ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo মাদক সেবনের দায়ে শাহরাস্তিতে যুবকের কারাদণ্ড Logo ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসায় ভর্তুকি, মালয়েশিয়ায় স্কুল বন্ধ Logo নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী Logo বিভিন্ন খাতে কানাডার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo ইমরান সমর্থকদের বিক্ষোভ ও সহিংসতার জেরে খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি শাসন Logo উন্নয়ন প্রকল্পে জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা সঠিকভাবে ব্যয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে প্রণয়ন হচ্ছে জাতীয় বন্দর কৌশল: নৌপরিবহনমন্ত্রী Logo জাপানের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মারুবেনি কর্পোরেশন বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ Logo কুমিল্লা-৬ আসনের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মনিরুল হক চৌধুরীর মতবিনিময় Logo ফেনীতে পৃথক অভিযানে ৩৯ কেজি গাঁজা, ইয়াবা ও ইস্কাপসহ আটক ৪

বেগমগঞ্জে ৪২৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, ৩২৫টি জলাশয়ে অবমুক্ত

প্রতিনিধির নাম :

নোয়াখালী প্রতিনিধি:    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারে অভিযান চালিয়ে ৪২৫টি কচ্ছপ (কড়ি কাইট্টা) উদ্ধার করেছে বন বিভাগ, যার মধ্যে ৩২৫টি জীবিত ও ১০০টি মৃত কচ্ছপ রয়েছে।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপকূলীয় বন বিভাগ নোয়াখালীর পুকুরসহ বিভিন্ন জলাশয়ে কচ্ছপগুলো অবমুক্ত করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপকূলীয় বন বিভাগ, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড মন্ডলপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ওই এলাকার লোকনাথ মন্দিরের পাশে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে ওই সময় ঘরের মধ্যে কেউ ছিল না।

উপকূলীয় বন বিভাগ নোয়াখালীর সহকারি বন সংরক্ষণ এ কে এম আরিফ উজ জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে একটি চক্র বিভিন্ন স্থান থেকে কচ্ছপগুলো সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে একত্রিত করেছে। আমাদের অভিযানের খবর পেয়ে ওই চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে ওই ঘর থেকে জীবিত ও মৃত কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, মৃত কচ্ছপগুলোর মধ্যে কিছু মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে এবং বিভিন্ন প্রজাতির কয়েকটি কচ্ছপ ঢাকার ল্যাবে নেওয়া হয়েছে। জীবিত কচ্ছপগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়েছে। জলজ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আমাদের এই অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

অবমুক্ত করার সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপকূলীয় বন বিভাগ সদরের রেঞ্জ কর্মকর্তা শেখ মোঃ কামরুজ্জামান, বন্যপ্রাণী ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিট ঢাকার পরিদর্শক সাদিক আব্দুল্লাহ, সহ বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৩ বার পঠিত হয়েছে

বেগমগঞ্জে ৪২৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, ৩২৫টি জলাশয়ে অবমুক্ত

আপডেট এর সময় : ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নোয়াখালী প্রতিনিধি:    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারে অভিযান চালিয়ে ৪২৫টি কচ্ছপ (কড়ি কাইট্টা) উদ্ধার করেছে বন বিভাগ, যার মধ্যে ৩২৫টি জীবিত ও ১০০টি মৃত কচ্ছপ রয়েছে।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপকূলীয় বন বিভাগ নোয়াখালীর পুকুরসহ বিভিন্ন জলাশয়ে কচ্ছপগুলো অবমুক্ত করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপকূলীয় বন বিভাগ, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড মন্ডলপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ওই এলাকার লোকনাথ মন্দিরের পাশে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে ওই সময় ঘরের মধ্যে কেউ ছিল না।

উপকূলীয় বন বিভাগ নোয়াখালীর সহকারি বন সংরক্ষণ এ কে এম আরিফ উজ জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে একটি চক্র বিভিন্ন স্থান থেকে কচ্ছপগুলো সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে একত্রিত করেছে। আমাদের অভিযানের খবর পেয়ে ওই চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে ওই ঘর থেকে জীবিত ও মৃত কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, মৃত কচ্ছপগুলোর মধ্যে কিছু মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে এবং বিভিন্ন প্রজাতির কয়েকটি কচ্ছপ ঢাকার ল্যাবে নেওয়া হয়েছে। জীবিত কচ্ছপগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়েছে। জলজ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আমাদের এই অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

অবমুক্ত করার সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপকূলীয় বন বিভাগ সদরের রেঞ্জ কর্মকর্তা শেখ মোঃ কামরুজ্জামান, বন্যপ্রাণী ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিট ঢাকার পরিদর্শক সাদিক আব্দুল্লাহ, সহ বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।