ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: তিতুমীর Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo স্বাস্থসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করবে সরকার Logo পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর Logo সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় আইসিটি বিশেষজ্ঞদের ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা’ তৈরির আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর Logo ১৩ সংখ্যা নিয়ে নানা অন্ধবিশ্বাস Logo চার দশকে সূর্যের অভ্যন্তরে বড় পরিবর্তন, উদ্বেগ বিজ্ঞানীদের Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত Logo হজযাত্রীদের লাগেজ চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন: মিল্লাত Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফানের সাক্ষাৎ

জমিতে কীটনাশক ছিটিয়ে ২০ কৃষকের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম :

ঢাকা: জমিতে কীটনাশক ছিটানোর পর বিষক্রিয়ায় ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে অন্তত ২০ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও, আরো ছয় শতাধিক কৃষক বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। কীটনাশক ছিটানোর সময় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তাদের এমন পরিণতি হয়েছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, কীটনাশকগুলোর মধ্যে কিছু প্রাণঘাতী মিশ্রণ ছিল। আগস্টের প্রথমদিকে প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। তারপর থেকে এ পর্যন্ত ছয়শ’রও বেশি কৃষক কীটনাশকজনিত বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আক্রান্তদের অধিকাংশই ঝাপসা দৃষ্টি, বমি বমি ভাব, চামড়ায় ফুসকুড়ি, মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরার লক্ষণে ভুগছেন। শতাধিক কৃষক এখনো ইয়াভাতমাল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের কেউ কেউ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন আর অন্যরা সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।

কৃষি সংক্রান্ত সংকটে ইতিমধ্যেই ইয়াভাতমাল জেলায় বহু কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। তারপর কীটনাশকের বিষক্রিয়ার এ ঘটনাটি জেলার কৃষি খাতের জন্য বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা দিয়েছে।

মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চলের কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত অধিকাংশ কৃষকই কীটনাশক ছিটানোর সময় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এসব ঘটনার জন্য নতুন স্প্রে মেশিন ও কেন্দ্রীয় কীটনাশক ওষুধ বোর্ডের অবহেলাকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শুক্রবার বোম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কীটনাশক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ‘ক্রিমিনাল অ্যাকশন’ নেয়ার আর্জি জানিয়ে করা এক পিটিশনের জবাবে নোটিশ জারি করেছে।

সময়মতো পদক্ষেপ নিতে না পারার ব্যর্থতা স্বীকার করেছে রাজ্য সরকার। জেলা প্রশাসনগুলো যথাসময়ে রাজ্য সরকারকে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত না করাতেই এ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের কৃষিমন্ত্রীর।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০১৭
১৬ বার পঠিত হয়েছে

জমিতে কীটনাশক ছিটিয়ে ২০ কৃষকের মৃত্যু

আপডেট এর সময় : ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০১৭

ঢাকা: জমিতে কীটনাশক ছিটানোর পর বিষক্রিয়ায় ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে অন্তত ২০ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও, আরো ছয় শতাধিক কৃষক বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। কীটনাশক ছিটানোর সময় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তাদের এমন পরিণতি হয়েছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, কীটনাশকগুলোর মধ্যে কিছু প্রাণঘাতী মিশ্রণ ছিল। আগস্টের প্রথমদিকে প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। তারপর থেকে এ পর্যন্ত ছয়শ’রও বেশি কৃষক কীটনাশকজনিত বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আক্রান্তদের অধিকাংশই ঝাপসা দৃষ্টি, বমি বমি ভাব, চামড়ায় ফুসকুড়ি, মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরার লক্ষণে ভুগছেন। শতাধিক কৃষক এখনো ইয়াভাতমাল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের কেউ কেউ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন আর অন্যরা সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।

কৃষি সংক্রান্ত সংকটে ইতিমধ্যেই ইয়াভাতমাল জেলায় বহু কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। তারপর কীটনাশকের বিষক্রিয়ার এ ঘটনাটি জেলার কৃষি খাতের জন্য বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা দিয়েছে।

মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চলের কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত অধিকাংশ কৃষকই কীটনাশক ছিটানোর সময় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এসব ঘটনার জন্য নতুন স্প্রে মেশিন ও কেন্দ্রীয় কীটনাশক ওষুধ বোর্ডের অবহেলাকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শুক্রবার বোম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কীটনাশক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ‘ক্রিমিনাল অ্যাকশন’ নেয়ার আর্জি জানিয়ে করা এক পিটিশনের জবাবে নোটিশ জারি করেছে।

সময়মতো পদক্ষেপ নিতে না পারার ব্যর্থতা স্বীকার করেছে রাজ্য সরকার। জেলা প্রশাসনগুলো যথাসময়ে রাজ্য সরকারকে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত না করাতেই এ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের কৃষিমন্ত্রীর।