ঢাকা , রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo হরমুজ প্রণালী আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের Logo ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ছাড়লেন ভ্যান্স Logo স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন Logo প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫-১৭টি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে : পররাষ্ট্র সচিব Logo সাবেক আইজিপি বেনজিরকে ফেরাতে নথিপত্র পাঠানো হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo জাতীয় বাজেটে পানিনিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, বড় বিনিয়োগ Logo গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার কেবলই সহায়ক: তথ্যমন্ত্রী Logo শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন শামা ওবায়েদ

টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেনের রহস্যজনক আচরন

প্রতিনিধির নাম :

(আসামী পক্ষের নিকট হতে অজানা রহস্যে প্রভাবিত হয়ে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা গ্রহণ করে চুরী হওয়া সরকারী মালামাল গোপণ করতে সহায়তার অভিযোগ উঠেছে, প্রকৃত বরাদ্ধকৃত বিসিকের প্লট অবৈধ দখলদারদের সাথে গোপণ আতাতে অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেনের রহস্যজনক আচরন।)

টঙ্গী বিসিকে এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর মালামাল সহ সরকারী মালামাল চুরী হওয়ার পর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি মামলা রুজু হয়। কোন প্রকার আসামীদেরকে আইনের আওতায় না এনে উল্টো তাদের আসামী পক্ষের নিকট থেকে একটি মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা গ্রহণ করে মূল মামলাকে নষ্ট করার প্রক্রিয়ায় এবং সরকারী মাল যেন আসামীরা গোপন করতে পারে সেই রকম একটি পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করার প্রয়াসে কাউন্টার মামলা হিসাবে এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর মালিক আলী হোসেন সাহেব যার বয়স ৯৫ বছর লন্ডনে থাকে অসুস্থ্য। তাকে সহ এগারো জনের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা চাঁদাবাজ উল্লেখ করে একটি মামলা গ্রহণ করেন। যে মামলা গ্রহণের পূর্বে কোন প্রকার তদন্ত করা হয়নি।

ইতিমধ্যে তার বিভিন্ন বৈষম্যপূর্ণ আইন বহি:ভূত কর্মকান্ডের কারণে তাকে অন্যত্র বদলি করা হবে বলে শোনা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) শিল্প নগরী টঙ্গী, গাজীপুর এর প্লট নং এ- ১০৪ এ স্থাপিত মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্রেব্রিক্স লি: এর ভিতরে কিছু অংশ পাশ্ববর্তী গোল্ডস্টার লি: অবৈধভাবে দখল উচ্ছেদ প্রসঙ্গে এবং সরকারী মালামাল সেই সাথে মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স এর মালামাল চুরী সংক্রান্ত বিষয়ে একটি আবেদন গত ১৬/৫/১৯ ইং ব্যবস্থাপক শিসকে, বিসিক গাজীপুর বরাবর আবেদন করে। আবার বরাবর শিল্প নগরী কর্মকর্তা বিসিক শিল্প নগরী টঙ্গী, গাজীপুর এর নিকটও একটি আবেদন করা হয়।

সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয় বিসিক শিল্প নগরী টঙ্গী গাজীপুর প্লট নং -এ ১০৪ এ স্থাপিত মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর উত্তর পার্শ্ববর্তী গোল্ডস্টার লি: এর মালিকপক্ষ তাদের পিছনের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ করে অবৈধভাবে রাসায়নিক কেমিক্যাল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ এবং অবৈধ ভাবে প্রবেশকারীদের উচ্ছেদ করা হোক মর্মে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে অবৈধ দখলদার গোল্ডস্টার লি: কে উচ্ছেদের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলে, বিসিক সকল বিষয় তদন্ত করে মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীটের ফ্যাব্রিক্স এর আবেদনের সত্যতা পেয়ে তাদের নিজ দায়িত্বে বরাবর অফিসার ইনচার্জ টঙ্গী পূর্ব থানা, জিএমপি, গাজীপুর এর নিকট একটি অভিযোগ দায়ের করেন মো: রফিকুল ইসলাম খান, শিল্প নগরী কর্মকর্তা।

