ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইসরাইল-লেবাননের চুক্তির বিরুদ্ধে বৈরুতের রাস্তায় হিজবুল্লাহ সমর্থকদের বিক্ষোভ Logo বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি অন্তত ৩২, আহত ৭ শতাধিক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠকে নদী ব্যবস্থাপনায় ঐকমত্য Logo পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় অংশীদার হতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা Logo তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে

টাঙ্গাইল এডুকেশন ফ্যামেলী স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রকে মেরে চোখ রক্তাক্ত করলো শিক্ষিকা রুনা

প্রতিনিধির নাম :

বৃন্দাবন মল্লিক : শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড এই কথাটি আমাদের সকলেরই জানা। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নত। কথায় আছে যদি কোন জাতি ও দেশকে ধ্বংশ করতে চাও তবে তার শিক্ষার মেরুদন্ড ভেঙ্গে দাও। শিক্ষা নিয়েই বাণিজ্য হচ্ছে। শিক্ষা নিয়েই হচ্ছে দুর্নীতি। শিক্ষার নিয়োগ নিয়ে দুর্ণীতি হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বানানোর নামে দুর্ণীতি হচ্ছে। কতিপয় শিক্ষক নামে বেনামে ভাউচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এরকম দৃষ্টান্ত শত। গাজীপুর জেলার গাছা থানাধীন বোর্ডবাজার এলাকাস্থ টাঙ্গাইল এডুকেশন ফ্যামেলী স্কুলে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন অনিয়ম ও ছাত্র-ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। গতকাল স্কুল চলাকালিন সময়ে ৪র্থ শ্রেণীর পার্শ্ববর্তী একজন ছাত্র দুস্টামী করছিল। এই দুস্টামীর পরিপ্রেক্ষিতে ক্লাশের শিক্ষিকা রুনা ঐ ছাত্রকে স্কেল দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। শিক্ষিকা রুনার পিটানোগুলো এলোমেলো থাকার কারণে ঐ পিটানির একপর্যায়ে পাশে বসা ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র শুভ’র চোখে। এতে শুভ’র চোখ কেটে রক্ত বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে শুভ’র বাবা-মাকে খবর না দিয়ে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা শুভকে হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে ব্যান্ডেজ করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গাঁ ঢাকা দেয় প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা। এ বিষয়ে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষককে একাধিকবার ফোন করলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অন্য একজন হুজুর স্যারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। এ বিষয়ে ছাত্র শুভ’র মা ও এলাকাবাসী গাছা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। গাছা থানার ডিউটি অফিসার শুভকে গাজীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তির করা পরামর্শ দিয়েছেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯
৭ বার পঠিত হয়েছে

টাঙ্গাইল এডুকেশন ফ্যামেলী স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রকে মেরে চোখ রক্তাক্ত করলো শিক্ষিকা রুনা

আপডেট এর সময় : ০১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯

বৃন্দাবন মল্লিক : শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড এই কথাটি আমাদের সকলেরই জানা। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নত। কথায় আছে যদি কোন জাতি ও দেশকে ধ্বংশ করতে চাও তবে তার শিক্ষার মেরুদন্ড ভেঙ্গে দাও। শিক্ষা নিয়েই বাণিজ্য হচ্ছে। শিক্ষা নিয়েই হচ্ছে দুর্নীতি। শিক্ষার নিয়োগ নিয়ে দুর্ণীতি হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বানানোর নামে দুর্ণীতি হচ্ছে। কতিপয় শিক্ষক নামে বেনামে ভাউচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এরকম দৃষ্টান্ত শত। গাজীপুর জেলার গাছা থানাধীন বোর্ডবাজার এলাকাস্থ টাঙ্গাইল এডুকেশন ফ্যামেলী স্কুলে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন অনিয়ম ও ছাত্র-ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। গতকাল স্কুল চলাকালিন সময়ে ৪র্থ শ্রেণীর পার্শ্ববর্তী একজন ছাত্র দুস্টামী করছিল। এই দুস্টামীর পরিপ্রেক্ষিতে ক্লাশের শিক্ষিকা রুনা ঐ ছাত্রকে স্কেল দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। শিক্ষিকা রুনার পিটানোগুলো এলোমেলো থাকার কারণে ঐ পিটানির একপর্যায়ে পাশে বসা ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র শুভ’র চোখে। এতে শুভ’র চোখ কেটে রক্ত বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে শুভ’র বাবা-মাকে খবর না দিয়ে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা শুভকে হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে ব্যান্ডেজ করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গাঁ ঢাকা দেয় প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা। এ বিষয়ে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষককে একাধিকবার ফোন করলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অন্য একজন হুজুর স্যারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। এ বিষয়ে ছাত্র শুভ’র মা ও এলাকাবাসী গাছা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। গাছা থানার ডিউটি অফিসার শুভকে গাজীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তির করা পরামর্শ দিয়েছেন।