ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর: প্রধানমন্ত্রী Logo আসুন মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করি : প্রধানমন্ত্রী Logo কুমিল্লায় জলাবদ্ধতায় পরীক্ষার্থীদের পাশে প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু Logo মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিস্তার রোধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি র‍্যালি Logo বাংলাদেশকে ২০০ রানের লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে Logo দেশের ৪ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে Logo জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে কৌশলগত তেলের মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা অনুমোদন ভারতের Logo মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী Logo তাইওয়ানের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন বাভি Logo খামেনির দাফনের আগে নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

এবার চীনের সাথে বাণিজ্যযুদ্ধে নামলো ভারত

প্রতিনিধির নাম :

চীনের ফ্রিজ, এসি সহ ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত।এর ফলে পাল্টা হুমকি দিয়েছে চীন।এর মাশুল দিতে হতে পারে ভারতকে৷ চিনের মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমসকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এই মত প্রকাশ করেছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷ তাদের মতে, ভারতের এই সিদ্ধান্তের জেরে সমস্যায় পড়বে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলি৷ কারণ এই দুই দেশের অন্যতম প্রধান রফতানিকারক দেশ ভারত৷

গত ২৭ সেপ্টেম্বর, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে৷ সেই তালিকায় এসি, ফ্রিজ, ওয়াসিং মেশিন, স্পিকার, জুতো, জেট ফুয়েল সহ ১৯টি পণ্য রয়েছে৷ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং ডলারের তুলনায় রুপির দরের সর্ব্বোচ পতনের জেরে আমদানি খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতের৷ সেই খরচ কমাতে আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার৷

স্বভাবতই এই সিদ্ধান্তে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চিন ও দক্ষিণ কোরিয় কোম্পানিগুলির৷ সেই চিন্তার কথা ফুটে উঠেছে বাণিজ্য মন্ত্রকের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর বাই মাং এর গলায়৷ গ্লোবাল টাইমসকে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্তের জেরে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলিতে প্রভাব পড়বে৷ কারণ ভারতে এই ১৯টি পণ্যের সিংহভাগ এই দুই দেশ থেকে আসে৷

চিনের অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ, ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের পিছনে কাজ করেছে দুটি কারণ৷ প্রথমত, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট কমানো৷ অর্থাৎ রফতানির চেয়ে আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়া৷ দ্বিতীয়ত, প্রতিযোগিতার বাজারে বিদেশি কোম্পানির আগ্রাসন থেকে দেশীয় কোম্পানিগুলিকে সুরক্ষিত করতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত৷ তাদের মতে, মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত মুক্ত অর্থনীতি ও বাণিজ্যের পরিপন্থী৷ এতে বিদেশি কোম্পানিগুলি সমস্যায় পড়বে৷ শুধু কোম্পানি সমস্যায় পড়বেনা, ক্রেতারাও৷ তাদেরও বেশি দাম দিয়ে সেই পণ্য কিনতে হবে৷

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮
৯ বার পঠিত হয়েছে

এবার চীনের সাথে বাণিজ্যযুদ্ধে নামলো ভারত

আপডেট এর সময় : ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮

চীনের ফ্রিজ, এসি সহ ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত।এর ফলে পাল্টা হুমকি দিয়েছে চীন।এর মাশুল দিতে হতে পারে ভারতকে৷ চিনের মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমসকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এই মত প্রকাশ করেছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷ তাদের মতে, ভারতের এই সিদ্ধান্তের জেরে সমস্যায় পড়বে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলি৷ কারণ এই দুই দেশের অন্যতম প্রধান রফতানিকারক দেশ ভারত৷

গত ২৭ সেপ্টেম্বর, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে৷ সেই তালিকায় এসি, ফ্রিজ, ওয়াসিং মেশিন, স্পিকার, জুতো, জেট ফুয়েল সহ ১৯টি পণ্য রয়েছে৷ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং ডলারের তুলনায় রুপির দরের সর্ব্বোচ পতনের জেরে আমদানি খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতের৷ সেই খরচ কমাতে আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার৷

স্বভাবতই এই সিদ্ধান্তে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চিন ও দক্ষিণ কোরিয় কোম্পানিগুলির৷ সেই চিন্তার কথা ফুটে উঠেছে বাণিজ্য মন্ত্রকের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর বাই মাং এর গলায়৷ গ্লোবাল টাইমসকে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্তের জেরে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলিতে প্রভাব পড়বে৷ কারণ ভারতে এই ১৯টি পণ্যের সিংহভাগ এই দুই দেশ থেকে আসে৷

চিনের অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ, ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের পিছনে কাজ করেছে দুটি কারণ৷ প্রথমত, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট কমানো৷ অর্থাৎ রফতানির চেয়ে আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়া৷ দ্বিতীয়ত, প্রতিযোগিতার বাজারে বিদেশি কোম্পানির আগ্রাসন থেকে দেশীয় কোম্পানিগুলিকে সুরক্ষিত করতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত৷ তাদের মতে, মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত মুক্ত অর্থনীতি ও বাণিজ্যের পরিপন্থী৷ এতে বিদেশি কোম্পানিগুলি সমস্যায় পড়বে৷ শুধু কোম্পানি সমস্যায় পড়বেনা, ক্রেতারাও৷ তাদেরও বেশি দাম দিয়ে সেই পণ্য কিনতে হবে৷