নৗ পুলিশের সাথে জেলেদের সংঘর্ষ

চাঁদপুর ॥ গত ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ব্যাপী চাঁদপুরের ষাটনল থেকে র্চআলেকজান্ডার পর্যন্ত ১শ কিলোমিটার এলাকায় নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা সরকার নিষিদ্ধ করার পরও অসাধু জেলেরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীতে অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মা ইলিশ নিধন করছে। গতকাল বুধবার সকালে চাঁদপুর নৌ থানা পুলিশ রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের পদ্মা নদীতে অভিযান করতে গেলে জেলেরা পুলিশদের স্পীডবোর্ড ঘিরে রাখে। এক পর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে জেলে নৌকায় থাকা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশ সদস্য সোহেল ও শিমুল আহত হয়। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অলিদুজ্জামান ও উজ্জ্বল হোসাইন পুলিশ সদস্যদের নিয়ে জেলে নৌকা ধাওয়া করে ৯ জেলেকে আটক করে। আটককৃত এই ৯ জেলে হলো রহিম হাওলাদার (২২), তাজুল হাওলাদার (২৩), খালেক (১৯), আব্দুল হাউদ (১৭), শরিফুল ইসলাম (৩২), আব্দুর রহমান (১৮), আলমগীর রাড়ী (৩৭), জাহাঙ্গীর হাউদ (৩৫) ও আল-আমিন হাউদ (১৭)। এ ব্যাপারে চাঁদপুর নৌ থানার উপ-পরিদর্শক মোরশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় এদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। অপরদিকে চাঁদপুর নৌ থানার উপ-পরিদর্শক হাসান নদীতে অভিযান চালিয়ে ৮ জেলেকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলো রাজরাজেশ্বরের নলকান্দির আক্তার প্রধানীয়া, আরিফ উল্লাহ মিজি (৩৫), আলাউদ্দিন (৪০), চরমুথ গ্রামের আব্দুল আলী গাজী (২২), আবুল হোসেন (৩৫), কালু (২৬), টিলা বাড়ি এলাকার হাসান মোল্লা (৪০) ও হারুন মিজি (৪০)। অপরদিকে আলুর বাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে আরও একটি অভিযান পরিচালিত হয়। ওই অভিযানে ৭ জন জেলেকে আটক করা হয়। এরা হলো শরীয়তপুরের ডামুড্ডার সামছুল হক (৫৫), গোসাইর হাটের ইয়াছিন বেপারী (৫০), কোদালপুরের শুক্কুর আলী (১৮), জসিম (১৮), নিলয় প্রকাশ নূরে আলম (২০), আব্দুল গণি সরদার (৫৫), মনির হোসেন (১৮)। এদেরকে রাত সাড়ে ৩টায় আটক করা হয়। এ ১৫ জন জেলেকে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অলিদুজ্জামান ভ্রাম্যমান আদালতের সাধ্যমে ১ বছর করে সশ্রম কারাদ- দিয়েছে। এই পৃথক ৩টি অভিযানে ১ লাখ ১৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ৬৬ কেজি মা ইলিশ ও ২টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্ধ করা হয়। জব্ধকৃত মা ইলিশগুলো এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।


























