ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কাজাখস্তানকে হারিয়ে আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনালি সাফল্য Logo ইনানীতে ৩২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে গ্যাসের আগুন, গ্যাসকূপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বাপেক্স Logo রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান তারেক রহমান Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান Logo শিশু-কিশোরদের ক্ষতির অভিযোগে মেটা-স্ন্যাপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন মামলা Logo তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর Logo ইয়েমেনে জ্বালানি ও অক্সিজেন সংকটে হাসপাতাল, ঝুঁকিতে রোগীরা Logo বিগ ব্যাশে মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে খেলবেন মুস্তাফিজ Logo ফুলবাড়ী সীমান্তে ১ হাজার ৬০৩ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার Logo ডিআর কঙ্গোফেরত উগান্ডার নাগরিকদের ২১ দিনের কোয়ারেন্টিন

শিশু-কিশোরদের ক্ষতির অভিযোগে মেটা-স্ন্যাপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন মামলা

অনলাইন ডেস্ক

শিশু-কিশোরদের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কথিত ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচার শুরু হতে যাচ্ছে। বুধবার লস অ্যাঞ্জেলেসে মামলাটির জুরি সদস্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে বিবাদী হিসেবে রয়েছে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা এবং প্রথমবারের মতো স্ন্যাপ।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের কারণে শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা ক্ষতির শিকার হচ্ছে—এমন অভিযোগে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য ও ফেডারেল আদালতে হাজার হাজার মামলা হয়েছে।

এর মধ্যে প্রথম মামলার বিচার এ বছরের শুরুতে লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর এসব মামলার কার্যক্রমে বিভিন্ন অগ্রগতি ও পরিবর্তন এসেছে।

বছরের শুরুতে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষামূলক মামলায় মেটা ও ইউটিউব হেরে যায়। ওই মামলায় কেজিএম নামে পরিচিত এক তরুণ ব্যবহারকারীর ক্ষতির জন্য প্রতিষ্ঠান দুটিকে যৌথভাবে দায়ী করে জুরি বোর্ড। একই সঙ্গে মোট ৬০ লাখ ডলার জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সে সময় মেটা জানায়, তারা রায়ের সঙ্গে ‘সম্মানজনকভাবে দ্বিমত’ পোষণ করে।

ওই বিচার শুরুর আগেই স্ন্যাপ ও টিকটক কেজিএমের সঙ্গে সমঝোতা করে।

কয়েক মাস পর আগস্টে আরেকটি মামলার বিচার শুরুর কথা ছিল। তবে বিচার শুরুর আগেই স্ন্যাপ, টিকটক ও ইউটিউব মামলাটির নিষ্পত্তি করে। আরকেসি নামে পরিচিত ওই মামলার বাদী পরে মেটার বিরুদ্ধে বাকি অভিযোগগুলো প্রত্যাহার করে নেন। ফলে কোনো সমঝোতা ছাড়াই বিচার এড়াতে সক্ষম হয় ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠানটি।

আইনজীবীদের তথ্যমতে, মেটা বাদী এসজের সঙ্গে সমঝোতা করলেও কেডিবির সঙ্গে কোনো সমঝোতা হয়নি।

ক্যালিফোর্নিয়ার একটি অঙ্গরাজ্য আদালতের বিচারক মামলা দুটি একত্র করে একই বিচারের আওতায় এনেছেন। আগামী ৪ নভেম্বর মামলার প্রাথমিক বক্তব্য উপস্থাপন শুরু হওয়ার আগে নতুন কোনো সমঝোতা না হলে মেটা ও স্ন্যাপকে বিবাদী রেখেই বিচার চলবে।

নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ, ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরি এবং স্ন্যাপের প্রধান নির্বাহী ইভান স্পিগেল।

চলতি মাসের শুরুতে নিউ মেক্সিকোর একটি মামলায় আদালত মেটাকে ২৫০ কোটি ডলার দেওয়ার নির্দেশ দেন। ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারিসংশ্লিষ্ট ওই মামলায় ব্যবহারকারীদের তথ্য কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সে বিষয়ে বিভ্রান্ত করার দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

