ঢাকা , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo আত-তানযীল ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে সীরাত অলিম্পিয়াড ছোটদের হৃদয়ে নবীপ্রেম প্রতিপাদ্যে প্রাণবন্ত আয়োজন ২০২৬  Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি Logo সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারল বাংলাদেশ ‘এ’ Logo নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে Logo কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা Logo পাকিস্তানের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ শিশুর মৃত্যু Logo বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

দুই ফসলি জমিতে চাষ করা যাবে তিন ফসল

প্রতিনিধির নাম :

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা
এখন থেকে দুই ফসলি জমিতে চাষ করা যাবে তিনটি ফসল। দুই ধান চাষাবাদের জমিতে দুটি ধানের চাষের মধ্যবর্তী সময়ে মাত্র ৮০ দিনের মধ্যেই উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা ঘরে তুলতে পারবেন চাষিরা। এমনকি দেশী জাতের চাইতে বিঘা প্রতি ২-৩ মণ করে বেশি সরিষার ফলন পাওয়া যাবে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাত বিনা সরিষা-১১ জাতের সরিষায়।

রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাঙ্গায় মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে এসব তথ্য দেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কৃষি বিভাগের কর্মকতারা জানান, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাত বিনা সরিষা-১১ রোপনের ৮০-৮৩ দিনের মধ্যেই ফলন দেয়। পাশাপাশি এর গাছ বড় হওয়ায় জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার উপযোগী। এমনকি দেশী জাতের সরিষার তুলনায় এর রোগ-বালাই অনেক কম। দেশী জাতের সরিষা যেখানে বিঘা প্রতি ৩-৪ মণ ফলন দেয়, সেখানে বিনা-১১ জাত বিঘা প্রতি ৬ মণ সরিষা উৎপাদন হয়।

 

সেচের পানি পেয়ে মৌলভীবাজারের হাওড়গুলোতে বোরো চাষের ধুম:

মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বিনার মহাপরিচালক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ। এসময় তিনি বলেন, ভোজ্য তোলের চাহিদা মেটাতে সবচেয়ে ভালো বিকল্প হতে পারে সরিষা চাষ। তাই সরিষার চাষাবাদ বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে উচ্চ ফলনশীল বিনা সরিষা-১১ কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। কারন এই জাতটি যেমন একদিকে ফলন বেশি দেয়, তেমনি রোগবালাইও কম।

মাঠ দিবসে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. পলাশ সরকার উপস্থিত কৃষকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, জমিতে সারের দাম কম বলে অতিরিক্ত প্রয়োগ করা যাবে না। কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে সঠিক নিয়মে সঠিক পরিমাণে সার প্রয়োগ করবেন। কারণ অতিরিক্ত সার প্রয়োগে মাটির গুণাগুণ নষ্ট হয়। সয়াবিনে তেল কেমিকেল দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি বিভিন্ন রকম ক্যানসারের কারণ। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর বিকল্প হতে পারে সরিষার তেল। সরিষার তেল সব খাবারে ব্যবহার করা যায়। তবে নতুন জাতগুলো চাষাবাদ করতে হবে। কারন এসব জাত উচ্চ ফলনশীল।

তিন ফসলি জমি রক্ষায় প্রতিবাদ তাদের, দিয়েছেন স্মারকলিপি:

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপকেন্দ্র মাঠ দিবসের আয়োজন করে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের গোয়ালডুবি গ্রামে এই মাঠ দিবস আয়োজন করা হয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. পলাশ সরকারের সভাপতিত্বে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহবুবুল আলম তরফদার, উপ-প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মো. আজাদুল হক, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সুনাইন বিন জামান।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
২১ বার পঠিত হয়েছে

দুই ফসলি জমিতে চাষ করা যাবে তিন ফসল

আপডেট এর সময় : ০১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা
এখন থেকে দুই ফসলি জমিতে চাষ করা যাবে তিনটি ফসল। দুই ধান চাষাবাদের জমিতে দুটি ধানের চাষের মধ্যবর্তী সময়ে মাত্র ৮০ দিনের মধ্যেই উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা ঘরে তুলতে পারবেন চাষিরা। এমনকি দেশী জাতের চাইতে বিঘা প্রতি ২-৩ মণ করে বেশি সরিষার ফলন পাওয়া যাবে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাত বিনা সরিষা-১১ জাতের সরিষায়।

রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাঙ্গায় মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে এসব তথ্য দেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কৃষি বিভাগের কর্মকতারা জানান, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাত বিনা সরিষা-১১ রোপনের ৮০-৮৩ দিনের মধ্যেই ফলন দেয়। পাশাপাশি এর গাছ বড় হওয়ায় জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার উপযোগী। এমনকি দেশী জাতের সরিষার তুলনায় এর রোগ-বালাই অনেক কম। দেশী জাতের সরিষা যেখানে বিঘা প্রতি ৩-৪ মণ ফলন দেয়, সেখানে বিনা-১১ জাত বিঘা প্রতি ৬ মণ সরিষা উৎপাদন হয়।

 

সেচের পানি পেয়ে মৌলভীবাজারের হাওড়গুলোতে বোরো চাষের ধুম:

মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বিনার মহাপরিচালক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ। এসময় তিনি বলেন, ভোজ্য তোলের চাহিদা মেটাতে সবচেয়ে ভালো বিকল্প হতে পারে সরিষা চাষ। তাই সরিষার চাষাবাদ বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে উচ্চ ফলনশীল বিনা সরিষা-১১ কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। কারন এই জাতটি যেমন একদিকে ফলন বেশি দেয়, তেমনি রোগবালাইও কম।

মাঠ দিবসে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. পলাশ সরকার উপস্থিত কৃষকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, জমিতে সারের দাম কম বলে অতিরিক্ত প্রয়োগ করা যাবে না। কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে সঠিক নিয়মে সঠিক পরিমাণে সার প্রয়োগ করবেন। কারণ অতিরিক্ত সার প্রয়োগে মাটির গুণাগুণ নষ্ট হয়। সয়াবিনে তেল কেমিকেল দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি বিভিন্ন রকম ক্যানসারের কারণ। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর বিকল্প হতে পারে সরিষার তেল। সরিষার তেল সব খাবারে ব্যবহার করা যায়। তবে নতুন জাতগুলো চাষাবাদ করতে হবে। কারন এসব জাত উচ্চ ফলনশীল।

তিন ফসলি জমি রক্ষায় প্রতিবাদ তাদের, দিয়েছেন স্মারকলিপি:

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপকেন্দ্র মাঠ দিবসের আয়োজন করে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের গোয়ালডুবি গ্রামে এই মাঠ দিবস আয়োজন করা হয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. পলাশ সরকারের সভাপতিত্বে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহবুবুল আলম তরফদার, উপ-প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মো. আজাদুল হক, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সুনাইন বিন জামান।