ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo বরগুনায় জেলা ফল মেলার উদ্বোধন Logo বাগদাদের গ্রিন জোনে ইরাকি বাহিনীর অভিযান Logo আইসিই’র প্রধান পদে ওকলাহোমার সাবেক স্টেট ট্রুপারকে মনোনয়ন ট্রাম্পের Logo চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী Logo স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo ইসরাইল-লেবাননের চুক্তির বিরুদ্ধে বৈরুতের রাস্তায় হিজবুল্লাহ সমর্থকদের বিক্ষোভ Logo বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ

প্রতিনিধির নাম :

স্টাফ রিপোর্ট :  সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত ওয়ার্ড সুবিধা না দেয়ার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, দ্রুত সময়ের নিয়মিত ওয়ার্ড ক্লাসের (প্র‍্যাকটিকাল ক্লাস) ব্যবস্থা করা।

রোববার (২০ এপ্রিল) দ্বিতীয় দিনের মতো সকাল ১০ টা থেকে সিলেট- সুনামগঞ্জ সড়কের মদনপুর এলাকায় ক্যাম্পাসের সামনে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে কলেজের শিক্ষার্থীরা।

পরে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী এসে সড়ক থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করলে শিক্ষার্থীরা না মেনে অবরোধ অব্যাহত রাখে। সাড়ে দশটার দিকে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে আসে।

আধা ঘণ্টা আলাপ আলোচনা শেষে ১১ টার দিকে লাঠিচার্জ করে সড়ক থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল সচল করা হয়।

এর আগে, ১৫ এপ্রিল অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধন ও পরের দিন সড়ক অবরোধ করে টানা ৪ দিন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

শিক্ষার্থীরা জানান, প্রথম দফা অবরোধ তুলে নেয়ার পর ওয়ার্ড ক্লাস সুবিধা ও হাসপাতাল চালুতে কার্যকরী পদক্ষেপ না নেয়ায় ফের সড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হন তারা। এ সময় সেনাবাহিনী আসলে তাদের কাছ থেকে ৫ মিনিট সময় চেয়ে নিলেও সেই সময় না দিয়ে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়। এ সময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে দাবী করেছেন তারা।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মেজর মেছবাহ কলেজ প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করার অনুরোধ জানান। যদি শিক্ষকদের কথা অমান্য করে সড়ক অবরোধ করে জনভোগান্তি সৃষ্টি করে শিক্ষার্থীরা, তাহলে সেনাবাহিনী আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করতে বাধ্য হবে বলে জানানো হয়।

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোস্তাক আহমেদ ভূইয়া জানান, শিক্ষার্থীদেরকে অনেক বুঝানো হয়েছে, তবুও তারা আন্দোলন করছে। আন্দোলনকালে আমাদের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
৭ বার পঠিত হয়েছে

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ

আপডেট এর সময় : ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

স্টাফ রিপোর্ট :  সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত ওয়ার্ড সুবিধা না দেয়ার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, দ্রুত সময়ের নিয়মিত ওয়ার্ড ক্লাসের (প্র‍্যাকটিকাল ক্লাস) ব্যবস্থা করা।

রোববার (২০ এপ্রিল) দ্বিতীয় দিনের মতো সকাল ১০ টা থেকে সিলেট- সুনামগঞ্জ সড়কের মদনপুর এলাকায় ক্যাম্পাসের সামনে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে কলেজের শিক্ষার্থীরা।

পরে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী এসে সড়ক থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করলে শিক্ষার্থীরা না মেনে অবরোধ অব্যাহত রাখে। সাড়ে দশটার দিকে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে আসে।

আধা ঘণ্টা আলাপ আলোচনা শেষে ১১ টার দিকে লাঠিচার্জ করে সড়ক থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল সচল করা হয়।

এর আগে, ১৫ এপ্রিল অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধন ও পরের দিন সড়ক অবরোধ করে টানা ৪ দিন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

শিক্ষার্থীরা জানান, প্রথম দফা অবরোধ তুলে নেয়ার পর ওয়ার্ড ক্লাস সুবিধা ও হাসপাতাল চালুতে কার্যকরী পদক্ষেপ না নেয়ায় ফের সড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হন তারা। এ সময় সেনাবাহিনী আসলে তাদের কাছ থেকে ৫ মিনিট সময় চেয়ে নিলেও সেই সময় না দিয়ে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়। এ সময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে দাবী করেছেন তারা।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মেজর মেছবাহ কলেজ প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করার অনুরোধ জানান। যদি শিক্ষকদের কথা অমান্য করে সড়ক অবরোধ করে জনভোগান্তি সৃষ্টি করে শিক্ষার্থীরা, তাহলে সেনাবাহিনী আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করতে বাধ্য হবে বলে জানানো হয়।

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোস্তাক আহমেদ ভূইয়া জানান, শিক্ষার্থীদেরকে অনেক বুঝানো হয়েছে, তবুও তারা আন্দোলন করছে। আন্দোলনকালে আমাদের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।