ঢাকা , রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫-১৭টি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে : পররাষ্ট্র সচিব Logo সাবেক আইজিপি বেনজিরকে ফেরাতে নথিপত্র পাঠানো হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo জাতীয় বাজেটে পানিনিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, বড় বিনিয়োগ Logo গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার কেবলই সহায়ক: তথ্যমন্ত্রী Logo শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন শামা ওবায়েদ Logo ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাসকষ্ট, নিজের অজান্তেই এই রোগে ভুগছেন না তো Logo স্থায়ীভাবে অমুসলিম দেশে বসবাস করা কি বৈধ? Logo মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল এসে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী Logo অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশব্যাপী ক্রিয়েটিভ হাবের পরিকল্পনা সরকারের

২২ জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট

প্রতিনিধির নাম :

ই-পাসপোর্ট (ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট) বিতরণ আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকল প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে। ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগের (ডিআইপি) মহাপরিচালক (ডিআইজি) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ এ তথ্য জানান।

শাকিল আহমেদ বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি এ বিষয়ে নগরীর বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সকাল ১০টায় এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ডিআইজি বলেন, ডিআইপি প্রাথমিকভাবে আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ি এবং উত্তরা পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে এবং পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সবর্ত্র ই-পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, বিখ্যাত জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস জিএমবিএইস দেশে ই-পাসপোর্ট ও ই-গেট নিয়ে কাজ করছে। ই-পাসপোর্টের সূচনা দিয়ে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া তৈরি করার প্রক্রিয়া চলছে।

ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেন (আইসিএও)’র মতে বিশ্বের একশ’টিরও বেশি দেশ বর্তমানে ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করছে। পাসপোর্ট বুকলেটে একটি ইলেক্ট্রনিক চীপ ব্যবহারের মাধ্যমে চিরাচরিত ননইলেক্ট্রনিক পাসপোর্টের চেয়ে ইলেক্ট্রনিক পাস পোর্ট অধিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এতে পাসপোর্টের দুটি পেজে দৃশ্যমান বায়োগ্রাফিকেল তথ্য ভান্ডার ও একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা ফিচার থাকে। ডিজিটাল ফিচার হচ্ছে কোন দেশের সুনিদিষ্ট ডিজিটাল স্বাক্ষর। এই ডিজিটাল স্বাক্ষরগুলো প্রতিটি দেশে একক এবং স্ব স্ব সার্টিফিকেটের মাধ্যমে এটি যাচাই করা যাবে। প্রকল্প তথ্য অনুযায়ী, “বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু এবং অটোমেটিক বর্ডার কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্ট” প্রজেক্টটি ৪,৫৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সরকারের নিজস্ব তহবিলে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের জুন পযর্ন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। দশ বছরে মোট ৩০ মিলিয়ন পাস পোর্ট সরবরাহ করা হবে। এই ই-পাসপোর্ট ইস্যু করার মাধ্যমে ইমিগ্রেশন আনুষ্ঠানিকতার সমস্ত প্রক্রিয়াই অনলাইনে সম্পন্ন হবে।
তথ্যসূত্র মতে, দুই মিলিয়ন পাস পোর্ট তৈরি হবে জামার্নীতে। ফলে যারা আগে আবেদন করবেন, তারা জামার্নীর তৈরি পাস পোর্ট পাবেন। ই-পাস পোর্টের মেয়াদ হবে ৫ থেকে ১০ বছর।

মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের পাশাপাশি ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্টের জন্য ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই ডিআইপি এবং ভেরিডসের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২০
৮ বার পঠিত হয়েছে

২২ জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট

আপডেট এর সময় : ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২০

ই-পাসপোর্ট (ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট) বিতরণ আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকল প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে। ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগের (ডিআইপি) মহাপরিচালক (ডিআইজি) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ এ তথ্য জানান।

শাকিল আহমেদ বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি এ বিষয়ে নগরীর বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সকাল ১০টায় এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ডিআইজি বলেন, ডিআইপি প্রাথমিকভাবে আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ি এবং উত্তরা পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে এবং পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সবর্ত্র ই-পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, বিখ্যাত জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস জিএমবিএইস দেশে ই-পাসপোর্ট ও ই-গেট নিয়ে কাজ করছে। ই-পাসপোর্টের সূচনা দিয়ে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া তৈরি করার প্রক্রিয়া চলছে।

ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেন (আইসিএও)’র মতে বিশ্বের একশ’টিরও বেশি দেশ বর্তমানে ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করছে। পাসপোর্ট বুকলেটে একটি ইলেক্ট্রনিক চীপ ব্যবহারের মাধ্যমে চিরাচরিত ননইলেক্ট্রনিক পাসপোর্টের চেয়ে ইলেক্ট্রনিক পাস পোর্ট অধিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এতে পাসপোর্টের দুটি পেজে দৃশ্যমান বায়োগ্রাফিকেল তথ্য ভান্ডার ও একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা ফিচার থাকে। ডিজিটাল ফিচার হচ্ছে কোন দেশের সুনিদিষ্ট ডিজিটাল স্বাক্ষর। এই ডিজিটাল স্বাক্ষরগুলো প্রতিটি দেশে একক এবং স্ব স্ব সার্টিফিকেটের মাধ্যমে এটি যাচাই করা যাবে। প্রকল্প তথ্য অনুযায়ী, “বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু এবং অটোমেটিক বর্ডার কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্ট” প্রজেক্টটি ৪,৫৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সরকারের নিজস্ব তহবিলে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের জুন পযর্ন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। দশ বছরে মোট ৩০ মিলিয়ন পাস পোর্ট সরবরাহ করা হবে। এই ই-পাসপোর্ট ইস্যু করার মাধ্যমে ইমিগ্রেশন আনুষ্ঠানিকতার সমস্ত প্রক্রিয়াই অনলাইনে সম্পন্ন হবে।
তথ্যসূত্র মতে, দুই মিলিয়ন পাস পোর্ট তৈরি হবে জামার্নীতে। ফলে যারা আগে আবেদন করবেন, তারা জামার্নীর তৈরি পাস পোর্ট পাবেন। ই-পাস পোর্টের মেয়াদ হবে ৫ থেকে ১০ বছর।

মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের পাশাপাশি ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্টের জন্য ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই ডিআইপি এবং ভেরিডসের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়