ঢাকা , বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo খেজুরে তেল মেখে অস্বাস্থ্যকরভাবে প্যাকেটজাত, চট্টগ্রামে ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা Logo এল নিনোর তীব্র প্রভাবে দাবানল-খরা, বাড়ছে খাদ্য ও বিদ্যুৎ সংকটের শঙ্কা Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিং, খুতবায় সচেতনতামূলক বক্তব্যের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo মাদক সেবনের দায়ে শাহরাস্তিতে যুবকের কারাদণ্ড Logo ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসায় ভর্তুকি, মালয়েশিয়ায় স্কুল বন্ধ Logo নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী Logo বিভিন্ন খাতে কানাডার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo ইমরান সমর্থকদের বিক্ষোভ ও সহিংসতার জেরে খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি শাসন Logo উন্নয়ন প্রকল্পে জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা সঠিকভাবে ব্যয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে প্রণয়ন হচ্ছে জাতীয় বন্দর কৌশল: নৌপরিবহনমন্ত্রী

ভাঙা সংসার জোড়া লাগল সুদীপ-পৃথার

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক: ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেতা সুদীপ মুখার্জি এবং নায়িকা পৃথা চক্রবর্তী একসময় তাদের দাম্পত্যে দূরত্ব এবং বিচ্ছেদের খবর দিয়ে চমক দিয়েছিলেন। ৬ মাস আগে পৃথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন, “আমি আর সুদীপ আর দম্পতি নেই। আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। আমরা আজীবন বন্ধু হয়ে থাকব।” কিন্তু সম্প্রতি এই জুটি আবার একসাথে সময় কাটাচ্ছেন এবং তাদের ভাঙা সংসার নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে।

দুই সন্তানের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুদীপ মুখার্জি। তিনি একটি ভারতীয় গণমাধ্যমকে বলেন, “কোন সম্পর্কে মতবিরোধ হয় না, একটু বলবেন? আমরা সবাই স্বতন্ত্র মানুষ। তবে হ্যাঁ, এখন আমরা একসঙ্গে থাকছি। দুই ছেলেকে শান্তিপূর্ণ শৈশব এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেওয়ার জন্যই আবার আমরা একসঙ্গে।” তাদের দুই পুত্র এখনও ছোট। সুদীপ জানান, ছেলেেরা তাঁকে ‘সুপারহিরো’ মনে করে এবং তাদের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না, এটাই তাঁর মূল উদ্বেগ।

পৃথার কোনো সরাসরি মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুর্গাপূজার আনন্দ নিজের এবং সন্তানদের সঙ্গে উপভোগ করেছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিবারের ছবি শেয়ার করায় নেটিজনদের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে—বিচ্ছেদের পরও শাঁখা-পলা কেন? এ বিষয়ে পৃথা জানিয়েছেন, “শাঁখা-পলা পরা আমার ইচ্ছে। আমরা এখনো বালি ও ঋদ্ধির বাবা-মা, আর সেটা চিরকালের জন্য। প্রতি বছর মায়ের বরণ করবই, শাঁখা-পলা, সিঁদুর, নোয়া সব পরব।”

সুদীপ-পৃথার সম্পর্কের শুরুও সহজ ছিল না। পৃথার পরিবার প্রথম বিয়ের জন্য আপত্তি জানিয়েছিলেন, আর বয়সের পার্থক্যও অনেক। তবে নিজের পছন্দ এবং সন্তানদের খেয়াল রেখে তারা আবার একসাথে এসেছেন। তাদের ভক্তরা এখন আশা করছেন, এই নতুন অধ্যায়টি তাদের পরিবারের জন্য স্থায়ী শান্তি ও আনন্দ বয়ে আনবে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
৪১ বার পঠিত হয়েছে

ভাঙা সংসার জোড়া লাগল সুদীপ-পৃথার

আপডেট এর সময় : ০২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেতা সুদীপ মুখার্জি এবং নায়িকা পৃথা চক্রবর্তী একসময় তাদের দাম্পত্যে দূরত্ব এবং বিচ্ছেদের খবর দিয়ে চমক দিয়েছিলেন। ৬ মাস আগে পৃথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন, “আমি আর সুদীপ আর দম্পতি নেই। আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। আমরা আজীবন বন্ধু হয়ে থাকব।” কিন্তু সম্প্রতি এই জুটি আবার একসাথে সময় কাটাচ্ছেন এবং তাদের ভাঙা সংসার নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে।

দুই সন্তানের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুদীপ মুখার্জি। তিনি একটি ভারতীয় গণমাধ্যমকে বলেন, “কোন সম্পর্কে মতবিরোধ হয় না, একটু বলবেন? আমরা সবাই স্বতন্ত্র মানুষ। তবে হ্যাঁ, এখন আমরা একসঙ্গে থাকছি। দুই ছেলেকে শান্তিপূর্ণ শৈশব এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেওয়ার জন্যই আবার আমরা একসঙ্গে।” তাদের দুই পুত্র এখনও ছোট। সুদীপ জানান, ছেলেেরা তাঁকে ‘সুপারহিরো’ মনে করে এবং তাদের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না, এটাই তাঁর মূল উদ্বেগ।

পৃথার কোনো সরাসরি মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুর্গাপূজার আনন্দ নিজের এবং সন্তানদের সঙ্গে উপভোগ করেছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিবারের ছবি শেয়ার করায় নেটিজনদের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে—বিচ্ছেদের পরও শাঁখা-পলা কেন? এ বিষয়ে পৃথা জানিয়েছেন, “শাঁখা-পলা পরা আমার ইচ্ছে। আমরা এখনো বালি ও ঋদ্ধির বাবা-মা, আর সেটা চিরকালের জন্য। প্রতি বছর মায়ের বরণ করবই, শাঁখা-পলা, সিঁদুর, নোয়া সব পরব।”

সুদীপ-পৃথার সম্পর্কের শুরুও সহজ ছিল না। পৃথার পরিবার প্রথম বিয়ের জন্য আপত্তি জানিয়েছিলেন, আর বয়সের পার্থক্যও অনেক। তবে নিজের পছন্দ এবং সন্তানদের খেয়াল রেখে তারা আবার একসাথে এসেছেন। তাদের ভক্তরা এখন আশা করছেন, এই নতুন অধ্যায়টি তাদের পরিবারের জন্য স্থায়ী শান্তি ও আনন্দ বয়ে আনবে।