ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ Logo চট্টগ্রামে ভারতীয় পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ২ Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন Logo যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo বরগুনায় জেলা ফল মেলার উদ্বোধন Logo বাগদাদের গ্রিন জোনে ইরাকি বাহিনীর অভিযান Logo আইসিই’র প্রধান পদে ওকলাহোমার সাবেক স্টেট ট্রুপারকে মনোনয়ন ট্রাম্পের Logo চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী Logo স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বেসিকের দুর্নীতি মামলা, সব তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব

প্রতিনিধির নাম :

বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা সব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। মামলাগুলোর সব নথি নিয়ে আগামী ৩০ মে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের জানান, বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় অন্তত ৫৬ মামলা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলার আসামি ফজলুস সোবহান, শিপার আহমেদসহ কয়েকজনের জামিন শুনানিতে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ ইকবালসহ সব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ৩০ মে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

জানা গেছে, ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের রাজধানীর তিনটি শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণের অভিযোগ ওঠার পর তদন্তে নামে দুদক। প্রায় চার বছর অনুসন্ধান শেষে এই অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় গত বছর রাজধানীর তিনটি থানায় ১৫৬ জনকে আসামি করে ৫৬টি মামলা করে দুদক। তবে আসামির তালিকায় বেসিক ব্যাংকের সে সময়ের চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চু এবং পরিচালনা পর্ষদের কারো নাম না থাকায় প্রশ্ন তোলে উচ্চ আদালতে। এছাড়া জাতীয় সংসদে বাচ্চুর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

ওই বছরের আগস্টে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগও বাচ্চুকে আসামি না করায় উষ্মা প্রকাশ করেন।

উচ্চ আদালত থেকে উষ্মা প্রকাশের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শেখ আবদুল হাই বাচ্চুকে তলব করে দুদক। কয়েক দফা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

বাচ্চুকে ২০০৯ সালে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয় সরকার। ২০১২ সালে তার নিয়োগ নবায়নও হয়। কিন্তু ঋণ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠলে ২০১৪ সালে পদত্যাগ করেন বাচ্চু।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ মে ২০১৮
১৬ বার পঠিত হয়েছে

বেসিকের দুর্নীতি মামলা, সব তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব

আপডেট এর সময় : ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ মে ২০১৮

বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা সব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। মামলাগুলোর সব নথি নিয়ে আগামী ৩০ মে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের জানান, বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় অন্তত ৫৬ মামলা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলার আসামি ফজলুস সোবহান, শিপার আহমেদসহ কয়েকজনের জামিন শুনানিতে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ ইকবালসহ সব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ৩০ মে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

জানা গেছে, ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের রাজধানীর তিনটি শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণের অভিযোগ ওঠার পর তদন্তে নামে দুদক। প্রায় চার বছর অনুসন্ধান শেষে এই অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় গত বছর রাজধানীর তিনটি থানায় ১৫৬ জনকে আসামি করে ৫৬টি মামলা করে দুদক। তবে আসামির তালিকায় বেসিক ব্যাংকের সে সময়ের চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চু এবং পরিচালনা পর্ষদের কারো নাম না থাকায় প্রশ্ন তোলে উচ্চ আদালতে। এছাড়া জাতীয় সংসদে বাচ্চুর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

ওই বছরের আগস্টে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগও বাচ্চুকে আসামি না করায় উষ্মা প্রকাশ করেন।

উচ্চ আদালত থেকে উষ্মা প্রকাশের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শেখ আবদুল হাই বাচ্চুকে তলব করে দুদক। কয়েক দফা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

বাচ্চুকে ২০০৯ সালে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয় সরকার। ২০১২ সালে তার নিয়োগ নবায়নও হয়। কিন্তু ঋণ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠলে ২০১৪ সালে পদত্যাগ করেন বাচ্চু।