ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে Logo ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল Logo ইবোলার কেন্দ্রস্থলে জীবিকার তাগিদে খনি শ্রমিকদের সংগ্রাম Logo বুলেট ট্রেনে দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর Logo ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo কয়েকটি খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এগিয়ে নিতে নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের স্বাক্ষর Logo পানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার সব দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান স্পিকারের

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে এখন পর্যন্ত হয়েছে ৮টি আসর

প্রতিনিধির নাম :

খেলাধুলা ডেস্ক: চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে এখন পর্যন্ত হয়েছে ৮টি আসর। এর মাঝে, স্মৃতির পাতায় আছে অনেক অনেক ঘটনা। তার মাঝেই সেরা পাঁচ মূহুর্ত তুলে ধরেছে আইসিসি। যেখানে আছে ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে পাকিস্তানের শিরোপা জয়ের সেই মূহুর্ত। দেখে নেয়া যাক চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেরা ৫ মুহুর্ত।

২০০২: ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা

বীরেন্দ্র শেবাগের অফ স্পিন জাদুতে সেবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিদায় করে দিয়ে ফাইনালে ওঠে ভারত। কলম্বোতে প্রথম সেমিফাইনালে শেবাগের ফিফটিতে ৯ উইকেটে ২৬১ রান দাঁড় করায় ভারত। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেট হাতে রেখে দুইশোর গণ্ডি পেরিয়ে যায় প্রোটিয়ারা। সেঞ্চুরি (১১৬ রান) আদায় করে নেন গিবস। এরপর তিনি রিয়াটার্ড হার্ট হয়ে ফিরে যান। অপরদিকে সেঞ্চুরির কাছাকাছি ছিলেন প্রোটিয়া লিজেন্ড জ্যাক ক্যালিস। এরপর বল হাতে মার্ক বাউচার, জ্যাক ক্যালিস (৯৭ রান) আর ল্যান্স ক্লুজনারকে ফিরিয়ে নাটকীয়ভাবে ভারতকে ফাইনালে তোলার নায়ক বনে যান শেবাগ। ২৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ও ব্যাট হাতে ৫৯ রান করে ম্যাচসেরাও হন তিনি।

২০০৪: ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম ইংল্যান্ড

সেবার ফাইনালে ইংল্যান্ডের করা ২১৭ রানের জবাবে ১৪৭ রানে ৮ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তখনও বল বাকি ৯৮টি। শিবনারায়ণ চন্দরপলের বিদায়ে হার চোখ রাঙাচ্ছিল ক্যারিবীয়দের। তবে, ৯ম উইকেটে কার্টনি ব্রাউনি আর ইয়ান ব্র্যান্ডশোর ৭১ রানের অবিশ্বাস্য এক জুটিতে শিরোপা জিতে নেয় ক্যারিবিয়ানরা। ব্রাউনি ৩৫ আর ব্র্যাডশো অপরাজিত থাকেন ৩৪ রানে।

২০০৯: দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম ইংল্যান্ড

দক্ষিণ আফ্রিকার সেঞ্চুরিয়নে ওয়াইজ শাহের ৮৯ বলে ৯৮ রানে ৮ উইকেটে ৩২৩ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গ্রায়েম স্মিথের ১৪১ রানের পরেও ২২ রানে হেরে যায় প্রোটিয়ারা। ব্রড-অ্যান্ডারসন জুটির ৩টি করে উইকেট শিকারে হাইস্কোরিং ম্যাচে হেরে সেমির আশা জাগিয়েও ছিটকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

২০১৩: নিউজিল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কা

কার্ডিফে লো স্কোরিং থ্রিলারে মাত্র ১৩৮ রানে থামে শ্রীলঙ্কার ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৩৫ রানে ৭ উইকেট থেকে লাসিথ মালিঙ্গার ম্যাজিকে ১৩৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে বিপাকে নিউজিল্যান্ড। তবে টিম সাউদির ব্যাটে ওই ম্যাচে ১ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর জয় পায় কিউইরা।

২০১৭: ভারত-পাকিস্তান

বৈশ্বিক আসরে প্রথমবারের মতো ভারতকে হারিয়ে চমকে দেয় পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তানের করা ৩৩৮ রানের জবাবে মাত্র ১৫৮ রানেই গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। ব্যাট হাতে ফখর জামানের সেঞ্চুরির পর মোহাম্মদ আমিরের ম্যাজিকাল স্পেলে লন্ডনে ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপা উৎসবে মেতেছিল সরফরাজ আহমেদের পাকিস্তান।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
১২ বার পঠিত হয়েছে

