ঢাকা , সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo হরমুজ প্রণালী আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের Logo ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ছাড়লেন ভ্যান্স Logo স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন Logo প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫-১৭টি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে : পররাষ্ট্র সচিব Logo সাবেক আইজিপি বেনজিরকে ফেরাতে নথিপত্র পাঠানো হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo জাতীয় বাজেটে পানিনিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, বড় বিনিয়োগ Logo গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার কেবলই সহায়ক: তথ্যমন্ত্রী Logo শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন শামা ওবায়েদ

নিশিরাতের ভোট নিয়ে মেনন মহাসত্য বলেছেন: রিজভী

প্রতিনিধির নাম :

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বরের মিডনাইট ভোট নিয়ে মহাসত্যটা প্রকাশ করে দিয়েছেন ক্ষমতাসীন জোটের নেতা রাশেদ খান মেনন।

আজ রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মেননের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি একথা বলেন।
রিজভী বলেন, কথায় বলে, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। সত্যকে কখনও ধামাচাপা দেয়া যায় না। সত্য কোন না কোনভাবে প্রকাশিত হয়-ই। নিশিরাতের সরকারের সঙ্গী রাশেদ খান মেনন যেকোনো কারণেই হোক, এবার নিজের মুখে মহাসত্যটি স্বীকার করেছেন। মেনেন বলেছেন, ‘২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর কোনো নির্বাচন হয়নি। তিনি বলেছেন-আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, ওই নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। এমনকি পরবর্তীতে উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও ভোট দিতে পারেনি দেশের মানুষ। উন্নতির প্রচারণার আড়ালে মানুষের সব অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে এবং ব্যাপক দুর্নীতি হচ্ছে। ক্যাসিনো অভিযানের নামে ছিঁচকে কিছু দুর্নীতিবাজ ধরা হলেও মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে।’ এদেরকে কবে ধরা হবে সে প্রশ্নও তুলেছেন জনাব মেনন।

রিজভী বলেন, অবশেষে সত্য কথাটা অকপটে জনগণের সামনে স্বীকার করতে হলো মেনন সাহেবকে। বিবেকের তাড়নায় মেনন সাহেব যে সত্যকথাগুলি বলতে শুরু করেছেন, হয়তো কয়েকদিন পর ওবায়দুল কাদের এবং হাসান মাহমুদরাও বলবেন। আর এই কথাগুলি যতোই তাদের নিকট থেকে বেরিয়ে আসবে ততোই বন্ধক রাখা আত্মা মুক্ত হবে।

রিজভী বলেন, জনমনে প্রশ্ন, এইসব সম্রাটদের কারা তৈরী করেছিল ? এইসব সম্রাট তো একদিনে তৈরী হয়নি। যে সব রাজা-বাদশাহ-সম্রাজ্ঞীরা এসব ক্যাসিনো সম্রাটদের তৈরী করেছিল তারা এখন নিজেদের গা বাঁচানোর চেষ্টা করলেও জনগণ জানে, সরকারের উচ্চমহলের আনুকূল্য না পেলে রাষ্ট্রের এতো লক্ষ কোটি টাকা লোপাট সম্ভব নয়। ব্যাংকগুলোকে খালি করে দেয়া সম্ভব নয়। লক্ষ কোটি টাকা ঋণখেলাপি হওয়া সম্ভব নয়। উচ্চ পর্যায়ের আনুকূল্য না থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আটশো দশ কোটি টাকা লোপাট হওয়ার পরও জনগণকে ২৪ দিন পর্যন্ত জানতে না দেয়ার ধৃষ্টতা সম্ভব ছিল না

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯
৬ বার পঠিত হয়েছে

নিশিরাতের ভোট নিয়ে মেনন মহাসত্য বলেছেন: রিজভী

আপডেট এর সময় : ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বরের মিডনাইট ভোট নিয়ে মহাসত্যটা প্রকাশ করে দিয়েছেন ক্ষমতাসীন জোটের নেতা রাশেদ খান মেনন।

আজ রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মেননের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি একথা বলেন।
রিজভী বলেন, কথায় বলে, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। সত্যকে কখনও ধামাচাপা দেয়া যায় না। সত্য কোন না কোনভাবে প্রকাশিত হয়-ই। নিশিরাতের সরকারের সঙ্গী রাশেদ খান মেনন যেকোনো কারণেই হোক, এবার নিজের মুখে মহাসত্যটি স্বীকার করেছেন। মেনেন বলেছেন, ‘২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর কোনো নির্বাচন হয়নি। তিনি বলেছেন-আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, ওই নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। এমনকি পরবর্তীতে উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও ভোট দিতে পারেনি দেশের মানুষ। উন্নতির প্রচারণার আড়ালে মানুষের সব অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে এবং ব্যাপক দুর্নীতি হচ্ছে। ক্যাসিনো অভিযানের নামে ছিঁচকে কিছু দুর্নীতিবাজ ধরা হলেও মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে।’ এদেরকে কবে ধরা হবে সে প্রশ্নও তুলেছেন জনাব মেনন।

রিজভী বলেন, অবশেষে সত্য কথাটা অকপটে জনগণের সামনে স্বীকার করতে হলো মেনন সাহেবকে। বিবেকের তাড়নায় মেনন সাহেব যে সত্যকথাগুলি বলতে শুরু করেছেন, হয়তো কয়েকদিন পর ওবায়দুল কাদের এবং হাসান মাহমুদরাও বলবেন। আর এই কথাগুলি যতোই তাদের নিকট থেকে বেরিয়ে আসবে ততোই বন্ধক রাখা আত্মা মুক্ত হবে।

রিজভী বলেন, জনমনে প্রশ্ন, এইসব সম্রাটদের কারা তৈরী করেছিল ? এইসব সম্রাট তো একদিনে তৈরী হয়নি। যে সব রাজা-বাদশাহ-সম্রাজ্ঞীরা এসব ক্যাসিনো সম্রাটদের তৈরী করেছিল তারা এখন নিজেদের গা বাঁচানোর চেষ্টা করলেও জনগণ জানে, সরকারের উচ্চমহলের আনুকূল্য না পেলে রাষ্ট্রের এতো লক্ষ কোটি টাকা লোপাট সম্ভব নয়। ব্যাংকগুলোকে খালি করে দেয়া সম্ভব নয়। লক্ষ কোটি টাকা ঋণখেলাপি হওয়া সম্ভব নয়। উচ্চ পর্যায়ের আনুকূল্য না থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আটশো দশ কোটি টাকা লোপাট হওয়ার পরও জনগণকে ২৪ দিন পর্যন্ত জানতে না দেয়ার ধৃষ্টতা সম্ভব ছিল না