ঢাকা , রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কানাডার কিছু পণ্যে শুল্ক প্রত্যাহার ট্রাম্পের Logo ইংল্যান্ডকে হারালেই ফাইনাল নিশ্চিত, হ্যাটট্রিক জয়ের লক্ষ্য পাকিস্তানের Logo পিকআপে সিমেন্টের বস্তার আড়ালে ৫৬০ বোতল ফেনসিডিল, গ্রেফতার ১ Logo ক্রিপ্টো কেলেঙ্কারি: আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মিলেই ও বোনের মামলা খারিজ Logo তারেক রহমানের জাপান সফরে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতি চায় টোকিও Logo কিশোর গ্যাং ও মাদকবিরোধী অভিযানে চট্টগ্রাম রেঞ্জে ৪২৩ জন আটক-গ্রেফতার Logo তিতাসে নতুন দুই কূপ, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে দৈনিক ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস Logo আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার Logo ফ্রান্সে ফের বিক্ষোভের শঙ্কা, প্যারিসের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সমাবেশ নিষিদ্ধ Logo কিউবায় পানির সংকট, রেস্তোরাঁ সচল রাখতে কূপ খনন ব্যবসায়ীর

ভারতের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অভিযোগের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায়ের

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অভিযোগের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছে পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এ তথ্য জানায়।

বুধবার (১ মে) দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ভারতের ‘ভিত্তিহীন’ দাবি প্রত্যাখ্যান করে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিক্ষোভের আয়োজন করেন বেলুচিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সদস্য সঞ্জয় কুমার। তার নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বিক্ষোভকারীরা কোয়েটা প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন। বিক্ষোভে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে অংশ নেন। তাদের হাতে ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি ও ভারতবিরোধী নানা ব্যানার-প্ল্যাকার্ড।

সমাবেশে বক্তারা ভারতের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রসূত’ ও ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। এ সময় পেহেলগাম হামলায় পাকিস্তানের সম্পৃক্ততার দাবি সরাসরি নাকচ করে দেয়া হয়।

সঞ্জয় কুমার বলেন, পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে একতাবদ্ধ। যদি ভারত আগ্রাসনের চেষ্টা করে, তবে পাকিস্তানের এক কোটি হিন্দু সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়াবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বারবার বলেছি, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদে বিশ্বাস করে না। বরং এ ধরনের হামলার মাধ্যমে পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে ভারত।

বক্তৃতায় নারী নেত্রীরা ভারতের পানি চুক্তি স্থগিত করার ঘোষণাকেও মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চুক্তি লঙ্ঘন করে পানি সরবরাহ বন্ধ করার সিদ্ধান্তও একধরনের আগ্রাসন এবং এটি সরাসরি পাকিস্তানের জনগণের মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ।

সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে ভারতের ‘অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ প্রচারণার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আরও জোরদার করা হবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
১৩ বার পঠিত হয়েছে

ভারতের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অভিযোগের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায়ের

আপডেট এর সময় : ০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অভিযোগের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছে পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এ তথ্য জানায়।

বুধবার (১ মে) দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ভারতের ‘ভিত্তিহীন’ দাবি প্রত্যাখ্যান করে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিক্ষোভের আয়োজন করেন বেলুচিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সদস্য সঞ্জয় কুমার। তার নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বিক্ষোভকারীরা কোয়েটা প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন। বিক্ষোভে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে অংশ নেন। তাদের হাতে ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি ও ভারতবিরোধী নানা ব্যানার-প্ল্যাকার্ড।

সমাবেশে বক্তারা ভারতের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রসূত’ ও ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। এ সময় পেহেলগাম হামলায় পাকিস্তানের সম্পৃক্ততার দাবি সরাসরি নাকচ করে দেয়া হয়।

সঞ্জয় কুমার বলেন, পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে একতাবদ্ধ। যদি ভারত আগ্রাসনের চেষ্টা করে, তবে পাকিস্তানের এক কোটি হিন্দু সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়াবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বারবার বলেছি, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদে বিশ্বাস করে না। বরং এ ধরনের হামলার মাধ্যমে পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে ভারত।

বক্তৃতায় নারী নেত্রীরা ভারতের পানি চুক্তি স্থগিত করার ঘোষণাকেও মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চুক্তি লঙ্ঘন করে পানি সরবরাহ বন্ধ করার সিদ্ধান্তও একধরনের আগ্রাসন এবং এটি সরাসরি পাকিস্তানের জনগণের মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ।

সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে ভারতের ‘অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ প্রচারণার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আরও জোরদার করা হবে।