ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গাজীপুরে শব্দদূষণ রোধে সাইলেন্ট র‌্যালি ও মতবিনিময় Logo বগুড়ায় সাজাপ্রাপ্ত মাদক কারবারি ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার Logo ইরানের হামলার জবাবে ৫টি তেলবাহী জাহাজ ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের Logo পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের পর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান Logo মার্কিন প্রভাব সুসংহত করতে লাতিন আমেরিকা সফর শুরু রুবিওর Logo অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে : রাষ্ট্রপতি Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাগেরহাটে সরকারি প্রাথমিকে ৬৫০ শিক্ষকের পদ শূন্য

প্রতিনিধির নাম :

বাগেরহাট: বাগেরহাটে সরকারি এক হাজার ১৫২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬৫০ জন শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক ২১৬ ও সহকারী শিক্ষকের ৪৩৪টি পদ শূন্য। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

জেলার সব চেয়ে বেশি ১৮৩ জন শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে মোড়েলগঞ্জ উপজেলায়। এর মধ্যে ৩৭টি পদ প্রধান শিক্ষকের। শরণখোলায় শূন্য রয়েছে ৮৬টি পদ। এর মধ্যে ১৪টি প্রধান শিক্ষকের ও ৭৭টি পদ সহকারী শিক্ষকের। কচুয়ায় ৭৭টি শূন্য পদের মধ্যে ২১টি প্রধান শিক্ষকের ও ৫৬টি পদ সহকারী শিক্ষকের। সদর উপজেলায় ৮০টি শূন্য পদের মধ্যে ৪২টি প্রধান শিক্ষক ও ৩৮টি সহকারী শিক্ষকের। ফকিরহাটে ৫৪টির মধ্যে ২৮টি প্রধান শিক্ষকের ও ২৬টি সহকারী শিক্ষকের। মোল্লাহাটের ৪৭টি পদের মধ্যে সাতটি প্রধান শিক্ষকের ও ৪০টি সহকারী শিক্ষকের। রামপালে ৪৪ পদের মধ্যে ২৩টি পদ প্রধান শিক্ষকের ও ২১টি সহকারী শিক্ষকের। মোংলায় ৫০টি শূন্য পদের মধ্যে ৩১টি প্রধান শিক্ষকের ও ১৯টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। চিতলমারীতে ২৮টির মধ্যে ১৩টি পদ প্রধান শিক্ষকের ও ১৫টি শূন্য পদ সহকারী শিক্ষকের।

যেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে, সেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা ও পাঠদান ব্যহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

শরণখোলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহরিয়ার বলে, স্যার নেই তাই আমাদের স্কুলে সব ক্লাস হয় না।

আরেক শিক্ষার্থী রুমানা বলে, স্কুলে স্যার না থাকায় আমরা স্কুলে এসে বসে থাকি।

অভিভাবক ফরিদ খান বলেন, বাচ্চারা বিদ্যালয়ে গিয়ে বসে থাকে। সব বই পড়াতে পারে না শিক্ষকরা। স্কুলে নাকি শিক্ষক কম।

শরণখোলার কুড়িয়াখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রব আকন বলেন, শিক্ষক তো নিয়োগ দেয় সরকার। আমরা কী করবো। বাগেরহাট সদর উপজেলার মির্জাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মানছুরা খানম চম্পা জানান, তাদের বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় অফিসিয়াল কাজগুলো সহকারী শিক্ষকদের করতে

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭
৩৬ বার পঠিত হয়েছে

বাগেরহাটে সরকারি প্রাথমিকে ৬৫০ শিক্ষকের পদ শূন্য

আপডেট এর সময় : ০১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭

বাগেরহাট: বাগেরহাটে সরকারি এক হাজার ১৫২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬৫০ জন শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক ২১৬ ও সহকারী শিক্ষকের ৪৩৪টি পদ শূন্য। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

জেলার সব চেয়ে বেশি ১৮৩ জন শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে মোড়েলগঞ্জ উপজেলায়। এর মধ্যে ৩৭টি পদ প্রধান শিক্ষকের। শরণখোলায় শূন্য রয়েছে ৮৬টি পদ। এর মধ্যে ১৪টি প্রধান শিক্ষকের ও ৭৭টি পদ সহকারী শিক্ষকের। কচুয়ায় ৭৭টি শূন্য পদের মধ্যে ২১টি প্রধান শিক্ষকের ও ৫৬টি পদ সহকারী শিক্ষকের। সদর উপজেলায় ৮০টি শূন্য পদের মধ্যে ৪২টি প্রধান শিক্ষক ও ৩৮টি সহকারী শিক্ষকের। ফকিরহাটে ৫৪টির মধ্যে ২৮টি প্রধান শিক্ষকের ও ২৬টি সহকারী শিক্ষকের। মোল্লাহাটের ৪৭টি পদের মধ্যে সাতটি প্রধান শিক্ষকের ও ৪০টি সহকারী শিক্ষকের। রামপালে ৪৪ পদের মধ্যে ২৩টি পদ প্রধান শিক্ষকের ও ২১টি সহকারী শিক্ষকের। মোংলায় ৫০টি শূন্য পদের মধ্যে ৩১টি প্রধান শিক্ষকের ও ১৯টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। চিতলমারীতে ২৮টির মধ্যে ১৩টি পদ প্রধান শিক্ষকের ও ১৫টি শূন্য পদ সহকারী শিক্ষকের।

যেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে, সেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা ও পাঠদান ব্যহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

শরণখোলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহরিয়ার বলে, স্যার নেই তাই আমাদের স্কুলে সব ক্লাস হয় না।

আরেক শিক্ষার্থী রুমানা বলে, স্কুলে স্যার না থাকায় আমরা স্কুলে এসে বসে থাকি।

অভিভাবক ফরিদ খান বলেন, বাচ্চারা বিদ্যালয়ে গিয়ে বসে থাকে। সব বই পড়াতে পারে না শিক্ষকরা। স্কুলে নাকি শিক্ষক কম।

শরণখোলার কুড়িয়াখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রব আকন বলেন, শিক্ষক তো নিয়োগ দেয় সরকার। আমরা কী করবো। বাগেরহাট সদর উপজেলার মির্জাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মানছুরা খানম চম্পা জানান, তাদের বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় অফিসিয়াল কাজগুলো সহকারী শিক্ষকদের করতে