ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে Logo ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল Logo ইবোলার কেন্দ্রস্থলে জীবিকার তাগিদে খনি শ্রমিকদের সংগ্রাম Logo বুলেট ট্রেনে দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর Logo ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo কয়েকটি খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এগিয়ে নিতে নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের স্বাক্ষর Logo পানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার সব দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান স্পিকারের

গোবিন্দগঞ্জে সাড়ে চার কিলোমিটার রাস্তার কোটি টাকার গাছ কেটে সাবাড়

প্রতিনিধির নাম :

রবিন সেন:গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নে সাড়ে চার কিলোমিটার রাস্তার ইউক্যালিপটাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে সাবাড় করা হয়েছে। এসব গাছের আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। গাছ কাটতে গিয়ে রাস্তার উভয় পাশের আমন ধানের ক্ষেতও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অভিযোগে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের বৈরাগীহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের রাস্তার চৌহুদপুর ও পজয়পুর গ্রামের সাড়ে চার কিলোমিটার অংশ জুড়ে রাস্তার দুপাশের গাছ কেটে নেয়া হচ্ছে। সামাজিক বনায়নের সমিতির আওতায় রোপণ করা এসব গাছ টেন্ডার ছাড়াই ইউপি চেয়ারম্যান শাকিল আহম্মেদ বুলবুল ও সমিতির সভাপতি আব্দুল করিমের সাথে সমঝোতা করে কাটা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। তারা আরও অভিযোগ করেন তড়িঘড়ি করে শুধু দিনে নয়, রাতেও গাছ কেটে ট্রাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। গাছ কাটার সময় রাস্তার দুপাশের জমিতে তা পড়ে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
গাছ ক্রেতা কাইয়ারগঞ্জ এলাকার কাঠ ব্যবসায়ী রানু মিয়া জানান, তিনি প্রায় দুবছর আগে ১৫ লাখ টাকা দিয়ে ৮০৩টি গাছ কিনে নিয়েছেন। তিনি আরও জানান, সাপমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাকিল আহম্মেদ ও সামাজিক বনায়ন সমিতির সভাপতি আব্দুল করিমের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা করে তাদের কাছ থেকে এসব গাছ ক্রয় করেন। গত তিন মাস আগে তিনি গাছ কাটা শুরু করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে হঠাৎ চেয়ারম্যান গাছ কাটা বন্ধ করে দেন। বর্তমানে তিনি বাকি গাছগুলো কেটে নিচ্ছেন।
সামাজিক বনায়ন সমিতির সভাপতি আব্দুল করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, উপকারভোগী হিসেবে আমরা গাছগুলো ইউপি চেয়ারম্যান বুলবুলের মাধ্যমে কাঠ ব্যবসায়ী রানু মিয়ার কাছে বিক্রি করে দিয়েছি। তবে গাছের সংখ্যা কতো, তিনি তা বলতে পারেননি। তার সাফ জবাব ‘ আমি আর কিছু জানি না, সব জানে চেয়ারম্যান বুলবুল’। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান শাকিল আহম্মেদ বুলবুলের ০১৭১১-৩৪৪৫১১ নম্বর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮
১৩ বার পঠিত হয়েছে

গোবিন্দগঞ্জে সাড়ে চার কিলোমিটার রাস্তার কোটি টাকার গাছ কেটে সাবাড়

আপডেট এর সময় : ১২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

রবিন সেন:গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নে সাড়ে চার কিলোমিটার রাস্তার ইউক্যালিপটাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে সাবাড় করা হয়েছে। এসব গাছের আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। গাছ কাটতে গিয়ে রাস্তার উভয় পাশের আমন ধানের ক্ষেতও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অভিযোগে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের বৈরাগীহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের রাস্তার চৌহুদপুর ও পজয়পুর গ্রামের সাড়ে চার কিলোমিটার অংশ জুড়ে রাস্তার দুপাশের গাছ কেটে নেয়া হচ্ছে। সামাজিক বনায়নের সমিতির আওতায় রোপণ করা এসব গাছ টেন্ডার ছাড়াই ইউপি চেয়ারম্যান শাকিল আহম্মেদ বুলবুল ও সমিতির সভাপতি আব্দুল করিমের সাথে সমঝোতা করে কাটা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। তারা আরও অভিযোগ করেন তড়িঘড়ি করে শুধু দিনে নয়, রাতেও গাছ কেটে ট্রাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। গাছ কাটার সময় রাস্তার দুপাশের জমিতে তা পড়ে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
গাছ ক্রেতা কাইয়ারগঞ্জ এলাকার কাঠ ব্যবসায়ী রানু মিয়া জানান, তিনি প্রায় দুবছর আগে ১৫ লাখ টাকা দিয়ে ৮০৩টি গাছ কিনে নিয়েছেন। তিনি আরও জানান, সাপমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাকিল আহম্মেদ ও সামাজিক বনায়ন সমিতির সভাপতি আব্দুল করিমের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা করে তাদের কাছ থেকে এসব গাছ ক্রয় করেন। গত তিন মাস আগে তিনি গাছ কাটা শুরু করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে হঠাৎ চেয়ারম্যান গাছ কাটা বন্ধ করে দেন। বর্তমানে তিনি বাকি গাছগুলো কেটে নিচ্ছেন।
সামাজিক বনায়ন সমিতির সভাপতি আব্দুল করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, উপকারভোগী হিসেবে আমরা গাছগুলো ইউপি চেয়ারম্যান বুলবুলের মাধ্যমে কাঠ ব্যবসায়ী রানু মিয়ার কাছে বিক্রি করে দিয়েছি। তবে গাছের সংখ্যা কতো, তিনি তা বলতে পারেননি। তার সাফ জবাব ‘ আমি আর কিছু জানি না, সব জানে চেয়ারম্যান বুলবুল’। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান শাকিল আহম্মেদ বুলবুলের ০১৭১১-৩৪৪৫১১ নম্বর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।