ঢাকা , সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বেটিং ও তথ্য ফাঁসের অভিযোগের তদন্তের মধ্যেই রিজওয়ানকে মাঠে ফেরার অনুমতি Logo মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতায় ইরান সফরে যাচ্ছেন ল্যাভরভ Logo কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে সব উপজেলায় কমিটি, সভাপতি ইউএনও Logo সন্তানের জন্য স্বাস্থ্যকর ঢাকা গড়তে আন্তরিকভাবে কাজ করুন: সিটি কর্পোরেশনের কর্মীদের প্রধানমন্ত্রী Logo শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফেরার পথ খুলে দেওয়া হবে শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি: প্রধানমন্ত্রী Logo চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৫৬৬ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ১ Logo অস্তিত্বের প্রশ্নে ২৭ অক্টোবর প্রথমবার ভোট দেবেন ইসরাইলের আরব নাগরিক কাবাত Logo সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয়দের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo নানা সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাড়ছে চিকিৎসাসেবার মান

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতায় ইরান সফরে যাচ্ছেন ল্যাভরভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনের উদ্যোগ নিয়েছে রাশিয়া। এর অংশ হিসেবে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ সোমবার ইরান সফরে যাচ্ছেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এটিই তার প্রথম ইরান সফর।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই রোববার এ সফরের তথ্য জানান। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে ‘আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি’ নিয়ে আলোচনা হবে।

তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির সঙ্গে ল্যাভরভের বৈঠকের কথা রয়েছে। ল্যাভরভ বলেন, মস্কোর প্রচেষ্টার লক্ষ্য হলো ‘বড় ধরনের যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো।’

এদিকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা থেমে আছে।

এর আগে অক্টোবরের শুরুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে জানান, মস্কো মধ্যস্থতা প্রচেষ্টায় অবদান রাখতে প্রস্তুত রয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা দেশগুলোর মধ্যে রাশিয়া ও ইরান অন্যতম। দেশ দু’টির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর থেকে তাদের সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার মধ্য দিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।

এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি এবং জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে সংঘাত থামেনি।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের বলে দাবি করে ইরান। স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট হাইড্রোকার্বন সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরানের অনুমতি ছাড়া এই জলপথ অতিক্রমকারী জাহাজকে দেশটি নিয়মিত নিশানা করছে।

এর জবাবে ইরানের বন্দরগুলো ঘিরে নৌপথে পাল্টা অবরোধ বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ল্যাভরভের সফরে আলোচনার মূল বিষয় হবে ‘ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বেআইনি হামলার ফলে সৃষ্ট তীব্র আন্তর্জাতিক সংকট নিরসনের উপায়।’

মন্ত্রণালয়টি আরও বলেছে, এই যুদ্ধ শুধু নিকটপ্রাচ্য ও মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্যও বড় ধরনের আঘাত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ৫৫ মিনিট আগে
১৩ বার পঠিত হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতায় ইরান সফরে যাচ্ছেন ল্যাভরভ

আপডেট এর সময় : ৫৫ মিনিট আগে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনের উদ্যোগ নিয়েছে রাশিয়া। এর অংশ হিসেবে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ সোমবার ইরান সফরে যাচ্ছেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এটিই তার প্রথম ইরান সফর।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই রোববার এ সফরের তথ্য জানান। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে ‘আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি’ নিয়ে আলোচনা হবে।

তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির সঙ্গে ল্যাভরভের বৈঠকের কথা রয়েছে। ল্যাভরভ বলেন, মস্কোর প্রচেষ্টার লক্ষ্য হলো ‘বড় ধরনের যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো।’

এদিকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা থেমে আছে।

এর আগে অক্টোবরের শুরুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে জানান, মস্কো মধ্যস্থতা প্রচেষ্টায় অবদান রাখতে প্রস্তুত রয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা দেশগুলোর মধ্যে রাশিয়া ও ইরান অন্যতম। দেশ দু’টির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর থেকে তাদের সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার মধ্য দিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।

এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি এবং জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে সংঘাত থামেনি।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের বলে দাবি করে ইরান। স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট হাইড্রোকার্বন সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরানের অনুমতি ছাড়া এই জলপথ অতিক্রমকারী জাহাজকে দেশটি নিয়মিত নিশানা করছে।

এর জবাবে ইরানের বন্দরগুলো ঘিরে নৌপথে পাল্টা অবরোধ বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ল্যাভরভের সফরে আলোচনার মূল বিষয় হবে ‘ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বেআইনি হামলার ফলে সৃষ্ট তীব্র আন্তর্জাতিক সংকট নিরসনের উপায়।’

মন্ত্রণালয়টি আরও বলেছে, এই যুদ্ধ শুধু নিকটপ্রাচ্য ও মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্যও বড় ধরনের আঘাত হয়ে দাঁড়িয়েছে।