অভিযোগে বিসিক শিল্প নগরী টঙ্গী গাজীপুর এর প্লট নং এ- ১০৪ এ স্থাপিত মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর ভিতরে বিসিক এর কিছু মালামাল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জেলা প্রশাসন থেকে পজেশনের সময় যে মালামাল যে অবস্থায় ছিল তার তালিকা তৈরি করা হয়। বিসিকের পিয়ন মো: জাকির হোসেন নিয়মিত উক্ত শিল্প নগরী দেখাশুনা করেন। কারখানা পরিদর্শন করতে গেলে সেখানে কারখানার দরজার তালা ভাঙ্গা অবস্থায় পাওয়া যায় এবং তালিকাভূক্ত মালামাল থেকে অনেক মাল চুরী হয়ে গেছে বলে প্রমান হয়। উল্টা সেখানে পার্শ্ববর্তী গোল্ডস্টার লি: প্লট নং- এ-৯১২, ১১৩ (পশ্চিমাংশ) বিসিক শিল্পনগরী টঙ্গী গাজীপুরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (১) মো: রেজাউল হোসেন রিপন (২) স্বপন (৩) নায়েব আলী কে উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের সহযোগীতায় মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ কেমিক্যাল ড্রাম, গ্যাস সিলিন্ডার রাখিয়াছে বলে উল্লেখ করা হয়। সর্বমোট চুরী হওয়া মালামালের মূল্য বিশ লক্ষ টাকা নির্ধারন করে নিয়মিত মামলা হিসাবে গ্রহনের আবেদনটিও অফিসার ইনচার্জ আমলে না নিয়ে কোন এক অজানা রহস্যে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে মামলা গ্রহণ করে না।

পরবর্তীতে পুলিশ সুপারের সহযোগীতায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়। প্রশাসনের আচরন আর অবৈধ দখলদার সরকারী মালামাল, চোরের সাথে একটি গোপণ আতাত এর বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে উঠে। একটি বায়নার বিষয়কে কেন্দ্র করে পাশ্ববর্তী গোল্ডস্টার লি: তাদের প্রাপ্য সম্পত্তির চেয়ে অনেক বেশি সম্পত্তি জোর পূবর্ক নিজেদের দখলে নেওয়ার অবিরাম প্রচেষ্টায় মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর কোটি কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করেছে এবং সরকারী তথা বিসিকের মালামাল নষ্ট ও চুরী করে সম্পূর্ণ এলাকায় একটি নৈরাজ্য সৃষ্টি করে রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ফারুক পাঠান সহ আওয়ামীলীগ এর নামদারী কিছু গুন্ডা-পান্ডা দিয়ে বেষ্টনী তৈরি করেছে এই অবৈধ সিন্ডিকেট । কয়েকদিন পর পর এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর সিকিউরিটিদের উপর চালায় অত্যাচার, কখনো পানির লাইন কাটে, কখনো বিদ্যুতের আবার মারধর করে। থানা পুলিশ, অফিসার ইনচার্জ সব নাকী তাদের পকেটে থাকে । তাদের কেউ কিছু করতে পারবে না। পাশ্ববর্তী গোল্ডস্টার লি: এর মালিক রিপনের একাধিক প্লট সহ অনেক অবৈধভাবে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ আছে। গাজীপুর কোনা বাড়িতেও একজন মহিলার জমি হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানা যায়। চলছে অনুসন্ধান। খবরের পিছনের খবর দেখতে চোখ রাখতে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে।

