ কি হলে আছে? এ ধরনের একটি স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ১৭তম ব্যাচের ওই শিক্ষার্থী নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে না চাওয়ায় তারই এক সিনিয়র এ বিষয়টি ফেসবুকে প্রকাশ করেন।