ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৫৬৬ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ১ Logo অস্তিত্বের প্রশ্নে ২৭ অক্টোবর প্রথমবার ভোট দেবেন ইসরাইলের আরব নাগরিক কাবাত Logo সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয়দের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo নানা সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাড়ছে চিকিৎসাসেবার মান Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo নিউজিল্যান্ড সফরে ভারতের টেস্ট দলে বুমরাহ-পান্ত, ওয়ানডেতে নেতৃত্বে গিল-আইয়ার Logo ৩ শিশু ও শিক্ষক নিহত; হামলাকারী সাবেক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী Logo মুলাদী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা সোহানুর রহমানের Logo ইয়ুথ লিগ ও ‘এসপোয়ার’-এ বদলে যাচ্ছে পিএসজির তারকা তৈরির কাঠামো Logo বিজিবির অভিযানে উদ্ধার কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি হস্তান্তর করা হলো জাদুঘরে

অস্তিত্বের প্রশ্নে ২৭ অক্টোবর প্রথমবার ভোট দেবেন ইসরাইলের আরব নাগরিক কাবাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জীবনে কখনো ইসরাইলের সংসদ নির্বাচনে ভোট না দেওয়া ৫৫ বছর বয়সী সাঈদ কাবাত আগামী ২৭ অক্টোবর প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাচ্ছেন। তার কাছে এবারের নির্বাচন অস্তিত্বের প্রশ্ন। তিনি আশঙ্কা করছেন, ডানপন্থী সরকার আবার ক্ষমতায় এলে ইসরাইলের আরব সংখ্যালঘুদের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে। তিনি নিজেও এই সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর একজন।

ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় জেলার গ্যালিলি অঞ্চলে অবস্থিত আরব শহর মাজদ আল-ক্রুম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের আরব অধ্যুষিত গ্রাম মাজদ আল-ক্রুমের এই ফার্মাসিস্ট এএফপিকে বলেন, তিনি এত দিন নিয়মিত নির্বাচন বর্জন করে এসেছেন।

তবে তিনি বলেন,  ‘এবার আমি বাইরে যাব এবং ভোট দেব।’

আরব জনগোষ্ঠীর ভোটদানের হার কম হলে ক্ষমতাসীন জোটের কট্টর ডানপন্থী অংশ আরও উৎসাহিত হবে—এমন আশঙ্কা থেকেই তিনি এবার ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ইসরাইলের আরব নাগরিকেরা ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরাইলি নাগরিক হিসেবেও পরিচিত। দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ২১ শতাংশ তারা।

১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর দেশটির সীমানার মধ্যে থেকে যাওয়া ফিলিস্তিনিদের বংশধর তারা। দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলের ইহুদি সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর তুলনায় বৈষম্যের শিকার হওয়ার অভিযোগ করে আসছেন।

হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসরাইলের আরব জনগোষ্ঠীকে ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জোরালো হচ্ছে। দেশটির ইতিহাসে অন্যতম ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিদায়ী সরকারের আমলে এই জনগোষ্ঠীর পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোট্রিচের নেতৃত্বে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি নির্মাণ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এখন তাঁদের নজর ইসরাইলের অভ্যন্তরে আরব অধ্যুষিত এলাকাগুলোর দিকে।
গত সেপ্টেম্বরে মাজদ আল-ক্রুমে কাবাতের পরিবারের মালিকানাধীন জমিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে ইহুদি ইসরাইলিদের সংঘর্ষ হয়। ওই ইসরাইলিরা সেখানে একটি নতুন বসতি স্থাপন করতে আসেন। পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপনকারীরা জমির নিয়ন্ত্রণ নিতে এ ধরণের কৌশল ব্যবহার করে থাকেন।

পরে ইসরাইলি পুলিশ ওই বসতি সরিয়ে দেয়। বসতিটি স্মোট্রিচের সমর্থন পেয়েছিল। তিনি সেখানে একটি সমাবেশও করেন। এর আগে গত আগস্টে তিনি ইসরাইলের আরব অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোকে ‘ইহুদিকরণ’ করার একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।

কাবাত বলেন, ‘মাজদ আল-ক্রুম হোক বা অন্য কোনো গ্রাম—সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে আমি প্রত্যেক তরুণ এবং ভোট দেওয়ার অধিকার আছে এমন সবাইকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

‘অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই’-
ইসরাইলের সামগ্রিক ভোটদানের হারের তুলনায় দেশটির আরব সংখ্যালঘুদের ভোটদানের হার ঐতিহ্যগতভাবেই কম।

২০২২ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ নির্বাচনে আরব ও দ্রুজ ভোটারদের ভোটদানের হার ছিল প্রায় ৫৩ শতাংশ। অন্যদিকে, দেশটিতে সামগ্রিক ভোটদানের হার ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ।