এ বিষয়ে মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: পরিচালক নিপু আক্তার নদীর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ মগের মুল্লুক। আমাদের জায়গা আমাদের ফ্যাক্টরী, তারা জোর করে দখল করতে চায়, ভিতরে তাদের মালামাল রাখে। আমাদের লোকজনকে মারধর করে যা কিছু তাই করে। পুলিশ সব জেনেও কোন ব্যবস্থা নেয় না। অতীব জরুরী ভাবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আমলে নিয়ে একটি সুন্দর ফয়সালা না করলে যেকোন সময় একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানায় আশে পাশের বিভিন্ন ফ্যাক্টরীর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পাল্টাপাল্টি মামলার বিষয় নিয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেনের সাথে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান মামলা সর্ম্পকে তিনি অবহিত নন এবং এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর চুরী হওয়া মামলার আসামীরা কি করে আবার বাদী পক্ষের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দেয়। সেই সাথে এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর মালিক লন্ডন থাকাবস্থায় কি করে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা দেয়। কেন তদন্ত হয়নি এই প্রশ্নে অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন জানান মামলার তদন্ত হয় মামলা হওয়ার পর।

এই বিষয় নিয়ে এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লিঃ এর অন্যতম কর্ণধার পিনু আক্তার নদীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের ফ্যাক্টরি থেকে সরকারী মালামাল সহ আমাদের মালামাল চুরী হওয়ার পর বিসিক কর্মকর্তারা সত্যতা যাচাইয়ের পরেও ওসি কামাল আমাদের মামলা গ্রহন করেনি। পরবর্তীতে সাংবাদিক এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে ওসি অফিসার পাঠিয়ে তদন্ত করে সত্যতা পেয়ে মামলাটি রুজু করে। সব আইন আমাদের জন্য আর চোরেরা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করে। যেখানে আমার নানা আলী হোসেন লন্ডন থাকেন। আমি বরিশাল গ্রামের বাড়িতে থাকি। কোন তদন্ত ছাড়াই আমাদেরকে এক ও দুই নং আসামী করে মোট এগারো জনকে আসামী দিয়ে একটি মিথ্যা মামলা গ্রহন করে ওসি মোটা অঙ্কের টাকা খেয়ে এই মামলা নিয়ে আমাদেরকে হয়রানী করে সরকারী চুরী হওয়া মাল এবং আমাদের ফ্যাক্টরী চোরেরা যেন দখল করতে পারে সেই সুবিধা করে দিয়েছে। আমি পুলিশ প্রশাসনের কাছে এবং ‍উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেনের বিচার দাবি করি।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৯
১০ বার পঠিত হয়েছে

টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেনের রহস্যজনক আচরন

আপডেট এর সময় : ০২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৯

(আসামী পক্ষের নিকট হতে অজানা রহস্যে প্রভাবিত হয়ে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা গ্রহণ করে চুরী হওয়া সরকারী মালামাল গোপণ করতে সহায়তার অভিযোগ উঠেছে, প্রকৃত বরাদ্ধকৃত বিসিকের প্লট অবৈধ দখলদারদের সাথে গোপণ আতাতে অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেনের রহস্যজনক আচরন।)

টঙ্গী বিসিকে এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর মালামাল সহ সরকারী মালামাল চুরী হওয়ার পর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি মামলা রুজু হয়। কোন প্রকার আসামীদেরকে আইনের আওতায় না এনে উল্টো তাদের আসামী পক্ষের নিকট থেকে একটি মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা গ্রহণ করে মূল মামলাকে নষ্ট করার প্রক্রিয়ায় এবং সরকারী মাল যেন আসামীরা গোপন করতে পারে সেই রকম একটি পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করার প্রয়াসে কাউন্টার মামলা হিসাবে এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর মালিক আলী হোসেন সাহেব যার বয়স ৯৫ বছর লন্ডনে থাকে অসুস্থ্য। তাকে সহ এগারো জনের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা চাঁদাবাজ উল্লেখ করে একটি মামলা গ্রহণ করেন। যে মামলা গ্রহণের পূর্বে কোন প্রকার তদন্ত করা হয়নি।

