চাঁদপুর নৌ থানা পুলিশের সাথে নদীতে জেলেদের সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ২, আহত ৬, আটক ১৭

মো: বিপ্লব সরকার : গত ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ব্যাপী চাঁদপুরের ষাটনল থেকে র্চআলেকজান্ডার পর্যন্ত ১শ কিলোমিটার এলাকায় নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা সরকার নিষিদ্ধ করার পরও অসাধু জেলেরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীতে অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মা ইলিশ নিধন করছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১টা থেকে চাঁদপুর নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার জমমের আলীর নেতৃত্বে চঁঅদপুর নৌ থানা পুলিশ মেঘনা ও পদ্মা নদীতে অভিযান পরিচালনা করেন। গতকাল ভোর ৬টায় চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের পদ্মা নদীতে অভিযান করাকালে স্থানীয় জেলেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। ইট পাটকেলের আঘাতে নৌ পুলিশের এসআই জাকির হোসেন, নায়েক দেলোয়ার হোসেন, কনস্টেবল শাহরিয়ার, নৌ থানার মাঝি রুবেল (২৬) আহত হয়। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ৫ রাউন্ড শর্টগানের তুলি ছুড়ে। এতে ২ জেলে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। আহত জেলে ও পুলিশদেরকে উদ্ধার করে চাঁদপুর ২৫০ শয্যার সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চাঁদপুর নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার জমশের আলী জানান, আমরা রাত ১টা থেকে নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযানে নেমেছি। সকাল ৬টায় রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের পদ্মা নদীতে অভিযান করাকালে অসাধু জেলেরা আমাদের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। তখন পুলিশ সদস্যরা নিজেদের রক্ষার্থে ৫ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুড়ে। জেলেদের হামলায় আমাদের পুলিশ ও মাঝি সহ ৫ জন আহত হয়। পুলিশের শর্টগানের গুলিতে ২ জেলে আহত হলে তাদেরকে উদ্ধার করে আমরা চিকিৎসার জন্য পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে রেখেছি। এ সময় ৬টি নৌকা, ১৭ জন জেলেকে আটক করেছি। আটককৃতরা হলো রুহুল আমিন (২০), ছাত্তার (২১), হাবিব খান (৩২), ইব্রাহিম (১৮), জসিম (২২), কাউসার (২১), বিজয় (১৮), আইনুল হক (৬০), আল-আমিন (১৮), মিলন বেপারী (৪৫), আমির হোসেন (৫০), সবুজ (২৬), সামছুদ্দিন (১৮), চারু গাজী (৪৫), কামাল হোসেন (৩৮)। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ২ জেলে হলো শরীয়তপুর জেলার চরউনচল্লিশ এর মনির শেখ (৩৫) ও রাজরাজেশ্বরের নাজমুল হোসেন শেখ (২০)। আটককৃতদের বিরুদ্ধে পুলিশের উপর হামলা ও মৎস্য আইনে পৃথক মামলা হয়েছে।


























