ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা Logo বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ Logo শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী Logo নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি

‘রাম রহিমের সঙ্গে এক রুমে নগ্ন অবস্থায় হানিপ্রীত’ (ভিডিও)

প্রতিনিধির নাম :

ঢাকা: ভারতের হরিয়ানার স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু গুরমিত সিং রাম রহিম ধর্ষণের দায়ে ২০ বছরের সাজা ভোগ করছেন। ‘বাবা’র সাজা হওয়ার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন তার ‘দত্তক কন্যা’ হানিপ্রীত ইনসান।

এবার ‘বাবা’র সেই পালিত কন্যা হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত মুখ খুললেন। বিশ্বাস এক সংবাদ সম্মেলনে বললেন, তিনি নিজ চোখে রাম রহিম আর হানিপ্রীতকে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত অবস্থায় দেখেছেন।

শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদসম্মেলনে বিশ্বাস জানালেন, তাকে আজকে সংবাদ সম্মেলনে সবাই দেখতে পাচ্ছেন, এমন হতে পারে এরপর তাকে আর দেখা যাবে কিনা সে নিজেও জানেন না। তিনি জানান, রাম রহিম অনেক ক্ষমতাবান একজন লোক। তা সে যতই জেলে থাকুক।

সংবাদ সম্মেলনে হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত জানালেন, ‘বাবা’ রাম রহিম আর তার পালিত কন্যার সম্পর্ক আসলে অবৈধ। তাদের মধ্যে কোনো বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ছিল না। তারা এক বিছানায় শুত। বাবা আর হানিপ্রীতের শারীরিক সম্পর্ক ছিল।

বিশ্বাস এসময় আরও জানান, বাবাকে এবং হানিপ্রীতকে সে নগ্ন অবস্থায় এক রুমে দেখেছে।

বিশ্বাস সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি ডেরায় থাকলেও, হানিপ্রীত থাকতেন বাবা রাম রহিমের ঘরে। হানিপ্রীত যখন বাবার কামরায় যেতেন সঙ্গে সঙ্গে তাকে সেই কামরা থেকে বের করে দেয়া হতো। এ সময় তাকে বাবা হুমকি দেয় যদি সে হানিপ্রীত আর বাবার সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুলে তাহলে তাকে প্রাণ হারাতে হবে।

২০১১ সালে বাবা আর হানিপ্রীতের অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করে বিশ্বাস। ডেরা থেকে নিজ বাড়িতে চলে যান তিনি। এরপর থেকেই বাবার লোকেরা সবসময় তাকে নজরে রাখতেন।

সংবাদমাধ্যমকে বিশ্বাস আরও জানান, বাবার ডেরার দুই ভক্তকে পাঠানো হয় তাকে মারার জন্য। কিন্তু ওই দুই ভক্ত বিশ্বাসকে খুবই পছন্দ করত আর তাই তাকে না মেরে সাবধান করে দিয়ে চলে যান তারা। এবং এও বলে যান আজকে তাদের পাঠানো হয়েছে অন্য সময় অন্য কাউকে পাঠানো হতে পারে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০১৭
২৫ বার পঠিত হয়েছে

‘রাম রহিমের সঙ্গে এক রুমে নগ্ন অবস্থায় হানিপ্রীত’ (ভিডিও)

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০১৭

ঢাকা: ভারতের হরিয়ানার স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু গুরমিত সিং রাম রহিম ধর্ষণের দায়ে ২০ বছরের সাজা ভোগ করছেন। ‘বাবা’র সাজা হওয়ার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন তার ‘দত্তক কন্যা’ হানিপ্রীত ইনসান।

এবার ‘বাবা’র সেই পালিত কন্যা হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত মুখ খুললেন। বিশ্বাস এক সংবাদ সম্মেলনে বললেন, তিনি নিজ চোখে রাম রহিম আর হানিপ্রীতকে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত অবস্থায় দেখেছেন।

শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদসম্মেলনে বিশ্বাস জানালেন, তাকে আজকে সংবাদ সম্মেলনে সবাই দেখতে পাচ্ছেন, এমন হতে পারে এরপর তাকে আর দেখা যাবে কিনা সে নিজেও জানেন না। তিনি জানান, রাম রহিম অনেক ক্ষমতাবান একজন লোক। তা সে যতই জেলে থাকুক।

সংবাদ সম্মেলনে হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত জানালেন, ‘বাবা’ রাম রহিম আর তার পালিত কন্যার সম্পর্ক আসলে অবৈধ। তাদের মধ্যে কোনো বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ছিল না। তারা এক বিছানায় শুত। বাবা আর হানিপ্রীতের শারীরিক সম্পর্ক ছিল।

বিশ্বাস এসময় আরও জানান, বাবাকে এবং হানিপ্রীতকে সে নগ্ন অবস্থায় এক রুমে দেখেছে।

বিশ্বাস সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি ডেরায় থাকলেও, হানিপ্রীত থাকতেন বাবা রাম রহিমের ঘরে। হানিপ্রীত যখন বাবার কামরায় যেতেন সঙ্গে সঙ্গে তাকে সেই কামরা থেকে বের করে দেয়া হতো। এ সময় তাকে বাবা হুমকি দেয় যদি সে হানিপ্রীত আর বাবার সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুলে তাহলে তাকে প্রাণ হারাতে হবে।

২০১১ সালে বাবা আর হানিপ্রীতের অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করে বিশ্বাস। ডেরা থেকে নিজ বাড়িতে চলে যান তিনি। এরপর থেকেই বাবার লোকেরা সবসময় তাকে নজরে রাখতেন।

সংবাদমাধ্যমকে বিশ্বাস আরও জানান, বাবার ডেরার দুই ভক্তকে পাঠানো হয় তাকে মারার জন্য। কিন্তু ওই দুই ভক্ত বিশ্বাসকে খুবই পছন্দ করত আর তাই তাকে না মেরে সাবধান করে দিয়ে চলে যান তারা। এবং এও বলে যান আজকে তাদের পাঠানো হয়েছে অন্য সময় অন্য কাউকে পাঠানো হতে পারে।