ইতিমধ্যে তার বিভিন্ন বৈষম্যপূর্ণ আইন বহি:ভূত কর্মকান্ডের কারণে তাকে অন্যত্র বদলি করা হবে বলে শোনা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) শিল্প নগরী টঙ্গী, গাজীপুর এর প্লট নং এ- ১০৪ এ স্থাপিত মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্রেব্রিক্স লি: এর ভিতরে কিছু অংশ পাশ্ববর্তী গোল্ডস্টার লি: অবৈধভাবে দখল উচ্ছেদ প্রসঙ্গে এবং সরকারী মালামাল সেই সাথে মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স এর মালামাল চুরী সংক্রান্ত বিষয়ে একটি আবেদন গত ১৬/৫/১৯ ইং ব্যবস্থাপক শিসকে, বিসিক গাজীপুর বরাবর আবেদন করে। আবার বরাবর শিল্প নগরী কর্মকর্তা বিসিক শিল্প নগরী টঙ্গী, গাজীপুর এর নিকটও একটি আবেদন করা হয়।

সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয় বিসিক শিল্প নগরী টঙ্গী গাজীপুর প্লট নং -এ ১০৪ এ স্থাপিত মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর উত্তর পার্শ্ববর্তী গোল্ডস্টার লি: এর মালিকপক্ষ তাদের পিছনের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ করে অবৈধভাবে রাসায়নিক কেমিক্যাল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ এবং অবৈধ ভাবে প্রবেশকারীদের উচ্ছেদ করা হোক মর্মে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে অবৈধ দখলদার গোল্ডস্টার লি: কে উচ্ছেদের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলে, বিসিক সকল বিষয় তদন্ত করে মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীটের ফ্যাব্রিক্স এর আবেদনের সত্যতা পেয়ে তাদের নিজ দায়িত্বে বরাবর অফিসার ইনচার্জ টঙ্গী পূর্ব থানা, জিএমপি, গাজীপুর এর নিকট একটি অভিযোগ দায়ের করেন মো: রফিকুল ইসলাম খান, শিল্প নগরী কর্মকর্তা।

অভিযোগে বিসিক শিল্প নগরী টঙ্গী গাজীপুর এর প্লট নং এ- ১০৪ এ স্থাপিত মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর ভিতরে বিসিক এর কিছু মালামাল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জেলা প্রশাসন থেকে পজেশনের সময় যে মালামাল যে অবস্থায় ছিল তার তালিকা তৈরি করা হয়। বিসিকের পিয়ন মো: জাকির হোসেন নিয়মিত উক্ত শিল্প নগরী দেখাশুনা করেন। কারখানা পরিদর্শন করতে গেলে সেখানে কারখানার দরজার তালা ভাঙ্গা অবস্থায় পাওয়া যায় এবং তালিকাভূক্ত মালামাল থেকে অনেক মাল চুরী হয়ে গেছে বলে প্রমান হয়। উল্টা সেখানে পার্শ্ববর্তী গোল্ডস্টার লি: প্লট নং- এ-৯১২, ১১৩ (পশ্চিমাংশ) বিসিক শিল্পনগরী টঙ্গী গাজীপুরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (১) মো: রেজাউল হোসেন রিপন (২) স্বপন (৩) নায়েব আলী কে উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের সহযোগীতায় মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ কেমিক্যাল ড্রাম, গ্যাস সিলিন্ডার রাখিয়াছে বলে উল্লেখ করা হয়। সর্বমোট চুরী হওয়া মালামালের মূল্য বিশ লক্ষ টাকা নির্ধারন করে নিয়মিত মামলা হিসাবে গ্রহনের আবেদনটিও অফিসার ইনচার্জ আমলে না নিয়ে কোন এক অজানা রহস্যে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে মামলা গ্রহণ করে না।

