ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইসরাইল-লেবাননের চুক্তির বিরুদ্ধে বৈরুতের রাস্তায় হিজবুল্লাহ সমর্থকদের বিক্ষোভ Logo বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি অন্তত ৩২, আহত ৭ শতাধিক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠকে নদী ব্যবস্থাপনায় ঐকমত্য Logo পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় অংশীদার হতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা Logo তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে

বাংলাদেশের হাটঘাট থেকে ইজারা প্রথা বাতিল করতে হবে

প্রতিনিধির নাম :

জেলা প্রতিনিধি: বাংলাদেশের হাটঘাটে ইজারা প্রথা বাতিল করতে হবে। যে কৃষকের শ্রমে ঘামে ফসল উৎপন্ন হয় সেই কৃষকের জন্য কালা আইন বীজ বিপনন ও কৃষি বীজ আইন ২০১৮ বাতিল করতে হবে। সরকার কৃষকের নামে প্রতি বছর ভর্তুকী হিসেবে ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে আমার কৃষককে না দিয়ে, বিদেশী করপোরেশন বিভাগকে দেয়।

যেখানে আমার কৃষককে মাত্র ৫০০ টাকা ঋণের জন্য আইন শৃংখলা বাহিনী কোমড়ে দড়ি বেঁধে নিয়ে যায়। রবিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার জোড়গাছ বাজার সংলগ্ন ব্রহ্মপূত্র নদ তীরবর্তী শফিউল আলম রাজা স্টেডিয়াম মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক এডভোকেট হাসনাত কাইয়ূম। তিনি আরো বলেন, ‘সবচাইতে বেশী খাজনা তোলা হয় খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকে অদৃশ্য খাজনা হিসেবে। প্রত্যেকটা প্রয়োজনীয় জিনিষ থেকে সরকার প্রতি বছর ৮ লক্ষ কোটি টাকা খাজনা তুলে নেয়। এই খাজনা তুলে নিয়ে উপদেষ্টারা এখন নাকি হেলিকপ্টারে চড়ে বেড়ায়।

কৃষকের খাজনার টাকা দিয়ে আফিসারদের গাড়ি কিনে দেয়া হয়। তারা গাড়ি চালায়, তাদেরকে তেল কিনে দেয়া হয়। ঢাকা শহরে দুইতলা তিনতলা রাস্তা নির্মানে যোগান দেয়া হয় বলে জানান তিনি। মহাসমাবেশে উত্তরবঙ্গ কৃষক মহাসমাবেশ কমিটির আহবায়ক নাহিদ হাসান নলেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, নগর পরিকল্পনাবিদ নিয়াজ রহমান, শিক্ষা ও শিশু সুরক্ষা আইন (শিশির) এর আহবায়ক রাখাল রাহা, অর্থনীতিবিদ দিদারুল ভূইয়া, অনুষ্ঠানের সদর্স্য সচীব আমিনুল ইসলাম বীর, চিলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম সাবু, প্রেসক্লাব চিলমারীর সভাপতি মনিরুল আলম লিটু, চিলমারী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সাওরাত হোসেন সোহেল প্রমূখ। বক্তারা বলেন, দেশ ভাগের পর বিভিন্ন আন্দোলনে কৃষকরা প্রাণ দিলেও সেই কৃষককে কোন সরকার মর্যাদা দেয় নাই।

তাদের রক্ত চুষে সরকাররা বিদেশী কোম্পনাী গুলোকে সুবিধা দিলেও আমাদের কৃষককে সব সময় বঞ্চিত থাকতে হয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানী গুলো এখন সার-বীজ-কীটনাশকের ব্যবসা করে জমির উর্ভরতা নষ্ট করলেও সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনী পদক্ষেপ নেয় নাই। এখানকার তাঁতী-জেলে-কৃষক সমাজ মহাজনদের হাতে জিম্মি হয়ে আছেন। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশকে বাঁচাতে হলে আমাদের ১২দফা দাবী মেনে নিতে হবে। তাহলে অন্তর্বতী সরকারের যে সংস্কার আইন পরিকল্পনা রয়েছে তা বাস্তবায়ন হবে। কখনোই কৃষককে বাদ দিয়ে সংস্কার আইন আমরা মেনে নিবো না, মেনে নিতে পারি না। দাবি বাস্তবায়নে উত্তরবঙ্গ মহাসমাবেশ হাওর-বাওরসহ সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানান তারা।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫
৫ বার পঠিত হয়েছে

