ঢাকা , সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo হরমুজ প্রণালী আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের Logo ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ছাড়লেন ভ্যান্স Logo স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন Logo প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫-১৭টি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে : পররাষ্ট্র সচিব Logo সাবেক আইজিপি বেনজিরকে ফেরাতে নথিপত্র পাঠানো হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo জাতীয় বাজেটে পানিনিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, বড় বিনিয়োগ Logo গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার কেবলই সহায়ক: তথ্যমন্ত্রী Logo শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন শামা ওবায়েদ

আবারও ‘সেঞ্চুরি’ হাঁকালো পেঁয়াজ

প্রতিনিধির নাম :

দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আবার ‘সেঞ্চুরি’ করল পেঁয়াজ। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম আবার ১০০ টাকা ছাড়াল। গতকাল সোমবার রাজধানীর নিউমার্কেট ও শান্তিনগর বাজারসহ বিভিন্ন খুচরাবাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১০০ থেকে ১১০ টাকায়। অন্যদিকে মানভেদে প্রতি কেজি আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। ফলে নতুন করে আবার ভোগান্তিতে পড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষ।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, ভারত আগের এলসির (ঋণপত্র) কিছু পেঁয়াজ ছাড় করায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছিল; কিন্তু নতুন করে আর ভারতীয় পেঁয়াজ আসছে না। এছাড়া দেশি পেঁয়াজের মজুতও এখন শেষের দিকে। ফলে নির্ভর করতে হচ্ছে মিয়ানমার ও মিশর থেকে আসা পেঁয়াজের ওপর; কিন্তু মিয়ানমারের পেঁয়াজের মান ভালো না হওয়ায় ক্রেতাদের আগ্রহ কম। এছাড়া যে পরিমাণ পেঁয়াজ আসছে তা চাহিদার তুলনায় কম।

উল্লেখ্য, ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করলে গত মাসের শেষের দিকে পেঁয়াজের বাজার লাগামহীন হয়ে যায়। এক কেজি পেঁয়াজের দাম ১৩০ টাকায় পৌঁছে যায়। পরে সরকারের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানসহ নানা উদ্যোগে দাম ৭৫ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে এলেও এখন আবার ১১০ টাকায় পৌঁছে গেছে।

গতকাল রাজধানীর সবচেয়ে বড়ো পাইকারিবাজার শ্যামবাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ মানভেদে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হয়। মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। এছাড়া কাওরান বাজারে দেশি পেঁয়াজের পাল্লা (পাঁচ কেজি) বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়। এ হিসেবে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা।

এদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, অক্টোবরের শেষে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা শুরু হলে বাজার স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যবসায়ী অসত্ উপায়ে পেঁয়াজ মজুত করলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশে প্রতি বছর পেঁয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ টন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) হিসাবে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে ২৩ লাখ ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ উত্পাদিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, এই সময়ে আমদানি হয়েছে প্রায় ১০ লাখ ৯২ হাজার টন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, দেশে পেঁয়াজের চাহিদা ও জোগানের কোনো সঠিক হিসাব নেই।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯
৪ বার পঠিত হয়েছে

আবারও ‘সেঞ্চুরি’ হাঁকালো পেঁয়াজ

আপডেট এর সময় : ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯

দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আবার ‘সেঞ্চুরি’ করল পেঁয়াজ। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম আবার ১০০ টাকা ছাড়াল। গতকাল সোমবার রাজধানীর নিউমার্কেট ও শান্তিনগর বাজারসহ বিভিন্ন খুচরাবাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১০০ থেকে ১১০ টাকায়। অন্যদিকে মানভেদে প্রতি কেজি আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। ফলে নতুন করে আবার ভোগান্তিতে পড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষ।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, ভারত আগের এলসির (ঋণপত্র) কিছু পেঁয়াজ ছাড় করায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছিল; কিন্তু নতুন করে আর ভারতীয় পেঁয়াজ আসছে না। এছাড়া দেশি পেঁয়াজের মজুতও এখন শেষের দিকে। ফলে নির্ভর করতে হচ্ছে মিয়ানমার ও মিশর থেকে আসা পেঁয়াজের ওপর; কিন্তু মিয়ানমারের পেঁয়াজের মান ভালো না হওয়ায় ক্রেতাদের আগ্রহ কম। এছাড়া যে পরিমাণ পেঁয়াজ আসছে তা চাহিদার তুলনায় কম।

উল্লেখ্য, ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করলে গত মাসের শেষের দিকে পেঁয়াজের বাজার লাগামহীন হয়ে যায়। এক কেজি পেঁয়াজের দাম ১৩০ টাকায় পৌঁছে যায়। পরে সরকারের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানসহ নানা উদ্যোগে দাম ৭৫ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে এলেও এখন আবার ১১০ টাকায় পৌঁছে গেছে।

গতকাল রাজধানীর সবচেয়ে বড়ো পাইকারিবাজার শ্যামবাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ মানভেদে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হয়। মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। এছাড়া কাওরান বাজারে দেশি পেঁয়াজের পাল্লা (পাঁচ কেজি) বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়। এ হিসেবে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা।

এদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, অক্টোবরের শেষে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা শুরু হলে বাজার স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যবসায়ী অসত্ উপায়ে পেঁয়াজ মজুত করলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশে প্রতি বছর পেঁয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ টন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) হিসাবে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে ২৩ লাখ ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ উত্পাদিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, এই সময়ে আমদানি হয়েছে প্রায় ১০ লাখ ৯২ হাজার টন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, দেশে পেঁয়াজের চাহিদা ও জোগানের কোনো সঠিক হিসাব নেই।