ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম Logo ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল Logo স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আয়রন ব্রীজের বেহাল দশা – ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকাবাসীর দুর্ভোগ।

প্রতিনিধির নাম :

 

মোঃ রিয়াজ হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টারঃ  পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৩ নং আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ২ নং ময়দা ওয়ার্ডের “হক মল্লিক” বাজার সংলগ্ন। উত্তর ছৈলাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের এই লোহার আয়রন ব্রীজটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দীর্ঘ দিন যাবৎ পড়ে আছে ।

এই লোহার আয়রন ব্রীজটি দিয়ে উত্তর ছৈলাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও ৩ নং ওয়ার্ডে অনেক লোকজন প্রতিদিন যাতায়াত করে। তাই যাতায়তকৃত এই আয়রন ব্রীজটি যেন তাদের জন্য মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে।যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।এলাকাবাসী জানান, ব্রীজটির উপরে পাটা না থাকায় চলাচলের জন্য ব্রীজটির উপর দিয়ে চলাচল করতে খুব কষ্টকর। ফলে যাতায়াতে দূর্ভোগ পোহাচ্ছে এই এলাকার শতকেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রীসহ গ্রামের হাজারও মানুষ ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রীজটির সবগুলো পাটা ভেঙ্গে সম্পূর্ণভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে।স্থানীয় প্রশাসন ও জন-প্রতিনিধিরা মেরামতের কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় ব্রীজটির এমন বেহাল দশা বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু লোক।
আরিফ নামে একজন বলেন, ব্রীজটি পার হয়ে বিদ্যালয়ে বা বাজারে যেতে খুবই ভয় লাগে। এখানে একটি নতুন ব্রীজ হলে আমাদের ভালো হতো। ব্রীজটির স্লিপার না থাকায় যানবাহন পারাপারতো দূরের কথা কোন মতে গাছ দিয়ে আমরা চলাচল করি। ব্রীজটি ভাঙ্গা থাকায় প্রায় অনেক পথ ঘুরে আমাদের মূল সড়কে উঠতে হয়। বিশেষ করে মহিলা, শিশু ও রোগীদের দূর্ভোগের শেষ থাকে না।উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খাঁন মোঃ আবু বকর সিদ্দিকী জানান, ভাঙ্গা ব্রীজের পরিবর্তে এলাকার লোকজনের যোগযোগের সুবিধার্থে অতিশ্রীঘ্রই একটি নতুন ব্রীজ নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে ব্যবস্থা করা হবে।উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সুলতান হোসেন জানান, এব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খাঁন মোঃ আবুবকর সিদ্দিকী আমাকে জানিয়েছেন। আমি শীঘ্রই উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো যাতে এখানে একটি নতুন ব্রীজ দেয়া যায়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯
১৮ বার পঠিত হয়েছে

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আয়রন ব্রীজের বেহাল দশা – ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকাবাসীর দুর্ভোগ।

আপডেট এর সময় : ১২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯

 

মোঃ রিয়াজ হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টারঃ  পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৩ নং আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ২ নং ময়দা ওয়ার্ডের “হক মল্লিক” বাজার সংলগ্ন। উত্তর ছৈলাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের এই লোহার আয়রন ব্রীজটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দীর্ঘ দিন যাবৎ পড়ে আছে ।

এই লোহার আয়রন ব্রীজটি দিয়ে উত্তর ছৈলাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও ৩ নং ওয়ার্ডে অনেক লোকজন প্রতিদিন যাতায়াত করে। তাই যাতায়তকৃত এই আয়রন ব্রীজটি যেন তাদের জন্য মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে।যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।এলাকাবাসী জানান, ব্রীজটির উপরে পাটা না থাকায় চলাচলের জন্য ব্রীজটির উপর দিয়ে চলাচল করতে খুব কষ্টকর। ফলে যাতায়াতে দূর্ভোগ পোহাচ্ছে এই এলাকার শতকেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রীসহ গ্রামের হাজারও মানুষ ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রীজটির সবগুলো পাটা ভেঙ্গে সম্পূর্ণভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে।স্থানীয় প্রশাসন ও জন-প্রতিনিধিরা মেরামতের কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় ব্রীজটির এমন বেহাল দশা বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু লোক।
আরিফ নামে একজন বলেন, ব্রীজটি পার হয়ে বিদ্যালয়ে বা বাজারে যেতে খুবই ভয় লাগে। এখানে একটি নতুন ব্রীজ হলে আমাদের ভালো হতো। ব্রীজটির স্লিপার না থাকায় যানবাহন পারাপারতো দূরের কথা কোন মতে গাছ দিয়ে আমরা চলাচল করি। ব্রীজটি ভাঙ্গা থাকায় প্রায় অনেক পথ ঘুরে আমাদের মূল সড়কে উঠতে হয়। বিশেষ করে মহিলা, শিশু ও রোগীদের দূর্ভোগের শেষ থাকে না।উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খাঁন মোঃ আবু বকর সিদ্দিকী জানান, ভাঙ্গা ব্রীজের পরিবর্তে এলাকার লোকজনের যোগযোগের সুবিধার্থে অতিশ্রীঘ্রই একটি নতুন ব্রীজ নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে ব্যবস্থা করা হবে।উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সুলতান হোসেন জানান, এব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খাঁন মোঃ আবুবকর সিদ্দিকী আমাকে জানিয়েছেন। আমি শীঘ্রই উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো যাতে এখানে একটি নতুন ব্রীজ দেয়া যায়।