ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা Logo বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ

যাকে ধরি ছাড়ি না: অভিযান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম :

চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেলে কাউকে ছাড়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গডফাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, কে কার কী সেটা তিনি দেখেন না। দেখবেন না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যখন ধরি ভালো করেই ধরি। এটা তো ভালো করেই জানেন।’

‘কে কী, কার ভাই, কার চাচা, কার কে, ওটা কিন্তু দেখি না। এটা মাথায় ধরে রাখেন।’

গত ২৫ ও ২৬ মে পশ্চিমবঙ্গ সফর নিয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন প্রধানমন্ত্রী।

একজন সাংবাদিক জানতে চান যাদের কারণে মাদকের বিস্তার ঘটল, সেই গডফাদার শ্রেণির বিরুদ্ধে কখন কঠোর হবে সরকার।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা কাকে গডফাদার বলছেন, আমি সেটা জানি না। আমি এইটুকু বলতে পারি, কে গডফাদার কে ডন, এটা কিন্তু আমি বিচার করছি না।’

‘যারাই এর সঙ্গে জড়িত যাদের বিরুদ্ধেই এতটুকু খবর পাওয়া যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন কিন্তু গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করেছে।’

‘যেই গডফাদার থাকুক, সে যে বাহিনীতেই থাকুক, কাউকে কিন্তু ছাড়া হচ্ছে না, ছাড়া হবে না। এইটুকু বলতে পারি।’

এই অভিযানে সরকার হঠাৎ করে যায়নি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে, দেখা হয়েছে কারা আনে, কোন কোন স্পট থেকে ঢুকছে, কোথা থেকে তৈরি হচ্ছে, কী হচ্ছে। এগুলো খবর রেখেই কিন্তু…’

এই অভিযানে অস্ত্রের ব্যবহার বেশি হচ্ছে কি না এমন প্রশ্ন রাখেন আরেকজন গণমাধ্যমকর্মী।

পুলিশ বা র‌্যাবের অভিযানে অন্যায়ভাবে কেউ কিছু করলে তার বিচার হয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যে ঘটনা ঘটেছে, আপনারা একটাও দেখান যে কোনো নিরীহ ব্যক্তি শিকার হছে। যদি কোনো নিরীহ ব্যক্তি শিকার হয়ে থাকে, নিশ্চয় আমরা তার ব্যবস্থা নেব।’

এই অভিযানে সারাদেশের মানুষ কিন্তু স্বস্তি পাচ্ছে, এটা মানুষের দাবি-এমনটা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মেয়ে বাবা মাকে হত্যা করছে. ছেলে মাকে হত্যা করছে, বাবাকে হত্যা করছে, ভাই ভাইকে হত্যা করছে এই মাদকের কারণে।…সমাজে একটা হাহাকার মাদক নিয়ে, তার বিরুদ্ধে কি অভিযান চালান যাবে না?’

‘অভিযান চালাতে গেলে যদি কোনা ঘটনা ঘটে, সেটাই যদি বড় করে দেখেন, তাহলে বলেন, সেটা বন্ধ করে দিই?

‘ভেজালবিরোধী, মাদকবিরোধী বন্ধ করে দিই? তাহলে কি সমাজ ভালো থাকবে?’-প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

অভিযানে ১০ হাজারের বেশি মাদকসেবী ও মাদকের কারবারি গ্রেপ্তার হলেও সেটি গণমাধ্যমে আসেনি বলেও অনুযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময়ও এখনকার মতোই প্রশ্ন এসেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন সন্ত্রাস আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। পৃথিবীর অনের সভ্য দেশেও তো এখনও নানা ঘটনা ঘটছে। বাংলাদেশে তো আমরা অনেক ভালো রাখতে সক্ষম হয়েছি।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মে ২০১৮
২৩ বার পঠিত হয়েছে

যাকে ধরি ছাড়ি না: অভিযান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট এর সময় : ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মে ২০১৮

চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেলে কাউকে ছাড়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গডফাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, কে কার কী সেটা তিনি দেখেন না। দেখবেন না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যখন ধরি ভালো করেই ধরি। এটা তো ভালো করেই জানেন।’

‘কে কী, কার ভাই, কার চাচা, কার কে, ওটা কিন্তু দেখি না। এটা মাথায় ধরে রাখেন।’

গত ২৫ ও ২৬ মে পশ্চিমবঙ্গ সফর নিয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন প্রধানমন্ত্রী।

একজন সাংবাদিক জানতে চান যাদের কারণে মাদকের বিস্তার ঘটল, সেই গডফাদার শ্রেণির বিরুদ্ধে কখন কঠোর হবে সরকার।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা কাকে গডফাদার বলছেন, আমি সেটা জানি না। আমি এইটুকু বলতে পারি, কে গডফাদার কে ডন, এটা কিন্তু আমি বিচার করছি না।’

‘যারাই এর সঙ্গে জড়িত যাদের বিরুদ্ধেই এতটুকু খবর পাওয়া যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন কিন্তু গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করেছে।’

‘যেই গডফাদার থাকুক, সে যে বাহিনীতেই থাকুক, কাউকে কিন্তু ছাড়া হচ্ছে না, ছাড়া হবে না। এইটুকু বলতে পারি।’

এই অভিযানে সরকার হঠাৎ করে যায়নি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে, দেখা হয়েছে কারা আনে, কোন কোন স্পট থেকে ঢুকছে, কোথা থেকে তৈরি হচ্ছে, কী হচ্ছে। এগুলো খবর রেখেই কিন্তু…’

এই অভিযানে অস্ত্রের ব্যবহার বেশি হচ্ছে কি না এমন প্রশ্ন রাখেন আরেকজন গণমাধ্যমকর্মী।

পুলিশ বা র‌্যাবের অভিযানে অন্যায়ভাবে কেউ কিছু করলে তার বিচার হয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যে ঘটনা ঘটেছে, আপনারা একটাও দেখান যে কোনো নিরীহ ব্যক্তি শিকার হছে। যদি কোনো নিরীহ ব্যক্তি শিকার হয়ে থাকে, নিশ্চয় আমরা তার ব্যবস্থা নেব।’

এই অভিযানে সারাদেশের মানুষ কিন্তু স্বস্তি পাচ্ছে, এটা মানুষের দাবি-এমনটা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মেয়ে বাবা মাকে হত্যা করছে. ছেলে মাকে হত্যা করছে, বাবাকে হত্যা করছে, ভাই ভাইকে হত্যা করছে এই মাদকের কারণে।…সমাজে একটা হাহাকার মাদক নিয়ে, তার বিরুদ্ধে কি অভিযান চালান যাবে না?’

‘অভিযান চালাতে গেলে যদি কোনা ঘটনা ঘটে, সেটাই যদি বড় করে দেখেন, তাহলে বলেন, সেটা বন্ধ করে দিই?

‘ভেজালবিরোধী, মাদকবিরোধী বন্ধ করে দিই? তাহলে কি সমাজ ভালো থাকবে?’-প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

অভিযানে ১০ হাজারের বেশি মাদকসেবী ও মাদকের কারবারি গ্রেপ্তার হলেও সেটি গণমাধ্যমে আসেনি বলেও অনুযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময়ও এখনকার মতোই প্রশ্ন এসেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন সন্ত্রাস আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। পৃথিবীর অনের সভ্য দেশেও তো এখনও নানা ঘটনা ঘটছে। বাংলাদেশে তো আমরা অনেক ভালো রাখতে সক্ষম হয়েছি।