ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: তিতুমীর Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo স্বাস্থসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করবে সরকার Logo পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর Logo সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় আইসিটি বিশেষজ্ঞদের ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা’ তৈরির আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর Logo ১৩ সংখ্যা নিয়ে নানা অন্ধবিশ্বাস Logo চার দশকে সূর্যের অভ্যন্তরে বড় পরিবর্তন, উদ্বেগ বিজ্ঞানীদের Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত Logo হজযাত্রীদের লাগেজ চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন: মিল্লাত Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফানের সাক্ষাৎ

কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা সোমবার

প্রতিনিধির নাম :

স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কাতালোনিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে যাচ্ছে আগামী ৯ অক্টোবর। আঞ্চলিক সরকারের এক সূত্রের বরাত দিয়ে গতকাল বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। খবরে বলা হয়, কাতালোনিয়ার ক্ষমতাসীন দল স্বাধীনতার প্রশ্নে সোমবার পার্লামেন্টে বিতর্কের আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত বিলে ভোট দেওয়ার জন্য পার্লামেন্টের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তবে পার্লামেন্টের এই অধিবেশন কখন বসবে তা জানানো হয়নি। প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুজদেমন এর আগে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তার সরকার আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই স্বাধীনতা ঘোষণা করে স্পেন থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার জন্য আঞ্চলিক পার্লামেন্টকে আহ্বান জানাবে। স্বাধীনতার প্রক্রিয়া শুরু করলে স্পেনের সরকার এতে হস্তক্ষেপ করলে এবং কাতালোনিয়া সরকারের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করলে তখন কী করবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে পুজদেমন বলেছেন, এটি ভুল হবে এবং তা সবকিছু পরিবর্তন করে দিবে। গত রবিবার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। স্পেন সরকার অবশ্য একে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছিল এবং ভোট ঠেকাতে কাতালোনিয়ায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। পুলিশের হামলায় ওই দিন আট শতাধিক লোক আহত হয়। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার কাতালোনিয়াতে ধর্মঘট পালন করা হয়। স্পেনের কাতালোনিয়ায় স্বাধীনতার দাবিতে অনুষ্ঠিত গণভোটে কাতালোনিয়ানরা জয়ী হয়েছে। ওই গণভোটে কাতালোনিয়ার নাগরিকরা স্বাধীন রাষ্ট্রের অধিকার অর্জন করেছে বলে দাবি করেছেন কার্লেস পুজদেমন। কাতালোনিয়া স্পেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঙ্গরাজ্য। পাঁচ বছর ধরে স্বাধীনতার দাবি জানিয়ে আসছিল তারা। এ দাবিতে গতকাল রবিবার গণভোটের আয়োজন করে কাতালোনিয়া আঞ্চলিক সরকার। তবে স্পেন সরকার এই ভোট বন্ধের অঙ্গীকার করে। দেশটির সর্বোচ্চ আদালতও এই ভোটকে অবৈধ ঘোষণা করে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭
১৭ বার পঠিত হয়েছে

কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা সোমবার

আপডেট এর সময় : ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭

স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কাতালোনিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে যাচ্ছে আগামী ৯ অক্টোবর। আঞ্চলিক সরকারের এক সূত্রের বরাত দিয়ে গতকাল বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। খবরে বলা হয়, কাতালোনিয়ার ক্ষমতাসীন দল স্বাধীনতার প্রশ্নে সোমবার পার্লামেন্টে বিতর্কের আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত বিলে ভোট দেওয়ার জন্য পার্লামেন্টের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তবে পার্লামেন্টের এই অধিবেশন কখন বসবে তা জানানো হয়নি। প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুজদেমন এর আগে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তার সরকার আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই স্বাধীনতা ঘোষণা করে স্পেন থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার জন্য আঞ্চলিক পার্লামেন্টকে আহ্বান জানাবে। স্বাধীনতার প্রক্রিয়া শুরু করলে স্পেনের সরকার এতে হস্তক্ষেপ করলে এবং কাতালোনিয়া সরকারের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করলে তখন কী করবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে পুজদেমন বলেছেন, এটি ভুল হবে এবং তা সবকিছু পরিবর্তন করে দিবে। গত রবিবার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। স্পেন সরকার অবশ্য একে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছিল এবং ভোট ঠেকাতে কাতালোনিয়ায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। পুলিশের হামলায় ওই দিন আট শতাধিক লোক আহত হয়। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার কাতালোনিয়াতে ধর্মঘট পালন করা হয়। স্পেনের কাতালোনিয়ায় স্বাধীনতার দাবিতে অনুষ্ঠিত গণভোটে কাতালোনিয়ানরা জয়ী হয়েছে। ওই গণভোটে কাতালোনিয়ার নাগরিকরা স্বাধীন রাষ্ট্রের অধিকার অর্জন করেছে বলে দাবি করেছেন কার্লেস পুজদেমন। কাতালোনিয়া স্পেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঙ্গরাজ্য। পাঁচ বছর ধরে স্বাধীনতার দাবি জানিয়ে আসছিল তারা। এ দাবিতে গতকাল রবিবার গণভোটের আয়োজন করে কাতালোনিয়া আঞ্চলিক সরকার। তবে স্পেন সরকার এই ভোট বন্ধের অঙ্গীকার করে। দেশটির সর্বোচ্চ আদালতও এই ভোটকে অবৈধ ঘোষণা করে।