ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইসরাইল-লেবাননের চুক্তির বিরুদ্ধে বৈরুতের রাস্তায় হিজবুল্লাহ সমর্থকদের বিক্ষোভ Logo বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি অন্তত ৩২, আহত ৭ শতাধিক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠকে নদী ব্যবস্থাপনায় ঐকমত্য Logo পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় অংশীদার হতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা Logo তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে

চাঁদপুর পুরানবাজার হরিসভা এলাকার শহর রক্ষা বাঁধ ৫০ মিটার এলাকা নদী গর্ভে পৌর মেয়রের পরিদর্শন

প্রতিনিধির নাম :

মো: বিপ্লব সরকার : পুরাণবাজার হরিসভা এলাকার শহর রক্ষাবাধে আবারো মেঘনার ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যার পূর্ব থেকে হঠাৎ পুরানবাজার শহর রক্ষা বাধের প্রায় ৪০ মিটার এলাকায় এ ভাঙ্গন দেখা দেয়।
এ ঘটনায় তাৎক্ষনিক শ্যামল রায়, দুখু ঘোষ, ভুলু ঋিসি, সুভাষ ঋসি, নারায়ন ঘোষের বসত ঘর ও সাহাদাত পাটওয়ারীর টং দোকান সরিয়ে নেওয়া হয়। রাতেই ৪০ মিটারের পরিবর্তে ৫০ মিটার এলাকা নদী ভাঙ্গনে বসতঘর সহ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে আরও বেশ কিছু পরিবার।

গত দুই মাস পূর্বে আচমকা একই সময়ে হরিসভা মন্দিরের সামনে দিয়ে মেঘনা নদীর ভাঙ্গন শুরু হয়। ওই ভাঙ্গনে হরিসভা মন্দির ও কমপ্লেক্স, লোকনাথ মন্দির, জগন্নাথ মন্দির সহ পুরো এলাকাটি হুমকির মুখে পড়ে। তাৎক্ষনিক জেলা প্রশাসন, পানি সম্পদ মন্ত্রী সহ উর্ধ্বতন কর্তা ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এই স্থানটিকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শহর রক্ষা বাঁধ তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু বিধিবাম সোমবার সন্ধ্যার পূর্ব থেকেই হরিসভা মন্দিরের উত্তর ও পশ্চিমাংশে মেঘনা নদীর শহর রক্ষা বাঁধে বসানো সিসি ব্লকগুলো নদীতে দেবে যেতে শুরু করে। আর এতে করে শ্যামল রায়, দুখু ঘোষ, ভুলু ঋষী, সুভাষ ঋষী, নারায়ন ঘোষের বসত ঘর নদীতে তলিয়ে যায়।

তাৎক্ষনিক ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধায়নে প্রায় ৩ হাজার বালু ভর্তি জিওটেক্সটাইল ব্যাগ ফালানো শুরু করা হয়। এদিকে খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মাজেদুর রহমান খান, পুলিশ সুপার মাহাবুবুর রহমান পিপিএম (বার), জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারন সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজেস্টেট মোঃ জামাল হাসান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়, সাধারন সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, প্যানেল মেয়র ছিদ্দিকুর রহমান ঢালী, কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী মাঝি।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন আহমেদ ভাঙ্গন এলাকায় আবারও পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হানকে দ্রুত গতিতে জিওটেক্সটাইল বালি ভর্তি ব্যাগ ডাম্পিং করে ভাঙ্গন রোধের কাজ করার জন্য অনুরোধ জানান। পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী আবু রায়হান বলেন, সোমবার মাগরিবের পূর্বে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ৪০ মিটার এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দিলেও বর্তমানে ৫০ মিটার এলাকা ভাঙ্গন কবলিত হয়েছে। হরিসভা এলাকার পুরো শহর রক্ষা বাধ হুমকির মুখে। আমরা ভাঙ্গন রোধে তাৎক্ষনিক বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফালানো শুরু করেছি। আজ দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৩শত জিও টেক্সটাইল বালি ভর্তি বস্তা ভাঙন এলাকায় পালানো হয়েছে। আমাদের হাতে ৩ হাজার বস্তা বালু ভর্তি জিও ব্যাগ রয়েছে। প্রয়োজনে ভাঙ্গন রোধে আমরা আরও বালু ভর্তি জিওব্যাগ প্রস্তুত করে ভাঙ্গন রোধে কাজ করা হবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯
৯ বার পঠিত হয়েছে

