ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি অন্তত ৩২, আহত ৭ শতাধিক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠকে নদী ব্যবস্থাপনায় ঐকমত্য Logo পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় অংশীদার হতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা Logo তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে Logo ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল

সাভার মুক্ত দিবসে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা টিটুর সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন

প্রতিনিধির নাম :

আলমাস হোসেন: ১৪ ডিসেম্বর সাভার মুক্ত দিবসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদালয়ের ডেইরিগেট সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা গোলাম দস্তগীর টিটোর সমাধি সৌধ ধুয়ে-মুছে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সাভার আশুলিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা। ১৯৭১ সালের এই দিনে আশুলিয়া থানার জিরাব এলাকার ঘোষবাগের নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর নেতৃত্বাধীন একদল মুক্তিযোদ্ধা পাকিস্তানি বাহিনীকে আক্রমণ করে। আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি বাহিনীর ১১ জন সেনা নিহত হয়। আত্মরক্ষার্থে অন্যরা পালিয়ে যায়। শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয় সাভারকে।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, ভারতের অন্তিমনগর থেকে ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে ৫২ জন গেরিলা আশুলিয়ার গাজীবাড়ী এলাকার নেঁদু খার বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং ক্যাম্প স্থাপন করেন। সেখানে দেড় মাস প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কয়েক শতাধিক নিরস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাকে। পরে মুক্তিযোদ্ধারা আশুলিয়ার তৈয়বপুর ক্যাম্পে নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর নেতৃত্বে আরও একটি ক্যাম্প তৈরি করেন।

১৪ ডিসেম্বর উত্তরবঙ্গ ও টাঙ্গাইল থেকে পাকবাহিনী পালিয়ে সাভার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর নেতৃত্বে ২৫০ জন মুক্তিযোদ্ধা ঘোষবাগ এলাকার শ্রীগঙ্গা কাঁঠালবাগানে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা ও পাকবাহিনীর মধ্যে সম্মুখযুদ্ধের প্রায় কয়েক ঘণ্টা পর পাকবাহিনী পালাতে থাকে। বিজয় নিশ্চিত জেনে আবেগাপ্লুত কিশোর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম দস্তগীর টিটো লাফিয়ে উঠলে পালিয়ে যাওয়ার সময় পাকবাহিনীর ছোড়া গুলিতে শহীদ হন। পরে তাকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদালয়ের ডেইরিগেটে সমাহিত করা হয়। আর কিশোর মুক্তিযোদ্ধা টিটোর আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়েই ১৪ ডিসেম্বর সাভার-আশুলিয়া হানাদার মুক্ত হয়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯
৯ বার পঠিত হয়েছে

সাভার মুক্ত দিবসে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা টিটুর সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন

আপডেট এর সময় : ০১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

আলমাস হোসেন: ১৪ ডিসেম্বর সাভার মুক্ত দিবসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদালয়ের ডেইরিগেট সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা গোলাম দস্তগীর টিটোর সমাধি সৌধ ধুয়ে-মুছে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সাভার আশুলিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা। ১৯৭১ সালের এই দিনে আশুলিয়া থানার জিরাব এলাকার ঘোষবাগের নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর নেতৃত্বাধীন একদল মুক্তিযোদ্ধা পাকিস্তানি বাহিনীকে আক্রমণ করে। আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি বাহিনীর ১১ জন সেনা নিহত হয়। আত্মরক্ষার্থে অন্যরা পালিয়ে যায়। শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয় সাভারকে।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, ভারতের অন্তিমনগর থেকে ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে ৫২ জন গেরিলা আশুলিয়ার গাজীবাড়ী এলাকার নেঁদু খার বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং ক্যাম্প স্থাপন করেন। সেখানে দেড় মাস প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কয়েক শতাধিক নিরস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাকে। পরে মুক্তিযোদ্ধারা আশুলিয়ার তৈয়বপুর ক্যাম্পে নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর নেতৃত্বে আরও একটি ক্যাম্প তৈরি করেন।

১৪ ডিসেম্বর উত্তরবঙ্গ ও টাঙ্গাইল থেকে পাকবাহিনী পালিয়ে সাভার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর নেতৃত্বে ২৫০ জন মুক্তিযোদ্ধা ঘোষবাগ এলাকার শ্রীগঙ্গা কাঁঠালবাগানে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা ও পাকবাহিনীর মধ্যে সম্মুখযুদ্ধের প্রায় কয়েক ঘণ্টা পর পাকবাহিনী পালাতে থাকে। বিজয় নিশ্চিত জেনে আবেগাপ্লুত কিশোর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম দস্তগীর টিটো লাফিয়ে উঠলে পালিয়ে যাওয়ার সময় পাকবাহিনীর ছোড়া গুলিতে শহীদ হন। পরে তাকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদালয়ের ডেইরিগেটে সমাহিত করা হয়। আর কিশোর মুক্তিযোদ্ধা টিটোর আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়েই ১৪ ডিসেম্বর সাভার-আশুলিয়া হানাদার মুক্ত হয়।