এর আগে নিউ মেক্সিকোর একটি জুরি বোর্ড শিশুদের ক্ষতির জন্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জায়ান্টটিকে দায়ী করে। ওই মামলায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মোট ৯৪ কোটি ২০ লাখ ডলারের জরিমানা আরোপ করা হয়।

এ ছাড়া গত আগস্টে ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি বিচার চলাকালে ৫২ জন অঙ্গরাজ্য অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছায় মেটা। এর আওতায় ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের বেশি জরিমানা দিতে এবং কিশোরদের জন্য ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে পরিবর্তন আনতে সম্মত হয় প্রতিষ্ঠানটি।

ওই সমঝোতার একটি শর্ত ছিল, ইউটিউব ও টিকটককেও নিজেদের প্ল্যাটফর্মে একই ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। এসব পরিবর্তনের মধ্যে দৈনিক স্ক্রিন টাইম সীমিত করার মতো পদক্ষেপ রয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, এমনকি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মামলাগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি তৈরির মতো নকশা এবং ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, আগামী মাসে লস অ্যাঞ্জেলেসের মামলায় দুই বাদী এসজে ও কেডিবির আইনজীবীরা যুক্তি দেবেন, যথাক্রমে ১৩ ও ১৫ বছর বয়সে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার শুরু করার পর তাদের মক্কেলরা ‘আসক্তিকর ও সমস্যাজনক’ অ্যাপের সংস্পর্শে আসেন।

ইলিনয়ের কিশোরী এসজে স্ন্যাপের তৈরি স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করতে গিয়ে ধীরে ধীরে বাধ্যতামূলক ও নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবহারে জড়িয়ে পড়েন বলে তার আইনজীবীদের দাবি। এর ফলে তিনি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, খাদ্যাভ্যাসজনিত ব্যাধি ও আত্মক্ষতিমূলক আচরণের শিকার হন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

মিসিসিপির ১৮ বছর বয়সী কেডিবিও মেটা ও স্ন্যাপের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে একই ধরনের আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েন। তার আইনজীবীদের মতে, এর ফলে তার মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে।

মেটা আগে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জুলাইয়ে এএফপিকে দেওয়া এক বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানটি বলেছিল, ‘ভিত্তিহীন মামলার বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে আমরা পিছপা হব না।’

অন্যদিকে, স্ন্যাপের দাবি, তাদের অ্যাপ ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো নয়। কারণ, স্ন্যাপচ্যাট মূলত বার্তা আদান-প্রদানের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে
১০ বার পঠিত হয়েছে

শিশু-কিশোরদের ক্ষতির অভিযোগে মেটা-স্ন্যাপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন মামলা

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে

শিশু-কিশোরদের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কথিত ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচার শুরু হতে যাচ্ছে। বুধবার লস অ্যাঞ্জেলেসে মামলাটির জুরি সদস্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে বিবাদী হিসেবে রয়েছে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা এবং প্রথমবারের মতো স্ন্যাপ।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের কারণে শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা ক্ষতির শিকার হচ্ছে—এমন অভিযোগে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য ও ফেডারেল আদালতে হাজার হাজার মামলা হয়েছে।

এর মধ্যে প্রথম মামলার বিচার এ বছরের শুরুতে লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর এসব মামলার কার্যক্রমে বিভিন্ন অগ্রগতি ও পরিবর্তন এসেছে।

বছরের শুরুতে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষামূলক মামলায় মেটা ও ইউটিউব হেরে যায়। ওই মামলায় কেজিএম নামে পরিচিত এক তরুণ ব্যবহারকারীর ক্ষতির জন্য প্রতিষ্ঠান দুটিকে যৌথভাবে দায়ী করে জুরি বোর্ড। একই সঙ্গে মোট ৬০ লাখ ডলার জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সে সময় মেটা জানায়, তারা রায়ের সঙ্গে ‘সম্মানজনকভাবে দ্বিমত’ পোষণ করে।