পরবর্তীতে পুলিশ সুপারের সহযোগীতায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়। প্রশাসনের আচরন আর অবৈধ দখলদার সরকারী মালামাল, চোরের সাথে একটি গোপণ আতাত এর বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে উঠে। একটি বায়নার বিষয়কে কেন্দ্র করে পাশ্ববর্তী গোল্ডস্টার লি: তাদের প্রাপ্য সম্পত্তির চেয়ে অনেক বেশি সম্পত্তি জোর পূবর্ক নিজেদের দখলে নেওয়ার অবিরাম প্রচেষ্টায় মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর কোটি কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করেছে এবং সরকারী তথা বিসিকের মালামাল নষ্ট ও চুরী করে সম্পূর্ণ এলাকায় একটি নৈরাজ্য সৃষ্টি করে রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ফারুক পাঠান সহ আওয়ামীলীগ এর নামদারী কিছু গুন্ডা-পান্ডা দিয়ে বেষ্টনী তৈরি করেছে এই অবৈধ সিন্ডিকেট । কয়েকদিন পর পর এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর সিকিউরিটিদের উপর চালায় অত্যাচার, কখনো পানির লাইন কাটে, কখনো বিদ্যুতের আবার মারধর করে। থানা পুলিশ, অফিসার ইনচার্জ সব নাকী তাদের পকেটে থাকে । তাদের কেউ কিছু করতে পারবে না। পাশ্ববর্তী গোল্ডস্টার লি: এর মালিক রিপনের একাধিক প্লট সহ অনেক অবৈধভাবে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ আছে। গাজীপুর কোনা বাড়িতেও একজন মহিলার জমি হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানা যায়। চলছে অনুসন্ধান। খবরের পিছনের খবর দেখতে চোখ রাখতে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে।

এ বিষয়ে মেসার্স এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: পরিচালক নিপু আক্তার নদীর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ মগের মুল্লুক। আমাদের জায়গা আমাদের ফ্যাক্টরী, তারা জোর করে দখল করতে চায়, ভিতরে তাদের মালামাল রাখে। আমাদের লোকজনকে মারধর করে যা কিছু তাই করে। পুলিশ সব জেনেও কোন ব্যবস্থা নেয় না। অতীব জরুরী ভাবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আমলে নিয়ে একটি সুন্দর ফয়সালা না করলে যেকোন সময় একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানায় আশে পাশের বিভিন্ন ফ্যাক্টরীর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পাল্টাপাল্টি মামলার বিষয় নিয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেনের সাথে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান মামলা সর্ম্পকে তিনি অবহিত নন এবং এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর চুরী হওয়া মামলার আসামীরা কি করে আবার বাদী পক্ষের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দেয়। সেই সাথে এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লি: এর মালিক লন্ডন থাকাবস্থায় কি করে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা দেয়। কেন তদন্ত হয়নি এই প্রশ্নে অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন জানান মামলার তদন্ত হয় মামলা হওয়ার পর।

এই বিষয় নিয়ে এ্যাংলো এশিয়ান নীট ফ্যাব্রিক্স লিঃ এর অন্যতম কর্ণধার পিনু আক্তার নদীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের ফ্যাক্টরি থেকে সরকারী মালামাল সহ আমাদের মালামাল চুরী হওয়ার পর বিসিক কর্মকর্তারা সত্যতা যাচাইয়ের পরেও ওসি কামাল আমাদের মামলা গ্রহন করেনি। পরবর্তীতে সাংবাদিক এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে ওসি অফিসার পাঠিয়ে তদন্ত করে সত্যতা পেয়ে মামলাটি রুজু করে। সব আইন আমাদের জন্য আর চোরেরা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করে। যেখানে আমার নানা আলী হোসেন লন্ডন থাকেন। আমি বরিশাল গ্রামের বাড়িতে থাকি। কোন তদন্ত ছাড়াই আমাদেরকে এক ও দুই নং আসামী করে মোট এগারো জনকে আসামী দিয়ে একটি মিথ্যা মামলা গ্রহন করে ওসি মোটা অঙ্কের টাকা খেয়ে এই মামলা নিয়ে আমাদেরকে হয়রানী করে সরকারী চুরী হওয়া মাল এবং আমাদের ফ্যাক্টরী চোরেরা যেন দখল করতে পারে সেই সুবিধা করে দিয়েছে। আমি পুলিশ প্রশাসনের কাছে এবং ‍উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেনের বিচার দাবি করি।