ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

প্রথম ছবি মুক্তির দিনই জীবনে ঘটেছিল বড় অঘটন, শেয়ার করলেন রানি

প্রতিনিধির নাম :

কথায় বলে যা চকচক করে তাই যে সব সময় সোনা হবে, এমনটা নয়। ফ্ল্যাশলাইটের ঝলকানি, পাপারাৎজির ভিড়, গ্ল্যামারাস দুনিয়ার বাইরে সেলেবদের ব্যক্তিগত জীবন মোটেও সব সময় কুসুমকোমল নয়। নানা অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয় তাদেরও। ঠিক যেমনটা পড়তে হয়েছিল রানি মুখার্জিকে।

সালটা ১৯৯৬। ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ ছবির হাত ধরে রানির বলিউডে অভিষেক ঘটতে চলেছে। ছবি যে দিন মুক্তি পাবে, সেই দিনই অভিনেত্রীর জীবনে ঘটে অঘটন। ওই দিনই বাবা রাম মুখার্জির। তড়িঘড়ি বাইপাস সার্জারি করাতে হয়। একে প্রথম বলিউড ছবি মুক্তির দিন।
অন্যদিকে, বাবার অসুস্থতা, সে সময় রানির জীবনে ঝড় যে বেশ ভালভাবেই বয়ে গিয়েছিল, তা আন্দাজ করাই যায়।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এসে রানি বলেন, “বেশ কিছু দিন ধরেই বাবা ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। যে দিন আমার প্রথম ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা, সে দিনই বাবার বাইপাস সার্জারি হয়। বাবা চেয়েছিলেন আমার ছবি মুক্তির পরেই অস্ত্রোপচার করাতে। কিন্তু তার অসুস্থতা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, বাধ্য হয়েই ওই দিনই তার অস্ত্রোপচার করতে হয়।”

রানি যোগ করেন, “অপারেশন হওয়ার দু’তিন দিন পর বাবার জ্ঞান আসে। জ্ঞান ফেরার পরই তার প্রথম কথা, সিনেমা কেমন চলছে, দর্শকদের কেমন লেগেছে?”

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি না গিয়ে হুইলচেয়ারে করে মেয়ের প্রথম ছবি দেখতে চলে গিয়েছিলেন রাম মুখার্জি।

সিনেমা হলে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি রাম। শিশুর মতো কেঁদে ফেলেছিলেন। “বাবার সেই প্রতিক্রিয়ার কথা কোনও দিনও ভুলতে পারব না,” বললেন রানি।

‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ বক্স অফিসে বিপুল সাফল্য পেয়েছিল। রানির অভিনয়ও প্রশংসিত হয়েছিল বিভিন্ন মহলে। এরপর রানিকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘বাদল’, ‘মেহেন্দি’, ‘চলতে চলতে’, ‘হাম তুম’ একের পর এক হিট জমা হতে থাকে তার ঝুলিতে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯
১০ বার পঠিত হয়েছে

প্রথম ছবি মুক্তির দিনই জীবনে ঘটেছিল বড় অঘটন, শেয়ার করলেন রানি

আপডেট এর সময় : ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯

কথায় বলে যা চকচক করে তাই যে সব সময় সোনা হবে, এমনটা নয়। ফ্ল্যাশলাইটের ঝলকানি, পাপারাৎজির ভিড়, গ্ল্যামারাস দুনিয়ার বাইরে সেলেবদের ব্যক্তিগত জীবন মোটেও সব সময় কুসুমকোমল নয়। নানা অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয় তাদেরও। ঠিক যেমনটা পড়তে হয়েছিল রানি মুখার্জিকে।

সালটা ১৯৯৬। ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ ছবির হাত ধরে রানির বলিউডে অভিষেক ঘটতে চলেছে। ছবি যে দিন মুক্তি পাবে, সেই দিনই অভিনেত্রীর জীবনে ঘটে অঘটন। ওই দিনই বাবা রাম মুখার্জির। তড়িঘড়ি বাইপাস সার্জারি করাতে হয়। একে প্রথম বলিউড ছবি মুক্তির দিন।
অন্যদিকে, বাবার অসুস্থতা, সে সময় রানির জীবনে ঝড় যে বেশ ভালভাবেই বয়ে গিয়েছিল, তা আন্দাজ করাই যায়।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এসে রানি বলেন, “বেশ কিছু দিন ধরেই বাবা ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। যে দিন আমার প্রথম ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা, সে দিনই বাবার বাইপাস সার্জারি হয়। বাবা চেয়েছিলেন আমার ছবি মুক্তির পরেই অস্ত্রোপচার করাতে। কিন্তু তার অসুস্থতা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, বাধ্য হয়েই ওই দিনই তার অস্ত্রোপচার করতে হয়।”

রানি যোগ করেন, “অপারেশন হওয়ার দু’তিন দিন পর বাবার জ্ঞান আসে। জ্ঞান ফেরার পরই তার প্রথম কথা, সিনেমা কেমন চলছে, দর্শকদের কেমন লেগেছে?”

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি না গিয়ে হুইলচেয়ারে করে মেয়ের প্রথম ছবি দেখতে চলে গিয়েছিলেন রাম মুখার্জি।

সিনেমা হলে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি রাম। শিশুর মতো কেঁদে ফেলেছিলেন। “বাবার সেই প্রতিক্রিয়ার কথা কোনও দিনও ভুলতে পারব না,” বললেন রানি।

‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ বক্স অফিসে বিপুল সাফল্য পেয়েছিল। রানির অভিনয়ও প্রশংসিত হয়েছিল বিভিন্ন মহলে। এরপর রানিকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘বাদল’, ‘মেহেন্দি’, ‘চলতে চলতে’, ‘হাম তুম’ একের পর এক হিট জমা হতে থাকে তার ঝুলিতে।