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে এখন পর্যন্ত হয়েছে ৮টি আসর

আপডেট এর সময় : ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

খেলাধুলা ডেস্ক: চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে এখন পর্যন্ত হয়েছে ৮টি আসর। এর মাঝে, স্মৃতির পাতায় আছে অনেক অনেক ঘটনা। তার মাঝেই সেরা পাঁচ মূহুর্ত তুলে ধরেছে আইসিসি। যেখানে আছে ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে পাকিস্তানের শিরোপা জয়ের সেই মূহুর্ত। দেখে নেয়া যাক চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেরা ৫ মুহুর্ত।

২০০২: ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা

বীরেন্দ্র শেবাগের অফ স্পিন জাদুতে সেবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিদায় করে দিয়ে ফাইনালে ওঠে ভারত। কলম্বোতে প্রথম সেমিফাইনালে শেবাগের ফিফটিতে ৯ উইকেটে ২৬১ রান দাঁড় করায় ভারত। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেট হাতে রেখে দুইশোর গণ্ডি পেরিয়ে যায় প্রোটিয়ারা। সেঞ্চুরি (১১৬ রান) আদায় করে নেন গিবস। এরপর তিনি রিয়াটার্ড হার্ট হয়ে ফিরে যান। অপরদিকে সেঞ্চুরির কাছাকাছি ছিলেন প্রোটিয়া লিজেন্ড জ্যাক ক্যালিস। এরপর বল হাতে মার্ক বাউচার, জ্যাক ক্যালিস (৯৭ রান) আর ল্যান্স ক্লুজনারকে ফিরিয়ে নাটকীয়ভাবে ভারতকে ফাইনালে তোলার নায়ক বনে যান শেবাগ। ২৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ও ব্যাট হাতে ৫৯ রান করে ম্যাচসেরাও হন তিনি।

২০০৪: ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম ইংল্যান্ড

সেবার ফাইনালে ইংল্যান্ডের করা ২১৭ রানের জবাবে ১৪৭ রানে ৮ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তখনও বল বাকি ৯৮টি। শিবনারায়ণ চন্দরপলের বিদায়ে হার চোখ রাঙাচ্ছিল ক্যারিবীয়দের। তবে, ৯ম উইকেটে কার্টনি ব্রাউনি আর ইয়ান ব্র্যান্ডশোর ৭১ রানের অবিশ্বাস্য এক জুটিতে শিরোপা জিতে নেয় ক্যারিবিয়ানরা। ব্রাউনি ৩৫ আর ব্র্যাডশো অপরাজিত থাকেন ৩৪ রানে।

২০০৯: দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম ইংল্যান্ড

দক্ষিণ আফ্রিকার সেঞ্চুরিয়নে ওয়াইজ শাহের ৮৯ বলে ৯৮ রানে ৮ উইকেটে ৩২৩ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গ্রায়েম স্মিথের ১৪১ রানের পরেও ২২ রানে হেরে যায় প্রোটিয়ারা। ব্রড-অ্যান্ডারসন জুটির ৩টি করে উইকেট শিকারে হাইস্কোরিং ম্যাচে হেরে সেমির আশা জাগিয়েও ছিটকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

২০১৩: নিউজিল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কা

কার্ডিফে লো স্কোরিং থ্রিলারে মাত্র ১৩৮ রানে থামে শ্রীলঙ্কার ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৩৫ রানে ৭ উইকেট থেকে লাসিথ মালিঙ্গার ম্যাজিকে ১৩৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে বিপাকে নিউজিল্যান্ড। তবে টিম সাউদির ব্যাটে ওই ম্যাচে ১ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর জয় পায় কিউইরা।

২০১৭: ভারত-পাকিস্তান

বৈশ্বিক আসরে প্রথমবারের মতো ভারতকে হারিয়ে চমকে দেয় পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তানের করা ৩৩৮ রানের জবাবে মাত্র ১৫৮ রানেই গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। ব্যাট হাতে ফখর জামানের সেঞ্চুরির পর মোহাম্মদ আমিরের ম্যাজিকাল স্পেলে লন্ডনে ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপা উৎসবে মেতেছিল সরফরাজ আহমেদের পাকিস্তান।