ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ১৩ সংখ্যা নিয়ে নানা অন্ধবিশ্বাস Logo চার দশকে সূর্যের অভ্যন্তরে বড় পরিবর্তন, উদ্বেগ বিজ্ঞানীদের Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত Logo হজযাত্রীদের লাগেজ চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন: মিল্লাত Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফানের সাক্ষাৎ Logo ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতের বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ ঘোষণা Logo নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে শিগগিরই দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচি Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আস্থা পুনর্গঠন ও সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার খলিলুর রহমানের Logo ক্ষমতা গ্রহণের ৩ মাসেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : মির্জা ফখরুল

মৃত্যুর চার দিন পর জেনস সুমনের নতুন গান

প্রতিনিধির নাম :

বিনোদন ডেস্ক: গুণী সংগীতশিল্পী জেনস সুমনের মৃত্যুর পর মাত্র চার দিন যেতে না যেতেই প্রকাশিত হলো তার নতুন গান কেউ জানল না কেউ বুঝল না। জি সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে ৩ ডিসেম্বর গানটি প্রকাশের পর থেকেই ভক্তদের আবেগ ছুঁয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার ২৮ নভেম্বর শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

জেনস সুমন মৃত্যুর আগের কয়েক মাসে টানা বেশ কয়েকটি গানের রেকর্ডিং করেছিলেন। জি সিরিজ জানিয়েছে, সেগুলো ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে। এর ছন্দেই এসেছে তাঁর এই তাজা গানটি। গানের কথা লিখেছেন ফারুক আসাদ, আর সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন অমিত কর। দুজনের সাথেই সুমনের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ কাজের সম্পর্ক ছিল।

জি সিরিজের উপদেষ্টা ঈশা খান দূরে জানিয়েছেন, সুমন মৃত্যুর মাত্র এক দিন আগেও গভীর রাত পর্যন্ত নতুন গান নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেন, “সুমনের আরও কিছু গান রেকর্ড করা আছে, পরিকল্পনা ছিল পরপর এগুলো প্রকাশ করা হবে।” শিল্পীর অকস্মাৎ বিদায়ে সেই পরিকল্পনা নতুন অর্থ পেলেও গানগুলো এখন হয়ে উঠছে তার সঙ্গীতভুবনে শেষ চিহ্ন।

সুরকার অমিত কর আবেগের সঙ্গে জানান, সুমন শুধু সহশিল্পী নন, ছিলেন খুব কাছের একজন মানুষ। তার ভাষায়, “এই গানসহ বেশ কিছু কাজ আমরা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটি আর পূর্ণতা পেল না।”

১৯৭৯ সালে শরীয়তপুরে জন্ম নেওয়া জেনস সুমনের বেড়ে ওঠা ঢাকায়। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত প্রথম একক অ্যালবাম আশীর্বাদ দিয়ে শোনার ভুবনে পা রাখেন তিনি। ২০০২ সালে বিটিভিতে প্রচারিত একটা চাদর হবে গানটি তাকে দেশজুড়ে পরিচিতি দেয়। ২০০৮ সালে প্রকাশিত শেষ অ্যালবাম মন চলো রূপের নগরের পর দীর্ঘ বিরতি নেন তিনি।

১৬ বছরের নীরবতা ভেঙে ২০২৪ সালে ফিরে আসেন নতুন জাগরণ নিয়ে। জি সিরিজের ব্যানারে প্রকাশিত আসমান জমিন ছিল তার প্রত্যাবর্তনের সুর। তখনই বলেছিলেন নতুন করে শুরু করতে চান। কিন্তু হঠাৎ মৃত্যুর টানে থেমে গেল সেই নতুন পথচলা। তবু অবশিষ্ট রেকর্ডিংগুলো প্রকাশিত হলে শ্রোতারা হয়তো আরও একবার ফিরে পাবেন তার কণ্ঠের মায়া।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
৮ বার পঠিত হয়েছে

মৃত্যুর চার দিন পর জেনস সুমনের নতুন গান

আপডেট এর সময় : ০৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক: গুণী সংগীতশিল্পী জেনস সুমনের মৃত্যুর পর মাত্র চার দিন যেতে না যেতেই প্রকাশিত হলো তার নতুন গান কেউ জানল না কেউ বুঝল না। জি সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে ৩ ডিসেম্বর গানটি প্রকাশের পর থেকেই ভক্তদের আবেগ ছুঁয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার ২৮ নভেম্বর শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

জেনস সুমন মৃত্যুর আগের কয়েক মাসে টানা বেশ কয়েকটি গানের রেকর্ডিং করেছিলেন। জি সিরিজ জানিয়েছে, সেগুলো ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে। এর ছন্দেই এসেছে তাঁর এই তাজা গানটি। গানের কথা লিখেছেন ফারুক আসাদ, আর সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন অমিত কর। দুজনের সাথেই সুমনের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ কাজের সম্পর্ক ছিল।

জি সিরিজের উপদেষ্টা ঈশা খান দূরে জানিয়েছেন, সুমন মৃত্যুর মাত্র এক দিন আগেও গভীর রাত পর্যন্ত নতুন গান নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেন, “সুমনের আরও কিছু গান রেকর্ড করা আছে, পরিকল্পনা ছিল পরপর এগুলো প্রকাশ করা হবে।” শিল্পীর অকস্মাৎ বিদায়ে সেই পরিকল্পনা নতুন অর্থ পেলেও গানগুলো এখন হয়ে উঠছে তার সঙ্গীতভুবনে শেষ চিহ্ন।

সুরকার অমিত কর আবেগের সঙ্গে জানান, সুমন শুধু সহশিল্পী নন, ছিলেন খুব কাছের একজন মানুষ। তার ভাষায়, “এই গানসহ বেশ কিছু কাজ আমরা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটি আর পূর্ণতা পেল না।”

১৯৭৯ সালে শরীয়তপুরে জন্ম নেওয়া জেনস সুমনের বেড়ে ওঠা ঢাকায়। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত প্রথম একক অ্যালবাম আশীর্বাদ দিয়ে শোনার ভুবনে পা রাখেন তিনি। ২০০২ সালে বিটিভিতে প্রচারিত একটা চাদর হবে গানটি তাকে দেশজুড়ে পরিচিতি দেয়। ২০০৮ সালে প্রকাশিত শেষ অ্যালবাম মন চলো রূপের নগরের পর দীর্ঘ বিরতি নেন তিনি।

১৬ বছরের নীরবতা ভেঙে ২০২৪ সালে ফিরে আসেন নতুন জাগরণ নিয়ে। জি সিরিজের ব্যানারে প্রকাশিত আসমান জমিন ছিল তার প্রত্যাবর্তনের সুর। তখনই বলেছিলেন নতুন করে শুরু করতে চান। কিন্তু হঠাৎ মৃত্যুর টানে থেমে গেল সেই নতুন পথচলা। তবু অবশিষ্ট রেকর্ডিংগুলো প্রকাশিত হলে শ্রোতারা হয়তো আরও একবার ফিরে পাবেন তার কণ্ঠের মায়া।