বাংলাদেশের হাটঘাট থেকে ইজারা প্রথা বাতিল করতে হবে

আপডেট এর সময় : ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

জেলা প্রতিনিধি: বাংলাদেশের হাটঘাটে ইজারা প্রথা বাতিল করতে হবে। যে কৃষকের শ্রমে ঘামে ফসল উৎপন্ন হয় সেই কৃষকের জন্য কালা আইন বীজ বিপনন ও কৃষি বীজ আইন ২০১৮ বাতিল করতে হবে। সরকার কৃষকের নামে প্রতি বছর ভর্তুকী হিসেবে ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে আমার কৃষককে না দিয়ে, বিদেশী করপোরেশন বিভাগকে দেয়।

যেখানে আমার কৃষককে মাত্র ৫০০ টাকা ঋণের জন্য আইন শৃংখলা বাহিনী কোমড়ে দড়ি বেঁধে নিয়ে যায়। রবিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার জোড়গাছ বাজার সংলগ্ন ব্রহ্মপূত্র নদ তীরবর্তী শফিউল আলম রাজা স্টেডিয়াম মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক এডভোকেট হাসনাত কাইয়ূম। তিনি আরো বলেন, ‘সবচাইতে বেশী খাজনা তোলা হয় খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকে অদৃশ্য খাজনা হিসেবে। প্রত্যেকটা প্রয়োজনীয় জিনিষ থেকে সরকার প্রতি বছর ৮ লক্ষ কোটি টাকা খাজনা তুলে নেয়। এই খাজনা তুলে নিয়ে উপদেষ্টারা এখন নাকি হেলিকপ্টারে চড়ে বেড়ায়।

কৃষকের খাজনার টাকা দিয়ে আফিসারদের গাড়ি কিনে দেয়া হয়। তারা গাড়ি চালায়, তাদেরকে তেল কিনে দেয়া হয়। ঢাকা শহরে দুইতলা তিনতলা রাস্তা নির্মানে যোগান দেয়া হয় বলে জানান তিনি। মহাসমাবেশে উত্তরবঙ্গ কৃষক মহাসমাবেশ কমিটির আহবায়ক নাহিদ হাসান নলেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, নগর পরিকল্পনাবিদ নিয়াজ রহমান, শিক্ষা ও শিশু সুরক্ষা আইন (শিশির) এর আহবায়ক রাখাল রাহা, অর্থনীতিবিদ দিদারুল ভূইয়া, অনুষ্ঠানের সদর্স্য সচীব আমিনুল ইসলাম বীর, চিলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম সাবু, প্রেসক্লাব চিলমারীর সভাপতি মনিরুল আলম লিটু, চিলমারী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সাওরাত হোসেন সোহেল প্রমূখ। বক্তারা বলেন, দেশ ভাগের পর বিভিন্ন আন্দোলনে কৃষকরা প্রাণ দিলেও সেই কৃষককে কোন সরকার মর্যাদা দেয় নাই।

তাদের রক্ত চুষে সরকাররা বিদেশী কোম্পনাী গুলোকে সুবিধা দিলেও আমাদের কৃষককে সব সময় বঞ্চিত থাকতে হয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানী গুলো এখন সার-বীজ-কীটনাশকের ব্যবসা করে জমির উর্ভরতা নষ্ট করলেও সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনী পদক্ষেপ নেয় নাই। এখানকার তাঁতী-জেলে-কৃষক সমাজ মহাজনদের হাতে জিম্মি হয়ে আছেন। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশকে বাঁচাতে হলে আমাদের ১২দফা দাবী মেনে নিতে হবে। তাহলে অন্তর্বতী সরকারের যে সংস্কার আইন পরিকল্পনা রয়েছে তা বাস্তবায়ন হবে। কখনোই কৃষককে বাদ দিয়ে সংস্কার আইন আমরা মেনে নিবো না, মেনে নিতে পারি না। দাবি বাস্তবায়নে উত্তরবঙ্গ মহাসমাবেশ হাওর-বাওরসহ সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানান তারা।