ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গোমেজের চোটে দুশ্চিন্তায় লিভারপুলের নতুন কোচ ইরাওলা Logo অধিকৃত পশ্চিম তীরে ২ মসজিদে আগুন দেওয়ার অভিযোগ Logo জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন Logo চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর Logo আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী/// Logo টানা দ্বিতীয় দিনে আরেকটি ড্রোন ভূপাতিত করল রোমানিয়া Logo টাইফুন নউল চীনের দিকে ধেয়ে আসায় ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে Logo ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা

এবার চীনের সাথে বাণিজ্যযুদ্ধে নামলো ভারত

প্রতিনিধির নাম :

চীনের ফ্রিজ, এসি সহ ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত।এর ফলে পাল্টা হুমকি দিয়েছে চীন।এর মাশুল দিতে হতে পারে ভারতকে৷ চিনের মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমসকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এই মত প্রকাশ করেছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷ তাদের মতে, ভারতের এই সিদ্ধান্তের জেরে সমস্যায় পড়বে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলি৷ কারণ এই দুই দেশের অন্যতম প্রধান রফতানিকারক দেশ ভারত৷

গত ২৭ সেপ্টেম্বর, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে৷ সেই তালিকায় এসি, ফ্রিজ, ওয়াসিং মেশিন, স্পিকার, জুতো, জেট ফুয়েল সহ ১৯টি পণ্য রয়েছে৷ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং ডলারের তুলনায় রুপির দরের সর্ব্বোচ পতনের জেরে আমদানি খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতের৷ সেই খরচ কমাতে আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার৷

স্বভাবতই এই সিদ্ধান্তে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চিন ও দক্ষিণ কোরিয় কোম্পানিগুলির৷ সেই চিন্তার কথা ফুটে উঠেছে বাণিজ্য মন্ত্রকের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর বাই মাং এর গলায়৷ গ্লোবাল টাইমসকে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্তের জেরে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলিতে প্রভাব পড়বে৷ কারণ ভারতে এই ১৯টি পণ্যের সিংহভাগ এই দুই দেশ থেকে আসে৷

চিনের অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ, ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের পিছনে কাজ করেছে দুটি কারণ৷ প্রথমত, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট কমানো৷ অর্থাৎ রফতানির চেয়ে আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়া৷ দ্বিতীয়ত, প্রতিযোগিতার বাজারে বিদেশি কোম্পানির আগ্রাসন থেকে দেশীয় কোম্পানিগুলিকে সুরক্ষিত করতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত৷ তাদের মতে, মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত মুক্ত অর্থনীতি ও বাণিজ্যের পরিপন্থী৷ এতে বিদেশি কোম্পানিগুলি সমস্যায় পড়বে৷ শুধু কোম্পানি সমস্যায় পড়বেনা, ক্রেতারাও৷ তাদেরও বেশি দাম দিয়ে সেই পণ্য কিনতে হবে৷

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮
১৩ বার পঠিত হয়েছে

এবার চীনের সাথে বাণিজ্যযুদ্ধে নামলো ভারত

আপডেট এর সময় : ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮

চীনের ফ্রিজ, এসি সহ ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত।এর ফলে পাল্টা হুমকি দিয়েছে চীন।এর মাশুল দিতে হতে পারে ভারতকে৷ চিনের মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমসকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এই মত প্রকাশ করেছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷ তাদের মতে, ভারতের এই সিদ্ধান্তের জেরে সমস্যায় পড়বে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলি৷ কারণ এই দুই দেশের অন্যতম প্রধান রফতানিকারক দেশ ভারত৷

গত ২৭ সেপ্টেম্বর, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে৷ সেই তালিকায় এসি, ফ্রিজ, ওয়াসিং মেশিন, স্পিকার, জুতো, জেট ফুয়েল সহ ১৯টি পণ্য রয়েছে৷ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং ডলারের তুলনায় রুপির দরের সর্ব্বোচ পতনের জেরে আমদানি খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতের৷ সেই খরচ কমাতে আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার৷

স্বভাবতই এই সিদ্ধান্তে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চিন ও দক্ষিণ কোরিয় কোম্পানিগুলির৷ সেই চিন্তার কথা ফুটে উঠেছে বাণিজ্য মন্ত্রকের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর বাই মাং এর গলায়৷ গ্লোবাল টাইমসকে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্তের জেরে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলিতে প্রভাব পড়বে৷ কারণ ভারতে এই ১৯টি পণ্যের সিংহভাগ এই দুই দেশ থেকে আসে৷

চিনের অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ, ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের পিছনে কাজ করেছে দুটি কারণ৷ প্রথমত, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট কমানো৷ অর্থাৎ রফতানির চেয়ে আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়া৷ দ্বিতীয়ত, প্রতিযোগিতার বাজারে বিদেশি কোম্পানির আগ্রাসন থেকে দেশীয় কোম্পানিগুলিকে সুরক্ষিত করতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত৷ তাদের মতে, মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত মুক্ত অর্থনীতি ও বাণিজ্যের পরিপন্থী৷ এতে বিদেশি কোম্পানিগুলি সমস্যায় পড়বে৷ শুধু কোম্পানি সমস্যায় পড়বেনা, ক্রেতারাও৷ তাদেরও বেশি দাম দিয়ে সেই পণ্য কিনতে হবে৷