
ঢাকা: গ্রিসের দলটি কখনোই ন্যু ক্যাম্পে এসে জিততে পারেনি। সেই ধারা এবারও বদলাল না। ঘরের মাঠে অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে ৩-১ গোলের সহজ জয় তুলে নিয়েছে বার্সেলোনা। ১০ জন নিয়ে খেলার পরও একপেশে লড়াই হয়েছে। অলিম্পিয়াকোস লড়াই জমিয়ে তুলতে পারেনি।
মেসি ভক্তরা বুধবার রাতে অপেক্ষায় ছিলেন একটি গোলের। ৬১ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে দুর্দান্ত গোলে এক সঙ্গে দুটি মাইলফলকে পৌঁছলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ইউরোপিয়ান ক্লাব আসরে এটা ছিল মেসির ১০০ তম গোল। আর চলতি বর্ষপঞ্জিতে দেশ ও ক্লাবের জার্সি মিলিয়ে এটি তাঁর ৫০তম গোল।
উয়েফা আয়োজিত ক্লাব আসরে মেসি এখন শততম গোল করা দ্বিতীয় খেলোয়াড়। এই মাইলফলকটি ছুঁতে তাঁকে খেলতে হলো ১২২ ম্যাচ। শীর্ষে রয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তিনি ১৫১ ম্যাচ থেকে গোল করেছেন ১১২টি। রোনালদোর শততম গোল পেতে লেগেছিল ১৪৩ ম্যাচ। সেখানে মেসি ২১ ম্যাচ কম খেলেই শততম গোলের দেখা পেলেন।
অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে মেসি গোল করার আগেই এগিয়ে গিয়েছিল। বার্সার জোরাল আক্রমণে বেসামাল হয়ে ১৮ মিনিটে আত্মঘাতী গোল করে বসে গ্রীসের দলটি। বার্সা প্রথমার্ধ শেষ করেছে ১০ জন নিয়ে। ৪২ মিনিটে দেউলোফেউয়ের ক্রস পেয়েছিলেন জেরার্ড পিকে। তিনি হাত দিয়ে বল জালে ঠেলে গোলের উল্লাস করেন। পিকের এই অসততা ঠিকই ধরে ফেলেন রেফারি। দলকে বিপদে ফেলে দেখতে হয়েছে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড, মানে লাল কার্ড।
পিকের লাল কার্ডেও বার্সার ধার কমাতে পারেনি। ৭০ শতাংশ বলের দখল ছিল মেসিদের। ৬৪ মিনিটে গোল করে বসেন লুকাস দিনিয়ের। অলিম্পিয়াকোসের হয়ে যিনি আত্মঘাতী গোল করেছেন সেই নিকোলাউ অবশ্য প্রায়শ্চিত্ত করেছেন নির্ধারিত সময়ের এক মিনিট আগে দলের হারের ব্যবধান কমিয়ে। তিন ম্যাচ জিতে যথারীতি গ্রুপ ‘ডি’-এর শীর্ষেই থাকল বার্সা।