ঢাকা , শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo নাগোয়ায় টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন তারেক রহমান Logo বালুরমাঠে এসআরবির অভিযান, গাঁজাসহ আটক ৪ Logo কাজাখস্তানকে হারিয়ে আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনালি সাফল্য Logo ইনানীতে ৩২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে গ্যাসের আগুন, গ্যাসকূপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বাপেক্স Logo রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান তারেক রহমান Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান Logo শিশু-কিশোরদের ক্ষতির অভিযোগে মেটা-স্ন্যাপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন মামলা Logo তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর Logo ইয়েমেনে জ্বালানি ও অক্সিজেন সংকটে হাসপাতাল, ঝুঁকিতে রোগীরা

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ঋণচুক্তি সই

প্রতিনিধির নাম :

ঢাকা: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৪৫০ কোটি ডলারের তৃতীয় ক্রেডিট লাইন (এলওসি) চুক্তি সই হয়েছে। বুধবার (৪ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১১টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাওঁয়ে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং ঢাকা সফররত ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি।

৪৫০ কোটি ডলারের এই ঋণ আগের ঋণগুলোর মতোই হবে কঠিন শর্তের। এ ঋণের অনুকূলে গৃহীত প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ পণ্য বা সেবা ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে আনতে হবে। এছাড়া কমিটমেন্ট ফি, গ্রেস পিরিয়ডসহ পরিশোধের সময় কমসহ ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এর আগে এই শর্তে আরো দু’বার ঋণ নিয়েছে সরকার। কিন্তু তৃতীয় দফায় কমিটমেন্ট চার্জ কমানোসহ শর্ত শিথিলের অনুরোধ করে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে জানানো হয় এ নিয়ে ভারতের সঙ্গে নেগোশিয়েশন করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভারতের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হয়নি।

এই ঋণের অর্থ ব্যবহারে মোট ১৭ প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে। এর আগে তৃতীয় দফার এ ঋণ চুক্তির শর্ত শিথিলের বিষয় নিয়ে উভয় দেশের প্রতিনিধি দলের আলোচনা হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘কমিটমেন্ট ফি’ (প্রতিশ্রুতি ফি) শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ বাতিল ও প্রথম এলওসির মতো কিছু অংশ অনুদান দেয়ার দাবি জানানো হয়। ভারতীয় প্রতিনিধি দল এসব দাবি ভেবে দেখবে বলে জানায়। যা পরে আর জানানো হয়নি।

গত এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে বাংলাদেশের জন্য ৪৫০ কোটি ডলারের একটি ভারতীয় ক্রেডিট লাইনের ঘোষণা দেয়া হয়। এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে ভারতের দেয়া সর্বমোট ক্রেডিট লাইনের পরিমাণ দাঁড়ালো ৮০০ কোটি ডলার। তৃতীয় ডলার ক্রেডিট লাইন চুক্তি স্বাক্ষরে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার ভিত্তিক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জন করবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১০:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০১৭
২৫ বার পঠিত হয়েছে

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ঋণচুক্তি সই

আপডেট এর সময় : ১০:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০১৭

ঢাকা: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৪৫০ কোটি ডলারের তৃতীয় ক্রেডিট লাইন (এলওসি) চুক্তি সই হয়েছে। বুধবার (৪ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১১টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাওঁয়ে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং ঢাকা সফররত ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি।

৪৫০ কোটি ডলারের এই ঋণ আগের ঋণগুলোর মতোই হবে কঠিন শর্তের। এ ঋণের অনুকূলে গৃহীত প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ পণ্য বা সেবা ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে আনতে হবে। এছাড়া কমিটমেন্ট ফি, গ্রেস পিরিয়ডসহ পরিশোধের সময় কমসহ ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এর আগে এই শর্তে আরো দু’বার ঋণ নিয়েছে সরকার। কিন্তু তৃতীয় দফায় কমিটমেন্ট চার্জ কমানোসহ শর্ত শিথিলের অনুরোধ করে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে জানানো হয় এ নিয়ে ভারতের সঙ্গে নেগোশিয়েশন করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভারতের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হয়নি।

এই ঋণের অর্থ ব্যবহারে মোট ১৭ প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে। এর আগে তৃতীয় দফার এ ঋণ চুক্তির শর্ত শিথিলের বিষয় নিয়ে উভয় দেশের প্রতিনিধি দলের আলোচনা হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘কমিটমেন্ট ফি’ (প্রতিশ্রুতি ফি) শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ বাতিল ও প্রথম এলওসির মতো কিছু অংশ অনুদান দেয়ার দাবি জানানো হয়। ভারতীয় প্রতিনিধি দল এসব দাবি ভেবে দেখবে বলে জানায়। যা পরে আর জানানো হয়নি।

গত এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে বাংলাদেশের জন্য ৪৫০ কোটি ডলারের একটি ভারতীয় ক্রেডিট লাইনের ঘোষণা দেয়া হয়। এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে ভারতের দেয়া সর্বমোট ক্রেডিট লাইনের পরিমাণ দাঁড়ালো ৮০০ কোটি ডলার। তৃতীয় ডলার ক্রেডিট লাইন চুক্তি স্বাক্ষরে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার ভিত্তিক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জন করবে।