ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ Logo শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী Logo নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি Logo মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন Logo কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী Logo কুবি-র সহযোগী অধ্যাপকের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ারের লাশ উদ্ধার Logo উত্তর কোরিয়ার জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

মুসলিমরা রামের বংশধর, রাম মন্দির নির্মাণে তাদের সাহায্য করা উচিত’

প্রতিনিধির নাম :

বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেছেন, ভারতের মুসলিমরা সবাই ভগবান রামের বংশধর৷ তাই অযোধ্যার বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণে মুসলিমদেরও এগিয়ে আসা উচিত৷ কারণ তাঁরা প্রত্যেকে রামের বংশধর৷ সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাতকারে এমনই মন্তব্য করেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী৷

পাশাপাশি, তিনি বলেন যদি রাম মন্দির গঠনের কাজ দ্রুত শুরু না হয়, তবে ধৈর্য্য হারাবেন দেশের হিন্দুরা৷ ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা নাকি মথুরা, অযোধ্যা ও কাশীর দখল নিতে পারেন৷ তা দেশের শান্তি শৃঙ্খলার জন্য খুব একটা সুখকর হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন এই মন্ত্রী৷

ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রী গিরিরাজ সিং কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকেও একহাত নেন এদিন৷ তিনি বলেন বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরে বেরিয়ে, পুজো দিয়ে আসলে রাজনৈতিক নাটক করছেন কংগ্রেস সভাপতি৷ হিন্দুদের নিজের দলের দিকে আকৃষ্ট করতে চাইছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি৷

গিরিরাজ সিংয়ের বক্তব্য, রাহুল গান্ধী যদি আসল হিন্দু হন, তবে ঠিক ভোটের আগে মন্দিরে গিয়ে পুজো দেওয়ার নাটক বন্ধ করুন৷ পারলে কংগ্রেসের মধ্যে গোমাংস খাওয়া আটকান, তারপর রাহুল যেন হিন্দু বলে নিজেকে দাবি করেন৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন রাহুল গান্ধীর কৈলাশ মানসরোবর যাত্রা আসলে লোকসভা ভোটের আগে হিন্দু ভোটব্যঙ্ক নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা৷

এরআগে, গিরিরাজ বলেন ভারত আবার এক দেশভাগের সাক্ষী থাকবে৷ ধর্মের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে ভারত এক দেশভাগের সাক্ষী ছিল। স্বাধীনতার পর এই ৭২ বছরে দেশের জনসংখ্যা বেড়েছে হুহু করে। ৩৩ কোটি থেকে বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা ১৩৫.৭ কোটি।

কোনও বিশেষ সম্প্রদায়ের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, ‘এই জনসংখ্যার চাপ আগামী দিনে ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে’। ট্যুইটারে তিনি আরও লেখেন ‘আগামী দিনে ভারত যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে চলেছে তা বর্ণনা করাও মুশকিল’।

তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ হয়। সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে ২০৪৭ সালে।

উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েকজন বিজেপি নেতা ভারতের মুসলমান এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য করেছেন।নির্বাচন ঘনিয়ে এলে এ কাজটি তারা বেশি করে করে থাকেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮
১৭ বার পঠিত হয়েছে

মুসলিমরা রামের বংশধর, রাম মন্দির নির্মাণে তাদের সাহায্য করা উচিত’

আপডেট এর সময় : ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮

বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেছেন, ভারতের মুসলিমরা সবাই ভগবান রামের বংশধর৷ তাই অযোধ্যার বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণে মুসলিমদেরও এগিয়ে আসা উচিত৷ কারণ তাঁরা প্রত্যেকে রামের বংশধর৷ সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাতকারে এমনই মন্তব্য করেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী৷

পাশাপাশি, তিনি বলেন যদি রাম মন্দির গঠনের কাজ দ্রুত শুরু না হয়, তবে ধৈর্য্য হারাবেন দেশের হিন্দুরা৷ ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা নাকি মথুরা, অযোধ্যা ও কাশীর দখল নিতে পারেন৷ তা দেশের শান্তি শৃঙ্খলার জন্য খুব একটা সুখকর হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন এই মন্ত্রী৷

ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রী গিরিরাজ সিং কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকেও একহাত নেন এদিন৷ তিনি বলেন বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরে বেরিয়ে, পুজো দিয়ে আসলে রাজনৈতিক নাটক করছেন কংগ্রেস সভাপতি৷ হিন্দুদের নিজের দলের দিকে আকৃষ্ট করতে চাইছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি৷

গিরিরাজ সিংয়ের বক্তব্য, রাহুল গান্ধী যদি আসল হিন্দু হন, তবে ঠিক ভোটের আগে মন্দিরে গিয়ে পুজো দেওয়ার নাটক বন্ধ করুন৷ পারলে কংগ্রেসের মধ্যে গোমাংস খাওয়া আটকান, তারপর রাহুল যেন হিন্দু বলে নিজেকে দাবি করেন৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন রাহুল গান্ধীর কৈলাশ মানসরোবর যাত্রা আসলে লোকসভা ভোটের আগে হিন্দু ভোটব্যঙ্ক নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা৷

এরআগে, গিরিরাজ বলেন ভারত আবার এক দেশভাগের সাক্ষী থাকবে৷ ধর্মের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে ভারত এক দেশভাগের সাক্ষী ছিল। স্বাধীনতার পর এই ৭২ বছরে দেশের জনসংখ্যা বেড়েছে হুহু করে। ৩৩ কোটি থেকে বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা ১৩৫.৭ কোটি।

কোনও বিশেষ সম্প্রদায়ের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, ‘এই জনসংখ্যার চাপ আগামী দিনে ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে’। ট্যুইটারে তিনি আরও লেখেন ‘আগামী দিনে ভারত যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে চলেছে তা বর্ণনা করাও মুশকিল’।

তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ হয়। সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে ২০৪৭ সালে।

উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েকজন বিজেপি নেতা ভারতের মুসলমান এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য করেছেন।নির্বাচন ঘনিয়ে এলে এ কাজটি তারা বেশি করে করে থাকেন।