ওই বিচার শুরুর আগেই স্ন্যাপ ও টিকটক কেজিএমের সঙ্গে সমঝোতা করে।

কয়েক মাস পর আগস্টে আরেকটি মামলার বিচার শুরুর কথা ছিল। তবে বিচার শুরুর আগেই স্ন্যাপ, টিকটক ও ইউটিউব মামলাটির নিষ্পত্তি করে। আরকেসি নামে পরিচিত ওই মামলার বাদী পরে মেটার বিরুদ্ধে বাকি অভিযোগগুলো প্রত্যাহার করে নেন। ফলে কোনো সমঝোতা ছাড়াই বিচার এড়াতে সক্ষম হয় ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠানটি।

আইনজীবীদের তথ্যমতে, মেটা বাদী এসজের সঙ্গে সমঝোতা করলেও কেডিবির সঙ্গে কোনো সমঝোতা হয়নি।

ক্যালিফোর্নিয়ার একটি অঙ্গরাজ্য আদালতের বিচারক মামলা দুটি একত্র করে একই বিচারের আওতায় এনেছেন। আগামী ৪ নভেম্বর মামলার প্রাথমিক বক্তব্য উপস্থাপন শুরু হওয়ার আগে নতুন কোনো সমঝোতা না হলে মেটা ও স্ন্যাপকে বিবাদী রেখেই বিচার চলবে।

নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ, ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরি এবং স্ন্যাপের প্রধান নির্বাহী ইভান স্পিগেল।

চলতি মাসের শুরুতে নিউ মেক্সিকোর একটি মামলায় আদালত মেটাকে ২৫০ কোটি ডলার দেওয়ার নির্দেশ দেন। ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারিসংশ্লিষ্ট ওই মামলায় ব্যবহারকারীদের তথ্য কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সে বিষয়ে বিভ্রান্ত করার দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

এর আগে নিউ মেক্সিকোর একটি জুরি বোর্ড শিশুদের ক্ষতির জন্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জায়ান্টটিকে দায়ী করে। ওই মামলায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মোট ৯৪ কোটি ২০ লাখ ডলারের জরিমানা আরোপ করা হয়।

এ ছাড়া গত আগস্টে ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি বিচার চলাকালে ৫২ জন অঙ্গরাজ্য অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছায় মেটা। এর আওতায় ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের বেশি জরিমানা দিতে এবং কিশোরদের জন্য ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে পরিবর্তন আনতে সম্মত হয় প্রতিষ্ঠানটি।

ওই সমঝোতার একটি শর্ত ছিল, ইউটিউব ও টিকটককেও নিজেদের প্ল্যাটফর্মে একই ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। এসব পরিবর্তনের মধ্যে দৈনিক স্ক্রিন টাইম সীমিত করার মতো পদক্ষেপ রয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, এমনকি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মামলাগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি তৈরির মতো নকশা এবং ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, আগামী মাসে লস অ্যাঞ্জেলেসের মামলায় দুই বাদী এসজে ও কেডিবির আইনজীবীরা যুক্তি দেবেন, যথাক্রমে ১৩ ও ১৫ বছর বয়সে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার শুরু করার পর তাদের মক্কেলরা ‘আসক্তিকর ও সমস্যাজনক’ অ্যাপের সংস্পর্শে আসেন।

ইলিনয়ের কিশোরী এসজে স্ন্যাপের তৈরি স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করতে গিয়ে ধীরে ধীরে বাধ্যতামূলক ও নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবহারে জড়িয়ে পড়েন বলে তার আইনজীবীদের দাবি। এর ফলে তিনি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, খাদ্যাভ্যাসজনিত ব্যাধি ও আত্মক্ষতিমূলক আচরণের শিকার হন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

মিসিসিপির ১৮ বছর বয়সী কেডিবিও মেটা ও স্ন্যাপের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে একই ধরনের আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েন। তার আইনজীবীদের মতে, এর ফলে তার মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে।

মেটা আগে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জুলাইয়ে এএফপিকে দেওয়া এক বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানটি বলেছিল, ‘ভিত্তিহীন মামলার বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে আমরা পিছপা হব না।’

অন্যদিকে, স্ন্যাপের দাবি, তাদের অ্যাপ ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো নয়। কারণ, স্ন্যাপচ্যাট মূলত বার্তা আদান-প্রদানের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।