মাজদ আল-ক্রুমে ৩১ বছর বয়সী দানা সালামেহর মতো কর্মীরা গ্রামে ঘুরে ঘুরে ভোট দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরছেন।

সালামেহ বলেন, ‘যারা নির্বাচন বর্জন করেন এবং যাঁরা ভোট দেওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত নন, তারাও এখন বুঝতে শুরু করেছেন যে এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে বিপদ তাদের একেবারে কাছাকাছি চলে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই রাষ্ট্রে তারা আরবদের একেবারেই চায় না—এখানে হোক, গাজায় হোক কিংবা পশ্চিম তীরে।’
আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে আরব ভোটারদের ভোট দুটি জোটের অধীনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী চারটি দলের মধ্যে ভাগ হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বামপন্থী জোট জয়েন্ট লিস্টে তিনটি দল রয়েছে। অন্যদিকে, রাআম বা ইউনাইটেড আরব লিস্ট ডানপন্থীদের সঙ্গে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে বেশি আগ্রহী।

২০২১-২০২২ সালে একটি জোট সরকারের অংশ হয়ে রাআম প্রথম আরব দল হিসেবে ইসরাইলের সরকারে যোগ দিয়েছিল। চলতি বছরও দলটি সরকার গঠনে নির্ণায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

ইসরাইলের চ্যানেল ১২-এর সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে বলা হয়েছে, পরবর্তী ইসরাইলি সংসদে এই দুটি জোট মোট ১৩টি আসন পেতে পারে। বর্তমানে তাদের আসনসংখ্যা ১০।

সালামেহর মতে, জরিপটি প্রমাণ করে যে ইসরাইলের আরব নাগরিকদের মধ্যে ক্রমেই এই বিশ্বাস জোরালো হচ্ছে যে তারা ‘অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের’ মুখোমুখি।

আরব জনগোষ্ঠীর মধ্যে অপরাধের মাত্রা বেড়ে যাওয়াও মানুষকে ভোটকেন্দ্রে যেতে উৎসাহিত করতে পারে।
দক্ষিণে নেগেভ মরুভূমিতে সম্প্রতি ইসরাইলি বুলডোজার বেদুইন গ্রাম আল-দাহিয়ায় প্রায় ৮০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এসব স্থাপনায় প্রায় ৪০০ মানুষ বসবাস করতেন।

চার সন্তান নিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়া আদনান আবু ওয়াদির মতে, বাড়িঘর উচ্ছেদের এই ঘটনা নির্বাচনী প্রচারের কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়।

তিনি বলেন, ‘মানুষ বিপুলসংখ্যায় ভোট দিতে আসবে। সরকার পরিবর্তন করতে এবং উগ্রপন্থীদের ক্ষমতা থেকে সরাতে আমরা আরবরা ভোট দেব।’

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে
১৬ বার পঠিত হয়েছে

অস্তিত্বের প্রশ্নে ২৭ অক্টোবর প্রথমবার ভোট দেবেন ইসরাইলের আরব নাগরিক কাবাত

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে

জীবনে কখনো ইসরাইলের সংসদ নির্বাচনে ভোট না দেওয়া ৫৫ বছর বয়সী সাঈদ কাবাত আগামী ২৭ অক্টোবর প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাচ্ছেন। তার কাছে এবারের নির্বাচন অস্তিত্বের প্রশ্ন। তিনি আশঙ্কা করছেন, ডানপন্থী সরকার আবার ক্ষমতায় এলে ইসরাইলের আরব সংখ্যালঘুদের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে। তিনি নিজেও এই সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর একজন।

ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় জেলার গ্যালিলি অঞ্চলে অবস্থিত আরব শহর মাজদ আল-ক্রুম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের আরব অধ্যুষিত গ্রাম মাজদ আল-ক্রুমের এই ফার্মাসিস্ট এএফপিকে বলেন, তিনি এত দিন নিয়মিত নির্বাচন বর্জন করে এসেছেন।

তবে তিনি বলেন,  ‘এবার আমি বাইরে যাব এবং ভোট দেব।’

আরব জনগোষ্ঠীর ভোটদানের হার কম হলে ক্ষমতাসীন জোটের কট্টর ডানপন্থী অংশ আরও উৎসাহিত হবে—এমন আশঙ্কা থেকেই তিনি এবার ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ইসরাইলের আরব নাগরিকেরা ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরাইলি নাগরিক হিসেবেও পরিচিত। দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ২১ শতাংশ তারা।

১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর দেশটির সীমানার মধ্যে থেকে যাওয়া ফিলিস্তিনিদের বংশধর তারা। দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলের ইহুদি সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর তুলনায় বৈষম্যের শিকার হওয়ার অভিযোগ করে আসছেন।

হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসরাইলের আরব জনগোষ্ঠীকে ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জোরালো হচ্ছে। দেশটির ইতিহাসে অন্যতম ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিদায়ী সরকারের আমলে এই জনগোষ্ঠীর পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোট্রিচের নেতৃত্বে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি নির্মাণ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এখন তাঁদের নজর ইসরাইলের অভ্যন্তরে আরব অধ্যুষিত এলাকাগুলোর দিকে।
গত সেপ্টেম্বরে মাজদ আল-ক্রুমে কাবাতের পরিবারের মালিকানাধীন জমিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে ইহুদি ইসরাইলিদের সংঘর্ষ হয়। ওই ইসরাইলিরা সেখানে একটি নতুন বসতি স্থাপন করতে আসেন। পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপনকারীরা জমির নিয়ন্ত্রণ নিতে এ ধরণের কৌশল ব্যবহার করে থাকেন।

পরে ইসরাইলি পুলিশ ওই বসতি সরিয়ে দেয়। বসতিটি স্মোট্রিচের সমর্থন পেয়েছিল। তিনি সেখানে একটি সমাবেশও করেন। এর আগে গত আগস্টে তিনি ইসরাইলের আরব অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোকে ‘ইহুদিকরণ’ করার একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।

কাবাত বলেন, ‘মাজদ আল-ক্রুম হোক বা অন্য কোনো গ্রাম—সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে আমি প্রত্যেক তরুণ এবং ভোট দেওয়ার অধিকার আছে এমন সবাইকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

‘অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই’-
ইসরাইলের সামগ্রিক ভোটদানের হারের তুলনায় দেশটির আরব সংখ্যালঘুদের ভোটদানের হার ঐতিহ্যগতভাবেই কম।

২০২২ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ নির্বাচনে আরব ও দ্রুজ ভোটারদের ভোটদানের হার ছিল প্রায় ৫৩ শতাংশ। অন্যদিকে, দেশটিতে সামগ্রিক ভোটদানের হার ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ।

মাজদ আল-ক্রুমে ৩১ বছর বয়সী দানা সালামেহর মতো কর্মীরা গ্রামে ঘুরে ঘুরে ভোট দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরছেন।

সালামেহ বলেন, ‘যারা নির্বাচন বর্জন করেন এবং যাঁরা ভোট দেওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত নন, তারাও এখন বুঝতে শুরু করেছেন যে এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে বিপদ তাদের একেবারে কাছাকাছি চলে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই রাষ্ট্রে তারা আরবদের একেবারেই চায় না—এখানে হোক, গাজায় হোক কিংবা পশ্চিম তীরে।’
আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে আরব ভোটারদের ভোট দুটি জোটের অধীনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী চারটি দলের মধ্যে ভাগ হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বামপন্থী জোট জয়েন্ট লিস্টে তিনটি দল রয়েছে। অন্যদিকে, রাআম বা ইউনাইটেড আরব লিস্ট ডানপন্থীদের সঙ্গে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে বেশি আগ্রহী।

২০২১-২০২২ সালে একটি জোট সরকারের অংশ হয়ে রাআম প্রথম আরব দল হিসেবে ইসরাইলের সরকারে যোগ দিয়েছিল। চলতি বছরও দলটি সরকার গঠনে নির্ণায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

ইসরাইলের চ্যানেল ১২-এর সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে বলা হয়েছে, পরবর্তী ইসরাইলি সংসদে এই দুটি জোট মোট ১৩টি আসন পেতে পারে। বর্তমানে তাদের আসনসংখ্যা ১০।

সালামেহর মতে, জরিপটি প্রমাণ করে যে ইসরাইলের আরব নাগরিকদের মধ্যে ক্রমেই এই বিশ্বাস জোরালো হচ্ছে যে তারা ‘অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের’ মুখোমুখি।

আরব জনগোষ্ঠীর মধ্যে অপরাধের মাত্রা বেড়ে যাওয়াও মানুষকে ভোটকেন্দ্রে যেতে উৎসাহিত করতে পারে।
দক্ষিণে নেগেভ মরুভূমিতে সম্প্রতি ইসরাইলি বুলডোজার বেদুইন গ্রাম আল-দাহিয়ায় প্রায় ৮০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এসব স্থাপনায় প্রায় ৪০০ মানুষ বসবাস করতেন।

চার সন্তান নিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়া আদনান আবু ওয়াদির মতে, বাড়িঘর উচ্ছেদের এই ঘটনা নির্বাচনী প্রচারের কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়।

তিনি বলেন, ‘মানুষ বিপুলসংখ্যায় ভোট দিতে আসবে। সরকার পরিবর্তন করতে এবং উগ্রপন্থীদের ক্ষমতা থেকে সরাতে আমরা আরবরা ভোট দেব।’