ঢাকা , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি Logo মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন Logo কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী Logo কুবি-র সহযোগী অধ্যাপকের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ারের লাশ উদ্ধার Logo উত্তর কোরিয়ার জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান Logo পুরোনো কোনো গন্ধেই ফিরে আসে শৈশবের স্মৃতি ! Logo ১১ নম্বর ভরপাশা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়ায় জুবেল জমাদ্দারকে শুভেচ্ছা Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি Logo তথ্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

এইদিনে শক্র মুক্ত হয় রূপগঞ্জ !

প্রতিনিধির নাম :
  • শম্পা আক্তার মিম ঃ আজ ১৩ ডিসেম্বর, রূপগঞ্জ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী রূপগঞ্জ শক্র মুক্ত হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় জনতার প্রতিরোধের মুখে হায়েনার দল রূপগঞ্জ ছেড়ে কুমিল্লা জেলা অভিমুখে পালিয়ে যায়। একটি সুত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধে রূপগঞ্জে ১১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন। যাদের নামের তালিকাসহ রূপগঞ্জ উপজেলা চত্বরে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। তাছাড়া ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধারা রূপগঞ্জকে শক্র মুক্ত ঘোষণা করেছিলো। প্রতি বছর রূপগঞ্জ মুক্ত দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।
    এব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বলেন, পাকহানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে দীর্ঘদিন ধরে আজকের এই দিনটিতে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, দোয়া মাহফিল, মিষ্টি বিতরণসহ আনন্দ উল্লাসের মধ্যে দিবসটি পালন হয়ে আসছে। করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর স্বল্পপরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিবসটি পালিত হবে।
  • প্রসঙ্গত রূপগঞ্জকে হানাদার মুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বর্তমান নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী সহ মুক্তিযোদ্ধারা। তিনি রূপগঞ্জ উপজেলার ইছাপুরা এলাকায় এবং ঢাকার ত্রিমোহনীতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন । পাকিস্তানি সেনারা ত্রিমোহনীত আক্রমন করলে গোলাম দস্তগীর গাজী গুলি চালাতে চালাতে সামনে এগিয়ে যান। পাকিস্তানি বাহিনী পিছু হটে। সেদিনের আক্রমনে ১২/১৩ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি ২ নং সেক্টরের অধীনে রণাঙ্গণে যুদ্ধ করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে ঢাকার শহরে প্রধান গেরিলা বাহিনী ক্র্যাক প্লাটুনের অন্যতম কমান্ডার ছিলেন তিনি । তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন (২০২০)।
Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০
১৪ বার পঠিত হয়েছে

এইদিনে শক্র মুক্ত হয় রূপগঞ্জ !

আপডেট এর সময় : ০১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০
  • শম্পা আক্তার মিম ঃ আজ ১৩ ডিসেম্বর, রূপগঞ্জ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী রূপগঞ্জ শক্র মুক্ত হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় জনতার প্রতিরোধের মুখে হায়েনার দল রূপগঞ্জ ছেড়ে কুমিল্লা জেলা অভিমুখে পালিয়ে যায়। একটি সুত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধে রূপগঞ্জে ১১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন। যাদের নামের তালিকাসহ রূপগঞ্জ উপজেলা চত্বরে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। তাছাড়া ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধারা রূপগঞ্জকে শক্র মুক্ত ঘোষণা করেছিলো। প্রতি বছর রূপগঞ্জ মুক্ত দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।
    এব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বলেন, পাকহানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে দীর্ঘদিন ধরে আজকের এই দিনটিতে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, দোয়া মাহফিল, মিষ্টি বিতরণসহ আনন্দ উল্লাসের মধ্যে দিবসটি পালন হয়ে আসছে। করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর স্বল্পপরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিবসটি পালিত হবে।
  • প্রসঙ্গত রূপগঞ্জকে হানাদার মুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বর্তমান নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী সহ মুক্তিযোদ্ধারা। তিনি রূপগঞ্জ উপজেলার ইছাপুরা এলাকায় এবং ঢাকার ত্রিমোহনীতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন । পাকিস্তানি সেনারা ত্রিমোহনীত আক্রমন করলে গোলাম দস্তগীর গাজী গুলি চালাতে চালাতে সামনে এগিয়ে যান। পাকিস্তানি বাহিনী পিছু হটে। সেদিনের আক্রমনে ১২/১৩ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি ২ নং সেক্টরের অধীনে রণাঙ্গণে যুদ্ধ করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে ঢাকার শহরে প্রধান গেরিলা বাহিনী ক্র্যাক প্লাটুনের অন্যতম কমান্ডার ছিলেন তিনি । তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন (২০২০)।