চাঁদপুর পুরানবাজার হরিসভা এলাকার শহর রক্ষা বাঁধ ৫০ মিটার এলাকা নদী গর্ভে পৌর মেয়রের পরিদর্শন

আপডেট এর সময় : ০১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯

মো: বিপ্লব সরকার : পুরাণবাজার হরিসভা এলাকার শহর রক্ষাবাধে আবারো মেঘনার ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যার পূর্ব থেকে হঠাৎ পুরানবাজার শহর রক্ষা বাধের প্রায় ৪০ মিটার এলাকায় এ ভাঙ্গন দেখা দেয়।
এ ঘটনায় তাৎক্ষনিক শ্যামল রায়, দুখু ঘোষ, ভুলু ঋিসি, সুভাষ ঋসি, নারায়ন ঘোষের বসত ঘর ও সাহাদাত পাটওয়ারীর টং দোকান সরিয়ে নেওয়া হয়। রাতেই ৪০ মিটারের পরিবর্তে ৫০ মিটার এলাকা নদী ভাঙ্গনে বসতঘর সহ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে আরও বেশ কিছু পরিবার।

গত দুই মাস পূর্বে আচমকা একই সময়ে হরিসভা মন্দিরের সামনে দিয়ে মেঘনা নদীর ভাঙ্গন শুরু হয়। ওই ভাঙ্গনে হরিসভা মন্দির ও কমপ্লেক্স, লোকনাথ মন্দির, জগন্নাথ মন্দির সহ পুরো এলাকাটি হুমকির মুখে পড়ে। তাৎক্ষনিক জেলা প্রশাসন, পানি সম্পদ মন্ত্রী সহ উর্ধ্বতন কর্তা ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এই স্থানটিকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শহর রক্ষা বাঁধ তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু বিধিবাম সোমবার সন্ধ্যার পূর্ব থেকেই হরিসভা মন্দিরের উত্তর ও পশ্চিমাংশে মেঘনা নদীর শহর রক্ষা বাঁধে বসানো সিসি ব্লকগুলো নদীতে দেবে যেতে শুরু করে। আর এতে করে শ্যামল রায়, দুখু ঘোষ, ভুলু ঋষী, সুভাষ ঋষী, নারায়ন ঘোষের বসত ঘর নদীতে তলিয়ে যায়।

তাৎক্ষনিক ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধায়নে প্রায় ৩ হাজার বালু ভর্তি জিওটেক্সটাইল ব্যাগ ফালানো শুরু করা হয়। এদিকে খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মাজেদুর রহমান খান, পুলিশ সুপার মাহাবুবুর রহমান পিপিএম (বার), জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারন সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজেস্টেট মোঃ জামাল হাসান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়, সাধারন সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, প্যানেল মেয়র ছিদ্দিকুর রহমান ঢালী, কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী মাঝি।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন আহমেদ ভাঙ্গন এলাকায় আবারও পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হানকে দ্রুত গতিতে জিওটেক্সটাইল বালি ভর্তি ব্যাগ ডাম্পিং করে ভাঙ্গন রোধের কাজ করার জন্য অনুরোধ জানান। পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী আবু রায়হান বলেন, সোমবার মাগরিবের পূর্বে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ৪০ মিটার এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দিলেও বর্তমানে ৫০ মিটার এলাকা ভাঙ্গন কবলিত হয়েছে। হরিসভা এলাকার পুরো শহর রক্ষা বাধ হুমকির মুখে। আমরা ভাঙ্গন রোধে তাৎক্ষনিক বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফালানো শুরু করেছি। আজ দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৩শত জিও টেক্সটাইল বালি ভর্তি বস্তা ভাঙন এলাকায় পালানো হয়েছে। আমাদের হাতে ৩ হাজার বস্তা বালু ভর্তি জিও ব্যাগ রয়েছে। প্রয়োজনে ভাঙ্গন রোধে আমরা আরও বালু ভর্তি জিওব্যাগ প্রস্তুত করে ভাঙ্গন রোধে কাজ করা হবে।